

"আকাশে দৃষ্টি দাও, দেখো সেখানে রঙের মেলা বসেছে। ওই যে রক্তাভ আভা?সেটি এক রক্তস্নাত রণক্ষেত্রের সাক্ষী। গাঢ় নীল রংটি? তা গভীর বিষাদের প্রতিমূর্তি। আসমানী রংটি দেখছো?আমাদের মুক্ত মিলনের রূপক। আর গোলাপি রং? তা যেনো তোমার আমার প্রেমানুরাগের মধুর স্মৃতি। রইলো হলুদ রং? সেটি আমার প্রিয়, আমার সম্মোহন।আমার হৃদয়ের কৃষ্ণচূড়ার স্নিগ্ধতা ও কোমলতার প্রতীক। এই রঙের মহামিলন আমাদের গল্পের মৌন সাক্ষী হতে এসেছে।দেখো মেঘেরা নৈঃশব্দ্যে গান গাইছে।"
অসাধারণ একটি গল্প ❤️
Read all reviews on the Boitoi app
গল্পটা সুন্দর 🫶🫶 জুলাই আন্দোলনকে ঘিরে লেখা সুন্দর একটা প্রেমকাহিনি।মহুয়া ভীতু মেয়ে ও আরজে অঙ্কন। অঙ্কনের বাবা-মা সাপোর্টিভ,হ্যাপি ফ্যামিলি।কিন্তু মহুয়ার বাবা-মাকে আমার একটুও পছন্দ না।একজনের ভুলের জন্য অন্য দুইজনকে একদম পরাধীন করে রাখা,তাদের সুন্দর শৈশব না হওয়া।বরং তাদের উচিত ছিল বাকি দুই মেয়ে আরো বোঝা,সম্পর্ক সুন্দর করা।মাহিয়া কিন্তু অনেক কিউট ছিল😉 কিউট অঙ্কনের শালিকা আপু এইরকম সুন্দর গল্প লিখে যাও আমাদের জন্য।ভালোবাসা রইল🫰🫰
ভীষণ ভালো লাগলো। ২০২৪ এর অগ্নিধরা আন্দোলনের এতো চমৎকার উপস্থাপনা যেন হুরমুর করে স্মৃতির পাতা থেকে বেরিয়ে আসছিল। গল্পের মূল চরিত্রের অনবদ্য উপস্থাপনা গল্পের নামকরণ সার্থক করেছে। আরোও ভালো লিখুন। শুভকামনা।
একদম ভিন্নধর্মী একটি গল্প। পড়ে কেউ আশাহত হবে না শিউর। সচারাচর কাহিনী থেকে অনেকটাই ভিন্ন।।
গল্পটা মনোমুগ্ধকর! বাতাসের তোপে কৃষ্ণচূড়ার নিরবে ঝড়ে পড়ার মনরোম দৃশ্যে মতো মনোমুগ্ধকর। গল্পটা নেশাক্ত ! ঠিক যেনো মুহুয়ার নেশা। গল্পটা আদুরে! যত্ন নিয়ে প্রিয় কিছু ছুঁয়ে দেওয়ার মতো আদুরে। গল্পটা মায়ায় ঘেরা! যে মায়া ভালোলাগায় আচ্ছন্ন করে রাখে ওরকম মায়া। গল্পটা সুন্দর! কুসুম হলুদ রংয়ের মতো সুন্দর। ভীতু, আদুরে মহুয়া; নৈঃশব্দ্যের রাজা, তীক্ষ্ণ বুদ্ধি,মাদকতা মিশ্রিত অসম্ভব সুন্দর কন্ঠের অধিকারী অঙ্কন আর তাদের নৈঃশব্দ্যের গান কেমন যেনো এক অন্যরকম প্রশান্তি আর ভীষণ মায়া মায়া। গল্পে ফুটে উঠা দুটো পরিবারের ভিন্নরকম চিত্র আমায় কিছু শিখিয়েছে। সন্তানের নিরাপত্তা নিয়ে বাবা মা একটু বেশিই চিন্তিত উদ্বিগ্ন থাকেন। তবে তাদের এই উদ্বিগ্নতা যেনো সন্তানদের খাঁচায় বন্দি পাখির মতো অনুভূতি না দেয়, স্বাধীন হয়েও পরাধীনতার শেকলে আবদ্ধ করে না রাখে। আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যেটা তা হলো সন্তানের মঙ্গল চাইতে কঠোর হতে গিয়ে তাদের সাথে দূরত্ব না বেড়ে যায়। (মহুয়ার পরিবার) অঙ্কনের পরিবার ছিলো অঙ্কনের মতোই সুন্দর। এখানে বাবা মায়ের কাছে আহ্লাদ করা যায়, তাদের সামনে চঞ্চলতা প্রকাশ করা যায়, কখনো কখনো ছোট্ট বাচ্চাটি হয়ে আদর লুট করে নেওয়া যায়। স্বাচ্ছন্দ্যে মনের কথা বলা যায়, কোনো ভীতি নেই, অস্বস্তি নেই আছে শুধু ভালোলাগা, ভালোবাসা, বন্ধুত্ব, বিশ্বাস আর ভরসা। "যে লোকের ফলে সারাজীবন পেটে ভাত জুটেছে সেই লোকের সাথে সাথে প্রতিযোগিতায় করতে পারি না। আমার আর বাবার সম্পর্ক এমন তৈরী করতে চাই যেনো আজ থেকে দশ বছর পর যে কোনো দরকারে বাবাকে বন্ধুর মতো গিয়ে বলতে পারি আমাকে কিছু টাকা দাও। বাবাও প্রয়োজনে নির্দ্বিধায় আমার কাছ থেকে টাকা চাইতে পারে।" অঙ্কনের এই চিন্তাধারা গুলো তার প্রতি ভালোলাগার অন্যতম কারণ। নিজের পায়ে দাঁড়াতে বাবার সাথে প্রতিযোগিতার চেয়ে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বন্ধু হয়ে চলতে পারাটাই মনে হয় ভীষণ সুন্দর আর সার্থকতার ব্যাপার। জীবনে সাবলম্বী হওয়া উচিত তাই বলে এমন না যে বাবার কাছে গিয়ে স্বাচ্ছন্দ্যে কিছু চাইতে পারবো না। মা বাবার সাথে চাওয়া পাওয়ার এই নীতিটা তো আজন্ম! রোহিত, পিয়াস, অঙ্কন আর তাদের জুলাইয়ের আন্দোলন কয়েক মুহুর্তের জন্য নিয়ে গিয়েছিল রক্তাক্ত জুলাইয়ের সেই বিভীষিকাময় দিনগুলোতে। আন্দোলনে অঙ্কনের লড়াইয়ের প্রক্রিয়া টা আমার সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে। নৈঃশব্দ্যের রাজা নিরবেই ভয়ংকর কান্ড ঘটিয়ে দিয়েছে। অনেক চেয়েও লেখিকার লেখার প্রশংসা হচ্ছে না আমার দ্বারা। এই যে তার গল্প পড়ার জন্য মুখিয়ে থাকি, প্রতি পর্বের জন্য অপেক্ষায় থাকি, একটার পর একটা গল্প পড়ে নিই, ভালোলাগার আবেশে জড়িয়ে থাকি আর সবটাই হয় বিরক্তি হীন ভাবে, এগুলোই কী যথেষ্ট নয় তার লেখার প্রতি ভালোলাগা প্রকাশের জন্য! তার লেখনশৈলী আরো উন্নত হোক আর আমার কখনো বিরক্তি না আসুক।
আমার প্রিয়, ভালোবাসার মানুষের লেখা প্রতিটি শব্দ আমার ভিষণ প্রিয়। প্রিয় আপুর লেখা এই গল্পটি, গল্পের প্রেক্ষাপটটি আমার ভীষণ পছন্দের। রক্তাক্ত জুলাইয়ের প্রেক্ষাপটের চিত্রগুলো নতুন করে চিত্তে সাহস আর উদ্যমের সঞ্চার করছে। ভালোবাসা রইলো আপু।
কি মন্তব্য করবো এখনো বুঝে উঠতে পারছি না। ঠিক কি বলা যায় বলুন তো? আমি না আমার মুগ্ধতা এখনও কাটিয়ে উঠতে পারিনি। নৈঃশব্দের গানে হারিয়ে গিয়েছি। ঘোরের বেড়াজালে বোধয় এখনো আটকে আছি। বলা বাহুল্য, রেডিও জিনিসটা বা শব্দটার সাথে কম বেশি আমরা সকলেই পরিচিত। রেডিও শব্দটা কানে এলেই মস্তিষ্কের সাদা-কালো পর্দায় সেই পুরনো দিনগুলির কথা মনে পরে যায়। কতই না মধুর ছিল সেই দিনগুলো! গ্রীষ্ম বা শীতের ছুটি হওয়া মাত্রই গ্রামের বাড়িতে ছুটে যেতাম সব কাজিন ভাইবোনেরা। তারপর সকলে মিলে চুপি চুপি নানাভাইয়ের পুরোনো বাটন ফোনটা ঝেঁপে দিয়ে, তাতে রেডিও জুড়ে দিতাম। তারপর একে একে গোল হয়ে বসে পড়তাম সেই রেডিওটিকে ঘিরে ধরে। অধীর আগ্রহ নিয়ে সকলে অপেক্ষা করতাম রেডিওর ওপারে বসে থাকা সেই মানুষটার তরে। কখন আসবে সে! সেই কন্ঠ শোনার তরে যে সকলে মুখিয়ে আছে । সবার মনের মাঝে কতই না বিস্ময়, কতই না কৌতূহল হতো তাকে নিয়ে। বড্ড জানতে ইচ্ছে করতো কে সে? কি তার আসল পরিচয়? কালের পরিক্রমায়, সেই দিনগুলি এক এক করে হারিয়ে গেলো। আমরা বড় হলাম। ভাইবোনেরাও যে যে যার মতো জীবনে ব্যস্ত সময়গুলো পার করছে। নানাভাই মানুষটাও চলে গেলো। কিন্তু সেই রেডিও, সেই স্মৃতি এখনো পরে আছে মনের এক কোণে। সে যাই হোক, গল্পটা আমায় আকর্ষিত করেছিল চারটি শব্দ দ্বারা। রেডিও, আর. জে এবং জুলাই অভ্যুত্থান। আমি মানুষটা না ইদানিং একটু বেশিই ধৈর্য্যহারা হয়ে পরছি। সেই যে চারটা শব্দে চোখ দুটো আটকে গেলো, লোভী এই মনটা সেই তখন থেকেই আকুপাকু করতে লাগলো। পরিশেষে, বইটা কিনলাম গত রাতে। আজ বৃষ্টিস্নাত বিকেলে পড়েও শেষ করলাম বেশ তৃপ্তি নিয়ে। এক মিষ্টি প্রেমের গল্প! ভীরুতা ও সারলতার মিশেলে এক লাজুক লাজুক মিষ্টি মেয়ে। যার বিপরীতে, বিভিন্ন বৈশিষ্টের সমাহারে তৈরি এক সৌম্য পুরুষ। ক্ষনিকে ক্ষণিকে যার রূপ বদল হয়। কখনো তিনি ভীষণ গম্ভীর, কখনো তিনি বেশ প্রাণোচ্ছল আবার কখনো তিনি এতো সরল সাজে! যেনো না বোঝার ভান করে! ভীষণ বুদ্ধিমান এবং ধূর্ত শ্রেণীর লোক তিনি। তবে, একটু মিচকে শয়তানও বটে। কিন্তু তার কন্ঠ! মিশ্র বৈশিষ্ট্যের এই সৌম্য পুরুষ কখন যে আপনাদের মনে এক টুকরো মায়ানুভূতি জাগিয়ে চলে যাবে, ধরতেই পারবেন না। যেমনটি হয়েছিল সেই ভীরু মেয়েটির মনে। তবে মেয়েটির আগমন হয়েছিল হুট করেই । কোনো এক কৃষ্ণচূড়ার মায়ায় জড়িয়ে তাদের বন্ধুত্ব হলো । বন্ধুত্ব নাকি মন বিনিময়? ভীরু মেয়েটি কি মন কাননে তাকে একটুখানি জায়গা দিতে পেরেছিল? নাকি গুটিয়ে নিয়েছিলো নিজেকে? এবার আসা যাক, সেই জুলাই অভ্যুত্থানে। সেই নির্ঘুম রাত্রি! সেই ভয়ানক প্রহর! ইন্টারনেট নেই। মিডিয়াও নির্লিপ্ত। শহর জুড়ে তখন মৃত্যু মিছিল। চোখ জ্বালানো টিয়ার শেলের বিদঘুটে গন্ধে টিকে থাকা দায়। এ যেনো এক মৃত্যুপুরী। বুলেটের গুলিতে ঝাঁঝরা কত বুক! কত মায়ের কোল হলো খালি! সেই ফুটপাত রাঙিয়ে কত নাম জানা ভাইয়ের নিথর দেহ চাপা পরে রইলো। আর কি হবে দেখা সেই বন্ধুদলের? চিরচেনা ক্যাম্পাস নয়, এ যেনো সাহারা! সরকারি চাকরি করবো না, বিদেশে চলে যাবো বলা বন্ধুটাও কেমন করে জড়িয়ে গেলো মেধার লড়াইয়ে। মেধা নয়, সেতো অস্তিত্বের লড়াই। অস্ত্রধারী স্বৈরাচারের বাহিনীর নির্মমতা বাড়লো। বয়োজ্যেষ্ঠ থেকে শিশু কেউ রেহাই পেলো না। তবুও তারা দমেনি, বুকে যে বিরাট আশা বাধা। খবর এলো, এবার এক দফা। স্বৈরাচার পতনের এক দফা দাবি, লং মার্চ কর্মসূচি। পুনরায় কারফিউ জারির ঘোষণা এলো। আরো একটি নির্ঘুম রাত! সৃষ্টিকর্তার দুয়ারে হাত তুলেছে সকলে। হয় মরণ! নয়তো বিজয়! অবশেষে সেই নব্য দিনের সূচনা হলো। সেনাবাহিনীরা নাকি হাত গুটিয়ে নিয়েছে। দুপুর নাগাদ খবর এলো, সেনাপ্রধান জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দিবেন। তারমানে? তারমানে বিজয় কি দ্বারপ্রান্তে? বাঁধ ভাঙা উচ্ছ্বাসে ফেটে পরলো জনতা। চারদিক থেকে বিজয় মিছিল আসছে। সেই প্রতীক্ষিত দিন। এ যে স্বাধীনতা কড়া নেড়েছে! স্বাধীনতা বুঝি এতোটাই তৃপ্তিদায়ক? লেখিকাকে নিয়ে কিছু কথা না বললেই নয়। তার শব্দভাণ্ডার এতোটা মনোমুগ্ধকর! দুর্দান্ত লেখনী তাঁর। কাহিনি বিন্যাস, প্লট নির্বাচন সব মিলিয়ে অসাধারণ একটি গল্প পড়লাম। কিছু মিষ্টি চরিত্রকে মনে জায়গা দিতে বাধ্য করলেন তিনি। তবে গল্পটা অনন্য। ইউনিক যাকে বলে। শুরু থেকে শেষ পারফেক্ট, পারফেক্ট, পারফেক্ট। সুজি আপা! আপনার জন্য মেঘের খামে এক আকাশ সমপরিমাণ ভালোবাসা পাঠিয়ে দিলাম। এভাবেই এগিয়ে যান সামনের দিকে এবং আমাদের রংবেরঙের গল্প উপহার দিতে থাকবেন। তাঁর জন্য দোয়া এবং শুভকামনা রইলো। তবে আরেকটা কথা। আমার মতে, ইবুক একজন পাঠকের কাছে লস প্রজেক্ট। ইবুক কিনে ঠকেনি, এমন মানুষ হয়তো খুব কমই আছে। অনেকক্ষেত্রে দেখা যায়, শেষ মুহূর্তে এসে লেখিকাদের গল্পে ফ্লো বা গতি হারিয়ে যায়। এন্ডিংটাও বড্ড তাড়াহুড়ো করে দিয়ে দেয়। ফলে গল্পটা পড়ার পর তৃপ্ত অনুভূত হয় না। কেমন যেনো অপূর্ণতা থেকেই থাকে। আর শালীনতার কথাটা নাই বা বলি। তবে আমি নির্দ্বিধায় বলতে পারছি, এই ইবুকটা টাকা উসুল করার মতো। আশা করছি, কেউ ঠকবে না। একদমই আশাহত হবে না।
একটা দারুন গল্প।লেখিকার দৃষ্টিতে যেন জুলাইয়ের অভ্যুত্থান আবার দেখলাম।কয়েকজায়গায় পড়তে গিয়ে থমকে গেছি।চোখ দিয়ে অনবরত পানি পড়ছে।।।লেখিকার গল্পের নায়কটা মাস্টারপিস দিছে।আহা কি ট্যালেন্ট। আমি বার বার অবাক হয়ছি।ঠান্ডা মাথায় কিভাবে এত সব পরিকল্পনা করলো।যেখানে তার দুই বন্ধু বেশি চঞ্চল, ছটফটে। পুরো আন্দোলনে অঙ্কনের ভূমিকা অপরসীম।।আর আমাদের গল্পের নায়িকা কি বলবো পুরো একটা ইন্ট্রোভার্ট মেয়ে।যে বাবার ভয়ে থরথর করে কাপতো।সে কিনা অঙ্কন মশাইয়ের পাল্লায় পড়ে অবশেষে বাবাকে সরাসরি বলতে পারলো বাবা আমি তাকে বিয়ে করতে চাই।। পুরো একটা মাস্টারপিস গল্প।থ্যাংকিউ লেখিকা এমন একটা গল্প আমাদের গিফট করার জন্য।।।।
একজন চমৎকার মানুষএর অসাধারণ লেখা একটি গল্প!🌼🌿
গল্প টা যে এত সুন্দর ছিলো বলে বুঝাতে পারবো না। প্রতিটা পার্ট সব কিছু সাজানো গুছানো সূচনা কখনও আমাদের নিরাশ করেন নি। উনার লেখোনি মানেই এক টুকরো৷ আবেগ পুরো গল্প জুরে ছিলো যেমন রোমান্টিক্তা তেমনি ছিলো আমাদের জুলাই সংগ্রাম। কিছু ছিলো আমাদের সেই দিন টা। ভাবতেই শরীর এর লোমকুপ দারিয়ে যায়। জুলাই এর গণঅভ্যথান আমাদের জেনেরেশন এক বিপ্লপী সময়। আর নায়ক এর কথা কি বলবো এক টুকরা মিষ্টি বাচ্চা🤭 এত ভালো লেগেছে এই কেরেক্টার। দ্যা বেস্ট স্টোরি অফ মাই লাইফ❤️ যে উক্তিটা সবচেয়ে ভালো লেগেছেকোনো এক বিকেলের অস্তরাগে কৃষ্ণচূড়ার ছায়ায়, হরিদ্রাবর্ণে আবৃত এক দেবীরূপিণীকে নজরে ধারণ করেছিলাম। আজ তাকে চিরস্থায়ীভাবে আবদ্ধ করলাম আমার জীবনের অমোঘ বন্ধনে।”🤍 এত সিগ্নধ ছিলো উফফ কয়দিন যে এর ঘোর থাকবে😭 খুব ভালো ছিলো গল্প টা❤️