
“সেদিন সন্ধ্যায় নবনীকে যখন তার চরম অসহ্য মামাতো ভাইকে বিয়ে করার কথা বলা হলো, নবনীর প্রতিক্রিয়া তখন ছিল আকাশ ফুঁড়ে ঠান্ডাটা সোজা মাথার ওপর পড়ার মতো। মুখাবয়ব এমন—পৃথিবীতে যদি এই লোকটা শেষ পুরুষ হিসেবে অবশিষ্ট থাকে, সে সন্ন্যাস গ্রহণ করবে। ছোটবেলা থেকে সবচেয়ে বিরক্তিকর কাজিন হিসেবে খ্যাত জনাব কুঞ্জকে সে কী করে মেনে নেবে নিজের স্বামী হিসেবে? এর চেয়ে কি আমৃত্যু অবিবাহিত থাকা ভালো নয়? নবনীর মনে বহু কষ্ট। এই সেই কুঞ্জ ভাই, যার কাছে সে ছোট থেকেই পাত্তা না পাওয়া এক অবহেলিত বস্তুমাত্র। সামনে দিয়ে ঘুরঘুর করলেও তাকিয়ে দেখে না, বরঞ্চ কপালটা কিঞ্চিৎ কুঞ্চিত হয়, এর বেশি কিছু না। বড়ো হওয়ার পর তো একপ্রকার এড়িয়েই চলতে শুরু করে নবনী তাকে। নেহাতই বড়ো মামার বাসাটা আর তাদের বাসাটা কাছাকাছি ও বড়ো মামার আদরের মেয়েবাচ্চাটা তার প্রিয় বান্ধবী বলে যাতায়াত লেগেই থাকে, নয়তো অমন সুদর্শন যুবকের রসকষহীন মুখ দেখতে থোড়াই যায় নবনী! সেই যে ক্লাস সেভেনে থাকতে একবার ছাদে শুকাতে দেওয়া কুঞ্জভাইয়ের সাদা শার্টে ভুলক্রমে লিপস্টিকের লাল দাগ ভরিয়ে ফেলায় কড়া ধমকটা খেয়েছিল, তা মনে পড়তেই তো আত্মা কেঁপে ওঠে! এমন বান্দাকে বিয়ে করবে? কদাচিৎ নহে! নবনীর খুব করে কান্না পেল। পরিকল্পনা করল বহু বিয়ে থেকে বাঁচার। অথচ কোনো উপায়ই বৃহস্পতিবার পর্যন্ত কাজে লাগল না। মধ্যরাত অবধি চোখের পানি, নাকের পানি এক করে বিভিন্ন কল্পনা-জল্পনা করল বিয়ে আটকানোর। এতে করে উপকার কী হলো জানা নেই; তবে যেই শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে বিয়ে, নবনীর ঘুম ভাঙল সেই শুক্রবারই দুপুর আড়াইটা নাগাদ। উঠে কিছুক্ষণ হতবিহ্বল হয়ে ঘড়ির দিকে তাকিয়ে রইল। পর পর ফোন হাতে তুলল। কন্ট্যাক্ট লিস্টে জঘন্য ব্যক্তিটির নম্বর সেভ করা নেই। তবে ধুলো মাখা এক কোণায় অযতনে পড়ে আছে গোটা নম্বরটিই। নবনী মুখস্ত ডায়াল করল। দু-বার শ্বাস টেনে অবশেষে কল লাগিয়েই ফেলল। অসহ্য মানব অসহনীয় কাজ করতে সদা তৎপর। সে রিসিভ করল কাল বিলম্ব না করেই, “কে?” নবনী উত্তেজিত গলায় নিজের নাম বলল। তা শুনে কুঞ্জ বলল, “চিনি না।” না-চেনার মধ্যেই তাদের বিয়েটা হয়ে গেল অস্বাভাবিকভাবে। আর তারপর ঘটতে লাগল এমন কিছু ঘটনা, যা কুঞ্জ সাহেব কল্পনাতেও আনেননি। সৃষ্টি হলো ভীষণ সুন্দর একটি শব্দের—“প্রেমজ্বর!””
"নবনীর কুঞ্জ ভাই! এতো সুন্দর ছিলো এটা কথায় প্রকাশ করা সম্ভব না। নবনীতা আপির লেখায় মারাত্মক সুন্দর কিছু জিনিস আছে। তার মধ্যে একটা হচ্ছে “ডায়েরি”। ডায়ারির পাতায় একতরফা অনুভুতিগুলো পড়ে ভীষণ কেঁদেছি আমি। কতোটা ভালোবাসা লুকোনো ছিল এই লেখাগুলোতে, কেউ কি ভাবতে পারবে? কিছু কিছু জায়গায় ভীষণ হেসেছি, শব্দ করে হেসেছি। এতো ফানি ভাবেও লেখা যায়? নবু কোনো সাধারণ মেয়ে নয় সে অসাধারণ এক অস্তিত্ব! তাদের ছোট্ট সংসার, নিজেদের সবটা বুঝে নেয়া, প্রায়োরিটি সব মিলিয়ে গল্পতে আমি ডুবে গিয়েছিলাম। ইচ্ছে হচ্ছিল এমন একটা সংসার আমারও হোক। হ্যাপি এন্ডিং পেয়েও এটা পড়ার সময় এতোটা কেঁদেছি! এটা হয়তো নবনীতা আপির লেখা পড়েই সম্ভব। সবার পক্ষে লেখায় হয়তো এতোটা ইমোশন মেশানো সম্ভব না। সব লেখা পড়তে পড়তে ফিল করা যায় না। অথচ এটা পড়ার সময় প্রতিটা শব্দ আমার হৃদয়ে ঝড় তুলেছে। এটা না পড়লে আমি বাস্তবতা ভুলে, এতোটা সময় অন্য এক জগতে বিচরণ কিভাবে করতাম? ভাষা হারিয়ে ফেলছি। অসাধারণ ছাড়া কিছু বলার মতো খুঁজেই পাচ্ছি না। ভালোবাসি কুঞ্জ ভাই... 🥀"
নবনীর কুঞ্জ ভাই! এতো সুন্দর ছিলো এটা কথায় প্রকাশ করা সম্ভব না। নবনীতা আপির লেখায় মারাত্মক সুন্দর কিছু জিনিস আছে। তার মধ্যে একটা হচ্ছে “ডায়েরি”। ডায়ারির পাতায় একতরফা অনুভুতিগুলো পড়ে ভীষণ কেঁদেছি আমি। কতোটা ভালোবাসা লুকোনো ছিল এই লেখাগুলোতে, কেউ কি ভাবতে পারবে? কিছু কিছু জায়গায় ভীষণ হেসেছি, শব্দ করে হেসেছি। এতো ফানি ভাবেও লেখা যায়? নবু কোনো সাধারণ মেয়ে নয় সে অসাধারণ এক অস্তিত্ব! তাদের ছোট্ট সংসার, নিজেদের সবটা বুঝে নেয়া, প্রায়োরিটি সব মিলিয়ে গল্পতে আমি ডুবে গিয়েছিলাম। ইচ্ছে হচ্ছিল এমন একটা সংসার আমারও হোক। হ্যাপি এন্ডিং পেয়েও এটা পড়ার সময় এতোটা কেঁদেছি! এটা হয়তো নবনীতা আপির লেখা পড়েই সম্ভব। সবার পক্ষে লেখায় হয়তো এতোটা ইমোশন মেশানো সম্ভব না। সব লেখা পড়তে পড়তে ফিল করা যায় না। অথচ এটা পড়ার সময় প্রতিটা শব্দ আমার হৃদয়ে ঝড় তুলেছে। এটা না পড়লে আমি বাস্তবতা ভুলে, এতোটা সময় অন্য এক জগতে বিচরণ কিভাবে করতাম? ভাষা হারিয়ে ফেলছি। অসাধারণ ছাড়া কিছু বলার মতো খুঁজেই পাচ্ছি না। ভালোবাসি কুঞ্জ ভাই... 🥀
Read all reviews on the Boitoi app
আপু তুমি খুবই দারুন লিখ। গল্পের প্রবাহ আর প্লট খুবই সুন্দর ছিল। বাস্তব ফিল পেয়েছি। অনেক সময় গল্পের শুরুর দিকে ভালো লাগলেও পরে আর পড়তে মন চায় না কিন্তু এইটা আমি পড়েও মনে হচ্ছে আর একটু কেন লিখলে না। লাস্টের দিকে কুঞ্জ যখন বলে যে সে ইচ্ছে করে নবনী কে অবহেলা করেনি তখন আসলে বাস্তবের সাথে মিলে যায়,আসলে এইটা ইম্পরটেন্ট না যে নায়ক সবসময় নায়িকাকে আগে থেকেই ভালোবাসবে। এমন হলে অন্য গল্প আর এর মাঝে তফাত থাকতো না। কুঞ্জ যখন সব জানতে পেরেছে আর এখন তার মনেও নবনীর প্রতি ভালোবাসা জন্মেছে এইটাই আসলে বাস্তবতার সাথে মিলে যায়। আচ্ছা এখন আসল কথা বলি আমি কিন্তু এইটুকুতে সন্তুষ্ট নই এইটার পার্ট ২ চাই ই চাই হু। ভালো থেকো আপু।
অনেক সুন্দর হয়েছে
গল্পটা সত্যিই চমৎকার আর অসাধারণ। এক বসায় শেষ করেছি এতো ভালো ছিল। ওদের আবার পড়তে বার বার ইচ্ছে করছে।
ভালো ছিল। কিন্তু দাম টা বেশি হয়ে গেলো😑😑
অসাধারণ একটি গল্প। খুব সুন্দর হয়েছে। গল্পটা পড়ার পর জীবনের অনেক যন্ত্রণাময় অধ্যায় চোখের সামনে ভেসে উঠেছে। তারপর ও গল্পটা অনেক ভালো লেগেছে।
সুন্দর😍 এটার ফেসবুক ভার্সন পড়ে অনেক আগেই প্রেমে পরেছিলাম, তবে শেষটা আরেকটু ভালো হতে পারতো। 🥺
ভালো ছিলো,,, কিন্তু মূল্যটা আরো কম হওয়া উচিত।
প্রথম প্রেমের অনুভূতি আসলেই স্পেশাল, খুব সুন্দর গল্প, তবে লেখিকা আপুকে বলতে চাই আর একটু সহজ সাবলীল বাংলা ভাষায় লিখলে ভালো হয়, আমি মাঝে মাঝেই পড়ার খেই হারিয়ে ফেলছিলাম,হয়ত আজ প্রথম আপনার লেখা পড়েছি তাই, তবে সম্পুর্ন গল্প একবারেই শেষ করেছি। শুভকামনা রইল আপনার জন্য ❤️❤️❤️
নবনীর মাঝে জেন নিজেকে খুজে পাই, নবনী তোহ পেয়ে গেল তার মোনের মানুষকে আমি কি পাবো?