

আবিদ দৌড়ে এসে স্টুডিওতে ঢুকল। ধড়াস ধড়াস করছে হৃদপিণ্ড। ঘামছে দরদর করে। হে খোদা! এটা সে কী দেখল? অপর্ণার লাশ গায়েব! আবিদ হাঁফাতে হাঁফাতে বেডরুমে ঢুকল। আরে! এটা কীসের দুর্গন্ধ? ওয়াক। সোনিয়া! সোনিয়া! কেউ তার ডাকে জবাব দিল না। মৃদু কটকট শব্দটা ক্রমেই বাড়তে লাগল। ঠিক তখনই চোখে পড়ল সোনিয়ার লাশ। সোনিয়ার বুকের মাংস ফেঁড়ে বেরিয়ে আসছে একটা গিরগিটি। না, গিরগিটি না। ওটা অপর্ণা। টাক আর চোখের পাপড়িবিহীন। অপর্ণার মুখটা মানুষের মতো হলেও পুরো শরীরটা গিরগিটির। কালো ও আঁশযুক্ত। ওটা সোনিয়ার শরীর থেকে বেরিয়ে ধীরে ধীরে এগিয়ে আসতে লাগল আবিদের দিকে। প্রচণ্ড শীত করছে আবিদের! প্রচণ্ড শীত! রক্তহিম করা ভয়ের কাহিনি। দুর্বল হৃদয়ের পাঠকেরা দয়া করে পড়বেন না