

ব্যারিস্টার সায়মা রহমান। একছেলে আর বউমা নিয়ে উনার সাজানো সুখের সংসার। যদিও নিজের জীবনের ভালোবাসার ঘরটা একসময় তাসের ঘরের মতো ভেঙ্গে পড়েছিলো তবুও ছেলের সুখের মাঝে নিজের সুখটা খুঁজে নিয়ে তৃপ্তি পান। বাইরে থেকে সবাই ভাবে সায়মা কতো সুখী একজন মানুষ। ছেলে ডাক্তার। ইউনাইটেট হাসপাতালে আইসিইউ বিভাগে কর্মরত। পাশাপাশি এমডি কোর্স করছে। অন্যদিকে বউমা স্কলাস্টিকা স্কুলের টিচার। মান সম্মান প্রতিপত্তি সবই সায়মার হাতের মুঠোয়। তারপরও ভালেবাসার বিভ্রমে বুকের গভীরে যে ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে তা মাঝে মাঝে ওকে পোড়ায়। আজ অবদি নিজের এই একান্ত কষ্টের অনুভবের উপলব্ধি কারো কাছে শেয়ার করেননি। কিন্তু এক বিশেষ ঘটনার প্রেক্ষিতে নিজের ছেলের বউয়ের কাছে শেয়ার করেছেন। কি সেই ঘটনা কিংবা ভালোবাসার বিভ্রমটা কিভাবে হলো জানতে হলে পাঠক বন্ধুদের আমার বইটি পড়ার আমন্ত্রণ রইলো।
ভালো লেগেছে! পুরুষ মানুষের মন অতি তরল। বিশ্বাস করলেই ঠকতে হয়! তাই সাবধানে থাকাই উচিত! গল্পের শিক্ষনীয় দিক, এটাই!
Read all reviews on the Boitoi app
ভীষণ ভালো লাগলো। সামাজিক উপন্যাস। এর আগে অনলাইনে পড়েছিলাম। আবারো পড়লাম। এক সাহসী নারীর গল্প। জীবনের সব প্রতিকূলতাকে পাশ কাটিয়ে যে এগিয়ে যায় সাফল্যের তাজ তার মাথায় শোভা পায়।