

চারিদিকে নিকষ কালো অন্ধকার, গহীন জঙ্গল, আকাশ থেকে নামছে বারিধারা। ধরণি যেন নিস্তব্ধ হয়ে রয়েছে, গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন মানবকূল। পুরো শহরে লোডশেডিং। কোথাও কোনো আলো জ্বলছে না। শহর থেকে দূরে শ্যামারণ্য। সহজে মানুষের যাতায়াত নেই সেখানে। সেই বাগানে ভাঙা চোরা পুরানো শ্যাওলা পড়া বিল্ডিংয়ে একটা মোমবাতির আলো জ্বলছে। মোমবাতির হলুদ আলোয় রজনীর মুখটা হলদেটে আকার ধারণ করেছে। চোখ বাঁধা অবস্থায় একটা চেয়ারে দড়ি দিয়ে তার হাত-পা বাঁধা রয়েছে। চারদিকে কয়েকটা ছেলে তাকে ঘিরে দাঁড়িয়ে রয়েছে। সেকেন্ডে সেকেন্ডে তাকে মৃত্যুর ভয় দেখানো হচ্ছে। যার আদেশে রজনি'কে বেঁধে রাখা হয়েছে তার উদ্দেশ্য অন্ত নামের ছেলেটি বলল, " ভাই, মেয়েটাকে ওরা সারাদিন বেঁধে রেখেছে। অর্ধেক শাস্তি পেয়ে গিয়েছে।" অন্তুর কথা কর্ণকুহরে প্রবেশ করতেই সে ফুঁসে উঠে জবাব দিল," শাস্তির ‘শ’-টুকুও হয়নি। আমি এই মেয়েকে খু' ন করে ফেললেও শাস্তির ‘শ’- টুকুও হবে না।" বলেই চক্ষুদ্বয়ে তীব্র রাগ নিয়ে রজনীর দিকে তাকাল। ইচ্ছা ছিল চোখ দিয়েই ভষ্ম করে ছাড়বে রজনীকে। কিন্তু রজনীর দিকে তাকাতেই তার পুরো চেহারাটা পরিবর্তন হয়ে এলো। চোখের ভয়ঙ্কর রাগ কোথায় যেন বিলীন হয়ে গেল। নিভে গেল সমস্ত আগুন। ভয়ঙ্কর চোখ দুটো নিমিষেই কেমন শান্ত হয়ে এলো।
ভীষণ ভালো লাগলো।। আরেকটু বড় হলে আরও ভালো লাগতো।
Read all reviews on the Boitoi app
দারুণ গল্প মন ছুঁয়ে দিলে, তোমার সবগুলো গল্প পড়া শেষ, ইচ্ছে আছে বই গুলো কিনে পড়ার।
Good
❤️❤️❤️❤️❤️❤️