

অষ্টাদশী মরিয়ম তার আবেগকে কন্ট্রোল করতে না পেরে প্রেমিক পল্লবের সাথে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করে। কিন্তু পরবর্তীতে প্রেমিকের পরিবার তাকে ছেলের বৌ হিসাবে মেনে নেয় না। পল্লবের বাবা মা ওকে বিদেশে পাঠিয়ে দেয়। আর মরিয়মদের এলাকা ছাড়া করে। এসব ঘটনায় মরিয়মের পল্লবের উপর ক্ষোভ অভিমান জমা হয়। ও আর পল্লবের সাথে যোগাযোগ করে না। এরমাঝে মরিয়ম কনসিভ করে ফেলে। যার ফলশ্রুতিতে ওকে সমাজ সংসারে অনেক লাঞ্চনা অপমানের স্বীকার হতে হয়। কিন্তু মরিয়ম হার মানার মেয়ে নয়। অনেক চড়াই উৎড়াই পার হয়ে অবশেষে মরিয়ম নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে। ওদিকে পল্লবকে ওর বাবা মা বিয়ে দেয়। কিন্তু সুখ ওর হাতে ধরা দেয় না। পল্লব একদিন পিতৃত্বের দাবী নিয়ে মরিয়মের দরজায় দাঁড়ায়। বাকিটা জানতে হলে পাঠকদের আমার বইটি পড়ার আমন্ত্রণ রইলো। এটা বাস্তবতার আলোকে একটা শিক্ষনীয় গল্প।
মিলির যদি একটা সন্তান থাকতো তাহলে গল্পের চেহারা পাল্টে যেত। আর বাস্তবতাও তাই বলে। এমনকি লিভার দান করার বিষয়টিও স্ত্রীর প্রতি ভালোবাসা বা সন্মান থেকে হয়নি। স্ত্রীর সন্তান হবে না বলেই ছেলের বাবা ও মা মরিয়মকে মেনে নিলেন।সুতরাং এখানে মরিয়ম এর সবকিছু মেনে নেওয়া আমার কাছে তার হার মনে হয়েছে। সেই সাথে সমাজকে যা বলতে চেয়েছে লেখক তা হয়তো আর পুরোপুরি বলা হলোনা। কেননা সব শেষে সব পাওয়া হয়ে গেল। তাই সন্তানকে নিয়ে একা বেঁচে থাকাটাই সঠিক হতো বলে বোধ হয়। তবে গল্প আর বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন। গল্পের শেষে আমারা পাঠকেরা মিল দেখতেই পছন্দ করি।
Read all reviews on the Boitoi app
মারিয়াম অনেকদিন পর একটু দম নিতে পেরেছে ওর আঁচল এখন সত্যি পরিপূর্ন । এবার ওর দেখা সেই ছোটো স্বপ্ন টা সত্যি হোক ওদের ৩জনের একটা ছোটো সংসার।
অনেক ভালো লেগেছে মরিয়ম আর ইসা নাম দুটো দেয়া অসাধারণ
চমৎকার একটি বই। মিলনাত্মক লেখা। লেখকের মুন্সিয়ানা ফুটে উঠেছে লেখায়। অল্প বয়সে আবেগের ভুলে জীবনে কী পরিমান যন্ত্রনা নেমে আসে সেই সতর্ক বার্তা দেয়া আছে বইটিতে। ধন্যবাদ লেখিকাকে।
টিনএজ বয়সে মরিয়মের মতো ভুল অনেক মেয়েরাই করে ফেলে। কিন্তু, তার মতো নিজের ভুল শোধরানোর সুযোগ সবাই পায় না। এখানে, মরিয়ম অনেক অপমান কষ্ট সহ্য করে নিজের ভাগ্য সে পরিবর্তন করতে পেরেছে। আজকের দিনের সকল ক্রেডিট মরিয়মের। শুধু মরিয়মের। কিন্তু, একবার মনে হচ্ছে ইসার ওর মার সাথেই থাকা দরকার ছিলো। ইসার উপর সম্পূর্ণ অধিকার শুধু মরিয়মের। ইচ্ছাকৃত ভাবে হোক বা অনিচ্ছাকৃত ভাবে হোক পল্লব এবং তার পরিবারের জন্য মরিয়ম এবং তার পরিবার কে যথেষ্ট ভোগান্তি ভুগতে হয়েছে। আজ যদি মিলির বাচ্চা থাকতো বা পল্লবের সাথে মরিয়মের দেখা না হতো, তাহলে এমন সিচুয়েশনগুলো কি তৈরি হতো? আবার মনে হচ্ছে, অনেক হয়েছে, এবার মরিয়মের নিজেকে সময় দেওয়া প্রয়োজন। মোট কথা, এই গল্প টি মরিয়মের। আমি মরিয়মের ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য শুভ কামনা করি। অনেক ধন্যবাদ আপু, এতো সুন্দর এক অনবদ্য গল্পের জন্য। মোসাঃ শামীমা খান
চমৎকার একটি গল্প , পড়ে অনেক ভালো লাগলো, অসাধারণ হয়েছে।
অসাধারণ একটি গল্প.... শেষের দুটি লাইন এর জন্য গল্পের সৌন্দর্য আরো বৃদ্ধি পেয়েছে.....পরম করুণাময়ের উপর ভরসা রাখলে জীবনযুদ্ধে অবশ্যই জয়ী হওয়া যায়।