

আকাশে আজ চাঁদ উঠে নি।গাড় অন্ধকার ছেয়ে গেছে চার দিকে৷চার দিকে ঘুটঘুটে অন্ধকার বিরাজ করছে৷কোন কিছুই দেখা যাচ্ছে না৷টর্চের আলোও ঠিক মতো কাজ করছে না৷টর্চের ভিতর হয়তো পানি ঢুকে গিয়েছে৷মুষল ধারায় অনবরত বৃষ্টি পড়েই যাচ্ছে,বৃষ্টি থামার কোন লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না৷গাছের লতাপাতা বেয়ে সেই বৃষ্টির পানি মাটিতে গড়িয়ে গড়িয়ে পড়ছে৷চার দিক ভিজে গিয়ে পিছলে হয়ে গিয়েছে।ঠিক মতো হাঁটাই যাচ্ছে না!বার বার পা পিচলে যাচ্ছে৷হাত পা কেটে গিয়ে রক্ত বের হয়ে গিয়েছে।খুব যন্ত্রনা হচ্ছে৷কি একটা মায়াবী সুর সৃষ্টি হয়েছে পুরো জঙ্গল জুড়ে,সেই সুরের টানেই ও এই জঙ্গলে এসেছে৷সুরের টানে ও শুধু না!বিভিন্ন রকম পাখি উড়ে এসে বসছে গাছে গাছে৷কি একটা ছায়া দৌড়ে মিলিয়ে গেলো না,অন্ধকারের মাঝে!অনেক বছরের পুরনো একটি মন্দির দেখা যাচ্ছে,জঙ্গলের ঠিক মাঝখানে৷মন্দিরটা আগের মতো নেই৷মন্দিরের কিছু জায়গা ভেঙ্গে গিয়েছে৷খুব পুরানো এই মন্দিরটা।মন্দিরটা পুরাতন হওয়ায় কেউ যায় না সেই মন্দিরে৷কিন্তু আজ মন্দিরের মাঝখানে হারিকেনের আলো দেখা যাচ্ছে,কেউ কি আছে সেই মন্দিরে৷এতো রাতে কারোর থাকার কথা তো নয়! শুধু রাত কেনো দিনেও তো এই মন্দিরে কেউ আসে না।দেখা গেলো একটা লোক মন্দিরের সামনের দেয়ালের দিকে তাঁকিয়ে আছে৷সেই দেয়ালে শোভা পাচ্ছে,একটা ছায়া মুর্তি।ছায়াটার আকৃতি কিছুটা মানুষের মতো হলেও পুরোটা নয়।ছায়াটার শরীরের বাকি অর্ধেক জানোয়ারের মতো দেখতে৷ছায়াটার মাথার উপরে দুটো সিং দেখা যাচ্ছে।ছায়াটার চোখ দুটো আগুনের মতো জ্বলছে৷ছায়াটা লোকটাকে কি একটা বলছে!কিন্তু কি বলছে সেটা বুঝা যাচ্ছে না৷কি বলছে লোকটাকে সেই ছায়াটা?পরক্ষনেই পৌচাশিক হাসিতে কেপে উঠলো পুরো জঙ্গলটা…..
