

ইরানের শীর্ষ পরমাণু বিজ্ঞানী মোহসেন ফাকরিজাদেহ। মেধাবী পরমাণু বিজ্ঞানী হিসেবে পৃথিবী জুড়ে তার খ্যাতি ছিল। আর এটাই ইসরায়েলের মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। দেশটির প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং ফাকরিজাদেহ এর ব্যাপারে বার বার সাবধান করে দিয়েছিলেন। আমির ফাকরিজাদেহ ছিলেন ইসরায়েলের জন্য বড়ো হুমকি। মোসাদ কয়েকবার হত্যা চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তারা সফল হয়। ২০২০ সালের ২৭ নভেম্বর মোসাদ তাকে একটা রোবট চালিত মেশিনগান দিয়ে হত্যা করে। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি 'দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস' পত্রিকায় বিশদ বিবরণ দিয়ে ছাপিয়েছিল, তার ছায়া অবলম্বনে প্রথম চারটা পর্ব লিখেছিলাম। পরে মনে হলো এই অন্যায় হত্যার প্রতিশোধ নেওয়া উচিত। তাই পরবর্তী ছয়টা পর্ব নিজের মনের কল্পনাকে প্রাধান্য দিয়েই লেখা।
স্বল্প পরিসরের কিন্তু টানটান একটা গল্প! পারফেক্ট থ্রিলার যাকে বলে। এক বসায় পড়ে ফেললাম।
Read all reviews on the Boitoi app
অসাধারণ
Excellent writing.
এ ডার্ক নভেম্বর ইন তেহরান " অসাধারণ রোমাঞ্চকর একটা থ্রিলার। টান টান উত্তেজনা নিয়ে শেষ করলাম। কি হবে, হাসান রুস্তমী প্রতিশোধ নিতে পারবে কিনা? প্রতিটি ঘটনা, প্রতিটা স্থানের কি নিখুঁত বর্ননা! সমানে সমানে বুদ্ধির খেলায় হাসান রুস্তমীর জয় টা সত্যিই দারুণ উপভোগ্য। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আপনার ক্ষুরধার সহজাত লেখনীই পাঠক কে মুগ্ধতায় আচ্ছন্ন করে রাখে। অনেক শুভকামনা ♥️
দারুণ মনে হল কোনো থ্রিলার মুভি দেখলাম।
এই বইটা সংগ্রহে রাখার খুব ইচ্ছা ছিল। ইরান, আফগানিস্তান নিয়ে বাংলায় এরকম তথ্যবহুল এবং পাঠকের মনযোগ ধরে রাখার মত বই খুব কম পাওয়া যায়। অনেক ধন্যবাদ বইটই প্ল্যাটফর্মে ফেসবুকের গল্পটা একটা পরিপূর্ণ উপন্যাসের আকারে আপলোড করার জন্য। আল্লাহ আপনার লেখনীতে আরও বারাকাহ দান করুন।