

সাদা গাউন পরিহিতা স্মিতা আয়নায় নিজেকে ঘুরে ঘুরে দেখছে। এটা তার মায়ের ওয়েডিং গাউন। তিনি চেয়েছিলেন, স্মিতা এটা নিজ বিয়েতে পরুক। তাই তো স্মিতা এটাকে সযত্নে রেখেছিল এতোদিন। নিজেকে দেখে খুশি মনে টেবিলের উপর থেকে শুভ্র লিলি ফুলগুলো নিয়ে আবার আয়নার সামনে দাঁড়ায়। অতঃপর নিজে নিজেই বলে, “আজ হৃদয়ের রিয়াকশন কেমন হবে? উমম…ও তো আমাকে সাদা থ্রিপিসে দেখে বলেছিল, ‘শুভ্রতায় বুঝি নারীর সৌন্দর্য পুষ্পের ন্যায় ফুটে উঠে?’ ইশ! সেদিন অচেনা পুরুষটির কথার ঝালে আটকে আজ তার প্রেয়সী থেকে প্রিয়তমা হতে চলেছি। লজ্জায় মূর্ছা না যাই!” আরশির সম্মুখে দাঁড়িয়ে নিজেকে বিশ্লেষণ করার মধ্যেই হৃদয়ের কণ্ঠস্বর কানে ভেসে আসে। “স্মিতা, কোথায় তুমি? জলদি এসো।” স্মিতা দাঁত দিয়ে জিভ কামড়ে দ্রুত নিজেকে আরেকবার দেখে নিয়ে ফুল হাতে ছুটে যায়। সিঁড়ির কাছে যেতেই সিঁড়ির খোলা জানালা দিয়ে দেখে হৃদয় ও নিচ তলার আঙ্কেল-আন্টি নিচে দাঁড়িয়ে আছে। হৃদয়ের পরনে সাদা সুট-বুট। বেশ সুদর্শন দেখাচ্ছে তাকে শুভ্র রঙে। হৃদয়ের বলার মতো স্মিতারও বলতে ইচ্ছে করছে, ‘শুভ্রতায় শুধু কি নারীর সৌন্দর্য ফুটে উঠে? পুরুষের সৌন্দর্য বুঝি ফুটে না? পুরুষকে তো শুভ্রতায় রূপকথার রাজকুমারের মতো লাগে। শুভ্র পক্ষীরাজ ঘোড়ায় চেপে আসা সুদর্শন রাজকুমারের মতো লাগে। যার একবার স্পর্শে জীবনের সব অপূর্ণতারা পূর্ণতার সাগর পাড়ি দেয়।”
খুব সুন্দর হয়েছে গল্পটি। তবে গল্পের শেষ পড়ে মন ভারাক্রান্ত হয়ে যায়।তবুও গল্পটি সুন্দর হয়েছে।👌🩷
Read all reviews on the Boitoi app