

মুখোমুখি দুটো বাড়ি। পাতাবাহার আর সাঁতারু। দীর্ঘদিনের প্রতিবেশী। সহমর্মিতার নির্ভেজাল সহাবস্থান। আত্মীয়তায় রূপ নেবার অপেক্ষা। সাঁতারুর যোগ্য সন্তান ওয়াহিদের পক্ষ থেকে বিয়ের প্রস্তাব গেল পাতাবাহারের বড় মেয়ে লুনার জন্য। লুনা গভীর জলের মাছ। ওয়াহিদ দক্ষ সাঁতারু। ওয়াহিদের ছাত্রী ও পরম ভক্ত আরহা সাঁতার না জানা এক সহজ সরল তরুণী। তার প্রিয়পাত্র নাবেদ সম্পর্কে লুনার ভাই। একজন উগ্র উচ্ছৃঙ্খল যুবক। সম্পর্কের জটিল টানাপোড়েন। লুনা আরহা নাবেদ আর ওয়াহিদের চতুর্ভূজ দ্বন্দে দুই বাড়ির দীর্ঘদিনের সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্প্রীতি হুমকির মুখে পড়ল। শেষ পর্যন্ত দুই বাড়ি কী আত্মীয় হতে পেরেছিল ! জানতে হলে পড়ুন জমজমাট সামাজিক রোমান্টিক উপন্যাস ' তোমাতে ডুবে যাব বলে আজও সাঁতার শিখিনি '।
"অাপুর লেখা মানে নতুনের স্বাদ। আলহামদুলিল্লাহ অনেক ভালো লেগেছে। অল্প সংখ্যক চরিত্র দিয়ে অসাধারণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে কাহিনী। বর্তমান সমাজের বাস্তব চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। আরহার কথা মনে থাকবে অনেক দিন।এমন আরও অনেক অনেক লেখা চাই লেখিকা আপুর কাছে।"
খুবই সুন্দর হয়েছে আপু। ওদের একটা সংসার দেখার আশায় রইলাম।❤️❤️
Read all reviews on the Boitoi app
বরাবরের মতোই দারুন। আমি এই ইবুক মেলায় যতগুলো বই পড়েছি তার মধ্যে কমপক্ষে ৭,৮ রুবি আপুর।তাই মনে হয় একটা রিভিউ অন্তত না দিলেই নয়।ব্লারব পড়ে মনেই হয় না যে বইয়ের ফেরত এতো সুন্দর গল্প। রুবি আপুর লেখা পড়তেও কখনো একঘেয়েমি কাজ করে না প্রতিবার এতো সুন্দর করে লেখে। এই গল্পটাও এতো অসাধারণ…
মাশা-আল্লাহ মাশা-আল্লাহ চমৎকার একটা বই পড়ে শেষ করলাম! আপুর লেখা বরাবরের মতোই অসাধারণ! বহুদিন ধরে টানা বই পড়া হয় না। এটা কিনেছি গতরাতে। আজকে যোহরের পর থেকে টানা পড়ে আসরের পরের দিকে শেষ হয়ে গেল। এত্তো সুন্দর এত্তো সুন্দর! সবই ভালো লেগেছে। ওয়াহিদ মাস্টারকে সুপার লেগেছে। আরহাকে একটু রাগ লেগেছে যখন সেধে সেধে নাবেদের জন্য মরিয়া হয়ে উঠতো। এমনিতে ভালো লেগেছে। লুনার সম্পর্কে মন্তব্য করবো না। ভালোই লেগেছে ধরা যায়। নুরুননাহার আন্টিকে এত্তো চমৎকার লেগেছে মাশা-আল্লাহ। আরহার মাকেও ভালো লেগেছে। নাবেদ ওরফে চরিত্রহীনের কথা বলার প্রয়োজন মনে করছি না। এরকম চরিত্রহীনগুলো অপকর্ম করে সমাজে ভালো সেজে ঘুরে বেড়ায়। আরো কিছু চরিত্র ছিল ভালো খারাপের মিশেলে। সেসব বই পাঠেই জানবেন। সব মিলিয়েই অসাধারণ এক গল্প। কোথা থেকে শুরু হলো আর কোথায় গিয়ে শেষ হলো! লেখিকা আপুর প্রতিভা মাশা-আল্লাহ। বইটাতে একটু বানান আর শব্দের উলোটপালোট চোখে পড়েছে। শব্দ আগপিছ হয়েছে আবার এক শব্দ একই জায়গায় দুইবারও এসেছে। এরকম ছোটখাটো কিছু টাইপিং মিসটেক লক্ষ করেছি। পড়তে অসুবিধা হয়নি তবে রুবি আপু এডিটের অপশন থাকলে, সময় হলে আর প্রয়োজন মনে করলে এ ব্যাপারটা ক্লিয়ার করে দিলে সবদিক দিয়ে একদম পারফেক্ট হয়ে যাবে! মোটামুটি দীর্ঘ একটা বই পড়লাম। তা-ও পাঠক মন! আরও সুদীর্ঘ লেখনী পড়ার ইচ্ছে ব্যক্ত করে এখানেই মন্তব্যের সমাপ্তি। আল্লাহ আপনার লেখায় অঢেল বারাকাহ দান করুন। আমিন।
বই পড়ে অনুভূতি অবশ্যই ইতিবাচক।ব্যাক্তিগতভাবে আমি লেখিকার অনেক পুরোনো একজন পাঠিকা,অনলাইন এবং অফলাইনে।ওনার অধিকাংশ বই,ই-বুক,অনলাইন লিখা আমি পড়েছি সেক্ষেত্রে আমার একটি বড় অভিযেগ হচ্ছে নায়ক নায়িকা তাদের জীবনে অনেক কষ্ট করে, হারাম জীবনযাপন করে যখন হালাল সম্পর্ক হয়,বৈধ পরিণতি পায় তখনই উপন্যাস শেষ।হালাল নিয়েও তো একটু বেশি লিখা উচিত।তাতে ইতিবাচক মেসেজ আরও পাবে মানুষ।এক্ষেত্রে আমি দাবি করব তাদের হালাল জীবন নিয়েও কিছুটা লিখতে।
লেখিকার এ যাবতকালের সেরা রোমান্টিক গল্প।
Eto valo laglo...just osthir...
আলহামদুলিল্লাহ,রুবি আপু সবসময় ঠিক। অনেক কিছুই শেখার আছে ❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️🌼🌼🌼🌼🌼🌼
ভীষণ ভালো লাগলো। ওয়াহিদকে শুরুর দিকে ততটা গুরুত্ব দেইনি কিন্তু ওর পার্সোনালিটি চমৎকার ছিলো। আরহার দোষ দিব না ওর বয়সটাই ভুল করার মতো।এক্ষেত্রে সালেহার আরও সচেতন হবার প্রয়োজন ছিলো। লুনা চরিত্রটা যেমনই হোক আমার ওর বুদ্ধির তারিফ করতে মন চায়। মেয়েটা,সঠিক পথপ্রদর্শক পেলে হয়ত আরও ভালোই করত। সবমিলিয়ে শেষটা দারুণ ছিলো।
মোর্শেদা আপু মানেই ভিন্ন এক গল্পের স্বাদ। এটাও তেমনি চমৎকার প্লটের খুব সুন্দর একটা গল্প। সময় পেলেই আবারও পড়ব।
রুবি আপুর লেখা পড়তে সবসময়েই ভীষণ ভালোবাসি! তোমাতে ডুবে যাবো বলেই আজও সাঁতার শিখিনি আর একটি অনন্য গল্প। শেষ করে প্রশান্তিতে ভরে গেছে মন। কি দারুণ শেষের কথাগুলো! লাভড ইট! সবার প্রতি আহ্বান রইলো পড়ার। আপনিও ভালোবাসবেন ওয়াহিদ-আরহার এই ডুবে যাবার শুরুতে পৌঁছাতে। আর তারপরেরটুকু অফুরন্ত কল্পনা!☺️❤️