

সুখনীড় নামক এক সুখের প্রাসাদ— নামের মতোই সুখে ঘেরা সেই সুখনীড়। যেখানে আছে সুখের সম্ভার! দুঃখের রেশ টুকু অব্দি নেই। গুটিগুটি কয়েক টি সুখের মুখের আদলে গড়া সেই প্রাসাদ টা হঠাৎ এক কালবৈশাখী ঝড়ে থমকে গেলো। সুখনীড়ে থাকা প্রত্যেক শিশু গুলো এক এক করে উধাও হতে লাগলো। এতো কড়া পাহারার ব্যবস্থা থাকা স্বত্তেও সুখনীড়ের সুখ গুলো ঝড়ে যেতে লাগলো! কিন্তু কিভাবো সম্ভব তা? বাহির থেকে অনুমতি ছাড়া একটা পিঁপড়ে ও প্রবেশ করতে পারে না সেই প্রাসাদে আর সেখানে চোখের সামনেই বাচ্চাগুলো নিখোঁজ হতে শুরু করলো। শুধু কি তাই? চাঞ্চল্যের শীর্ষে গিয়ে একদিন বাড়ির পেছনে থাকা বাগান বাড়িতে মিললো দশ মাসের এক শিশুর লাশ! যেই শিশু টি ছিলো সুখনীড়ের সকলের চোখের মনি। অবিশ্বাস্য না বিষয় টা? কি করে হচ্ছে বাড়ির চারিপাশে কড়া নিবন্ধ নিরাপত্তা থাকার পরও এমন মর্মান্তিক ঘটনা? কে করছে এই বাচ্চাদের অপহরণের সাথে খুন? শুধু সুখনীড় প্রাসাদেই এই মর্মান্তিক ঘটনা আটকে নেই। সারা দেশ জুড়ে শুরু হলো এই শিশু উধাও ঘটনা। ফুলের মতো শিশুরা কার কি ক্ষতি করেছে? যার জন্য দিতে হচ্ছে তাদের এক এক করে সুখের বলি! কি কৌতূহল হচ্ছে তো সবটা জানতে? তাহলে দেরি কিসের এখনই কিনে ফেলুন বইটই এপ্স তেকে মগ্ন চৈতন্যে শিস নামের ই-বুক টি। পড়ার পর শেষে রেটিং ও রিভিউ দিতে কিন্তু ভুলবেন না।
"প্রথমেই আমি এই গল্পের লেখিকা সম্পর্কে কিছু বলি - আমার রাইহা রিপ্তি আপুর গল্পের একজন ভক্ত পাঠিকা হওয়ার পেছনে সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ কারণ হচ্ছে তার আচরণ,, আমার মনে হয় সে তার পাঠক পাঠিকা মহল এর সাথে ভীষণ ফ্রেন্ডলি আচরণ করে 💖,,, তার লেখা রানিং গল্প ফেসবুকে একটা পড়ছি এবং ই-বুকে একটা পড়লাম 💖,, দুই টাই থ্রিলার সাসপেন্স টাইপ গল্প। এই ধরনের গল্প পড়তে ভালো লাগলেও আমি এড়িয়ে চলি কারণ আমি অসুস্থ, এবং হার্ট টাচিং স্যাড স্টোরি পড়লে আমি আরও বেশি অসুস্থ হয়ে যাই🙂। যাইহোক গল্পের কাহিনি নিয়ে যদি কিছু বলতে হয় তা হলে আমি বলবো কাজিন রিলেটেড যত গুলো চমৎকার গল্প আমি আজ পর্যন্ত পড়েছি তার মাঝে এই গল্প টাও বেস্ট লেগেছে..। রিপ্তি আপু কে রিকোয়েস্ট করবো তাড়াতাড়ি এই গল্পের দ্বিতীয় খন্ড টা নিয়ে হাজির হতে। ই-বুকে এমন একটা গল্প উপহার দিয়ে আমাদের লেখিকা রিপ্তি আপু প্রমান করে দিয়েছেন তার পাঠক পাঠিকা মহল কে সে কতো টা কেয়ার করেন। এই ধরনের গল্প যদি মলাট বই হিসেবেও বের হয় তবুও পাঠক দের টাকা দিয়ে কিনে পড়তে আফসোস হবে না ইনশাআল্লাহ 💖।"
ওহ্ রিপ্তি আপু কি বলিবো আমি এতো সুন্দর লেখিলা তুমি বলিয়া শেষ করিতে পারিবো না। আমি খুব খুশি ফ্রি তে এতো সুন্দর রহস্য ময় গল্প পেলাম। ফ্রি পেয়ে অনেক গুলো ই বুক কিনলাম কিন্তু সব গুলোর মধ্যে তোমারটা অনেক ভালো লাগলো। ৫ স্টার দিই নি তার কারণ তুমি পুরোপুরি কাহিনি শেষ করো নি অসমাপ্ত রাখলে। পর্বতী কাহিনির জন্য মন আমার উশখুশ করছে। যাক গে সব শেষে একটা কথা সবমিলিয়ে ভীষণ সুন্দর হলো গো আপু🥰।
Read all reviews on the Boitoi app
আপনার লেখার বড ফ্যান আমি।যতই পডি ততই মুগ্ধ হই।এি গল্পে রহস্য বেশি।কিন্তু ভালো লাগলো ❤️🩹
Masallah onek sundor chilo ♥
সত্যি ই অসাধারণ একটি গল্প,,,সাথে আরো অবিশ্বাস্য ঘটনা!!!কে এই ঘটনার পিছনে??? সমুদ্র?? কিন্তু কেন??? অপেক্ষায় রইলাম ২য় খন্ডের,,,, শুভকামনা রইলো
প্রথমেই আমি এই গল্পের লেখিকা সম্পর্কে কিছু বলি - আমার রাইহা রিপ্তি আপুর গল্পের একজন ভক্ত পাঠিকা হওয়ার পেছনে সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ কারণ হচ্ছে তার আচরণ,, আমার মনে হয় সে তার পাঠক পাঠিকা মহল এর সাথে ভীষণ ফ্রেন্ডলি আচরণ করে 💖,,, তার লেখা রানিং গল্প ফেসবুকে একটা পড়ছি এবং ই-বুকে একটা পড়লাম 💖,, দুই টাই থ্রিলার সাসপেন্স টাইপ গল্প। এই ধরনের গল্প পড়তে ভালো লাগলেও আমি এড়িয়ে চলি কারণ আমি অসুস্থ, এবং হার্ট টাচিং স্যাড স্টোরি পড়লে আমি আরও বেশি অসুস্থ হয়ে যাই🙂। যাইহোক গল্পের কাহিনি নিয়ে যদি কিছু বলতে হয় তা হলে আমি বলবো কাজিন রিলেটেড যত গুলো চমৎকার গল্প আমি আজ পর্যন্ত পড়েছি তার মাঝে এই গল্প টাও বেস্ট লেগেছে..। রিপ্তি আপু কে রিকোয়েস্ট করবো তাড়াতাড়ি এই গল্পের দ্বিতীয় খন্ড টা নিয়ে হাজির হতে। ই-বুকে এমন একটা গল্প উপহার দিয়ে আমাদের লেখিকা রিপ্তি আপু প্রমান করে দিয়েছেন তার পাঠক পাঠিকা মহল কে সে কতো টা কেয়ার করেন। এই ধরনের গল্প যদি মলাট বই হিসেবেও বের হয় তবুও পাঠক দের টাকা দিয়ে কিনে পড়তে আফসোস হবে না ইনশাআল্লাহ 💖।
Golpo ta onk Valo legeche Ditiyo season er opekkhai roilam✨❤️
বাপরে কি সাসপেন্স গল্পটায়,পুরো ফিদা, তোমার গল্প বরাবরই খুব ভালো লাগে আপু, ফেবুতে রোজ গল্প পরার জন্য অপেক্ষা করতাম, ই-বুক টা পরে নেক্সট পার্টের জন্য ওয়েট করতে পারতেছি না,তাড়াতাড়ি দাও গল্পটা,,আর এভাবেই এগিয়ে যাও,ভালোবাসা নিও আওু🫶❤️
আপনার গল্প বরাবর অনেক ভালো লাগে...... সুতরাং বলার ভাষা নাই
গল্পটি ভীষণভাবে রহস্য ঘেরা। লেখিকা তো বলেই দিয়েছে সমস্ত রহস্যের উদ্ঘাটন হবে সিজন টুতে। গল্প করতে গিয়ে শেষে আমার মনে হয়েছে একবার যে হয়তো সমুদ্র আছে এর পেছনে আবার মনে হচ্ছে মইনুল এর মৃত্যুটা সম্পূর্ণ সাজানো। সেই আছে এইসবের মধ্যে। তবে জানি না আমি কতটা সঠিক পথে এগোচ্ছি। আর নীলাকে আমার ভীষণভাবে সন্দেহ লেগেছে। কারণ এমন ভাবে মর্মান্তিক ঘটনার সুখীনীড়ে হয়ে গেল আর কেউ বুঝতে পারল না অর্থাৎ নিশ্চয়ই সেদিনের রাতের খাবারে কিছুতো মেশানো হয়েছিল যাতে সবাই ঘুমিয়েছিল। একমাত্র শিরিন সেই দিন খাবার খায়নি। তাই হয়তো তাকে এই ভয়ংকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয় আর তাই ভয়ংকর পরিণতিরো শিকার সে হয়েছিল। যাই হোক সিজন টু এর জন্য অপেক্ষায় থাকলাম।
এতদিন একটু ঝামেলায় ছিলাম তাই কিনতে পারিনি।এখন ঝামেলা চলে যাওয়ায় কিনে ফেললাম এবং পড়েও ফেললাম। ☺️😉 গল্প টা জাস্ট ওয়াও ছিল 😘❤️🩹পড়ে অনেক ভালো লাগলো💝 আর ই-বুক টা দেরি করে কিনার জন্য অনেক অনেক সরি🥺🥹🥹