

“এতো ছোটো পুতুলের মতো একটা মেয়ের কেন জ্বর হবে? ও কি কথা বলতে পারে? ও কি নিজের কষ্ট কাউকে বলতে পারে? ওর কেন জ্বর হবে! ওর বদলে তো আমার জ্বর হতে পারত। কত কষ্ট পাচ্ছে ও। মুখটা কেমন শুকিয়ে গেছে। জ্বরের তাপে ওর ফরসা মুখটা কেমন লালচে হয়ে উঠেছে। কেমন কষ্ট করে নিঃশ্বাস নিচ্ছে। ওর শরীরের উত্তাপে আমার গা জ্বলছে।” ভোরের দিকে অরিন কে বুকে জড়িয়ে অরুণ বিছানায় বসেই ঘুমিয়ে পড়ল। মেয়ের চিৎকার এ লাফিয়ে উঠল। এরপর তারাতাড়ি তাপমাত্রা মাপতে লাগল। জ্বর কমেনি অরুণ ফের সেই ডক্টর কে কল করল। এবং বলল,“ আমার মেয়ের জ্বর কমছে না কেন ডক্টর? আপনি কি ভালো ঔষধ দেন নাই? জোর করে আপনাকে বাসায় আনার জন্য কি রাগ করে ভুল ঔষধ দিয়েছেন। আমার মেয়ে সুস্থ হচ্ছে না কেন ডক্টর আপনি উল্টোপাল্টা কিছু করে থাকলে আমাকে চিনেন না আমি কি করতে পারি।” “ প্লিজ আপনি শান্ত হোন। আমি একজন ডক্টর আমি আপনাকে ভুল ঔষধ কেন দেব। আমি ঠিক ঔষধ দিয়েছি। আপনি ঘাবড়ে যাবেন না। দুদিনের মধ্যে আপনার মেয়ে সুস্থ হয়ে যাবে। এতো প্যানিক হবেন না।” চিৎকার করে উঠল অরুণ,“ কি বললেন আপনি? দুইদিন সময় লাগবে? আমার মেয়ে এই জ্বরে কাতরাবে দুইদিন? অসম্ভব! ডক্টর আমার এইটুকু মেয়েকে দেখে কি আপনার একটুও মায়া লাগেনি? আপনি ওকে দুইদিন কষ্ট করতে বলছেন?” বিপাকে পড়ল ডক্টর। এ কোন পাগলের পাল্লায় পড়লেন তিনি। জ্বর এসেছে তিনি ঔষধ দিয়েছে যাওয়া না যাওয়া কি তার হাতে আছে? এমন ভাবে কথা বলছে যেন উনার ইচ্ছে মতো না গেলে তার গর্দান নেবে।
আমার খুব পছন্দের গল্প ছিলো এটা তিন বছর ধরে এটার এন্ডিং পড়ার জন্য ওয়েট করছি, কিন্তু তার আগে না আমার এন্ডিং হয় যাই, নীলু আপু জলদি দিও শেষ টা এ উপন্যাসের প্লিজ প্লিজ প্লিজ
Read all reviews on the Boitoi app
অনেক অনেক সুন্দর হয়েছে এখন শুধু তৃত্বীয় খন্ডের অপেক্ষা বইটা পড়ে অনেক ভালো লেগেছে প্লিজ তারাতাড়ি তৃত্বীয় খন্ডের ইবুক টা আনো
আচ্ছা লেখিকা প্রথম পরিচ্ছেদ কই🙂🙂
তৃতীয় অধ্যায় কবে আসবে
তৃতীয় পর্বের অপেক্ষায়! প্রথম পর্ব খুঁজে পাইনি। দ্বিতীয় পর্ব পড়ে বেশ ভাল লেগেছে।
একটা সুন্দর সভ্য সামাজিক গল্প ছিল এটা। সব থেকে অবাক করা বিষয় হচ্ছে? অরুন মানে সমুদ্র লন্ডনের মত একটা দেশে থেকে আশেপাশে এত সুন্দরী মেয়ে থাকতে ও নিজের চরিত্রটাকে নষ্ট হতে দেয়নি।যেখানে লুসি মানে পিউয়ের মা সমুদ্র কে কুপ্রস্তাব দিয়েছিলো তখন সমুদ্র মাতাল ছিলো। তারপর ও এই মাতাল অবস্থায়ও সমুদ্র এই এই অন্যায় পাপ কাজের মাথা নত করেনি।বরং লুসিকে বুড়ী মহিলা বলে অপমান করে বেড় করে দিয়েছে। হতে পারে সমুদ্র অনেক বড় মাফিয়া কিংবা খারাপ। কিন্তু চরিত্রের দিক দিয়ে সমুদ্র বাকি সবার থেকে অনেকটা এগিয়ে আছে। সমুদ্রের হাজার খারাপের মাঝে ও একজন সৎ চরিত্র বান পুরুষ। এই ব্যাপারটা আমাকে মুগ্ধ করেছে। আর বাকি রইলো পিউ নিজে মা না হয়ে ও অন্য কারোর সন্তানকে নিজের থেকেও যে বেশি ভালোবাসতে পারে? সত্যি ভাবা যায় না। এমন কি ছোট্ট মিষ্টি অরিন কে এতটাই ভালোবাসে যার জন্য নিজের জীবনের মায়া পর্জন্ত করেনি। ছোট্ট অরিনকে বাঁচাতে গিয়ে নিজেই মৃত্যুর মুখে ডলে পরে গেছিলো। শুধু তাই নয় অরুণ ওরফে সমুদ্র যাকে ভালোবেসে পিউ তার প্রতি এতটাই মগ্ন হয়েছে যে? নিজের ধর্ম পর্যন্ত ত্যাগ করেছে। অসাধারণ গল্প ছিলো লিখে শেষ করতে পারবোনা। এটা পড়ে তৃতীয় অধ্যায়ের জন্য আর অপেক্ষা করতে পারছিনা।
প্রথমমত অরিন এর চরিত্রটা খুব ভালো লেগেছে কি সুন্দর ফুটফুটে সুন্দর একটা মেয়ে। গল্পটা পড়তে পড়তে এতটাই ঢুবে গেছিলাম যে আমার ইচ্ছা করতেছিলো অরিনকে গিয়ে গান টেনে আদর করে দেই। এত সুন্দর হয়েছে গল্পটা বলার বাইরে। পিউ চরিত্রটা সুন্দর ছিলো যার সব কিছুই থাকার পর ও কিছু ছিলো না। অনেক সুন্দর লেগেছে পুরা গল্পটা। তৃতীয় সিজন এর অপেক্ষায় আছি।