

★★ “কয়েক দিন ধরেই খুব গরম পড়ছে।চৈত্র মাসের এই গরমে বাইরে বের হওয়া খুব মুশকিল হয়ে পড়েছে৷ বাড়িতেও থাকা যাচ্ছে না।আমার অফিসের কয়েক জন সহকর্মি মারাত্মক ভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছে এই গরমে।তারা এখন কেমন আছে,ভালো আসে তো?ভাবছি রোদটা কমলেই তাদের বাড়িতে গিয়ে দেখে আসবো তাদের কি অবস্থা এখন।কিন্তু ভাবলেই তো হবে না,বাস্তবায়নও করতে হবে৷আমার গিন্নি আমাকে তো এক প্রকার আঁটকেই রেখেছে ঘরে।বাইরে বের হতে দিচ্ছে না৷তাই অফিসেও যেতে পাচ্ছি না কয়েকদিন ধরে৷কিশোরীও কি অসুস্থ হয়ে পড়েছে৷ঠাকুর মশাই,চারী মার কথাও ভিষণ ভাবে মনে পড়ছে,ওরা কেমন আছে এখন৷না…এভাবে আর থাকা যাচ্ছে না।ঘরে বসে থাকার মানুষ আমি না,চায়ের দোকানে বসে চা খাবো,কিশোরীকে সাথে নিয়ে ঠাকুর মশাই এর বাড়িতে গিয়ে গল্প শুনবো।তা না করে ঘরে বসে আছি আমি।রোদটা কমতেই কোন রকম ভাবে গিন্নিকে বুঝিয়ে ঘর থেকে বের হলাম।কিন্তু বাইরে বের হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই আবার কড়া রোদে চার দিক ভোরে উঠলো।সূর্যের তাপে সারা শরীর গরম হয়ে উঠলো।মাথাটা কেমন যেনো করে উঠলো।ছাতা নিয়ে আসা উচিৎ ছিলো আমার।গিন্নিকে বুঝানোর সময় ছাতার কথা মনেই পরে নি আমার।ছাতার কথা মনে পড়বেই বা কি করে,রোদ তো কমে গিয়েছিলো তখন।অবশ্য গিন্নি আমাকে কিছু একটা বলতে চাচ্ছিলো।কিন্তু গিন্নিকে কিছু বলার সুযোগ না দিয়েই বাড়ি থেকে বের হয়ে এসেছি আমি৷গিন্নি হয়তো ছাতা নেওয়ার কথা বলতে চাচ্ছিলো আমায়।গিন্নি হয়তো বুঝতে পেরেছিলো,আবার রোদ উঠবে৷এখন বুঝতে পারছি গিন্নিকে পুরো কথা বলার সুযোগ করে দেওয়া উচিৎ ছিলো আমার৷হায়রে এখন কি করা যায়,আশেপাশে কোন দোকানও খোলা দেখছি না যে,দোকানে গিয়ে আশ্রয় নিবো।এভাবে দাড়িয়ে থাকলে মাথা ঘুরিয়ে পড়ে