

ঝিনুকের ভেতরটা কেমন যেন হাঁসফাঁস করছে। এই মানুষটাকে না চাইতেও নিজের অজান্তে মনের মনি কোঠায় জায়গা দিয়ে ফেলেছে। কিন্তু প্রথম দিন যে সমুদ্রের রূপ দেখেছে তাতেই ঝিনুকের সদ্য জন্ম নেওয়া অনুভূতি গুলো ভেঙে চুরমার হয়ে গেলো। দ্বিতীয় বার কল বাজার পর পর হিমু ঝিনুক কে ধাক্কা দিয়ে বললো, “ঝিনুক বোন আমার কলটা রিসিভ কর নাহলে তোর সাইকো প্রেমিক হুট করে না হোস্টেলে চলে আসে এটা দেখতে তার বেবিগার্ল কল কেন রিসিভ করছে না।” হিমুর কথা শেষ হতে না হতে দরজায় কড়াঘাত পরতে দুজনে চমকে উঠে। একে অন্যের দিকে তাকিয়ে রয় কিছু মুহূর্ত পর মুহূর্তে আবারও দরজায় কড়াঘাত পরতে হিমু ঝটপট বসা থেকে উঠে দরজার ছিটকিনি খুলতে হুরমুরিয়ে সমুদ্র ভেতরে ঢুকে পরে। সমুদ্র কে দেখে যারপরনাই ঝিনুক হতভম্ব হয়ে তাকিয়ে থাকে। সমুদ্র ঝিনুক কে সুস্থ স্বাভাবিক দেখে স্বস্থির শ্বাস ফেলে গাম্ভীর্য তীক্ষ্ণ চাহনীতে তাকিয়ে গম্ভির রাগি গলায় বললো, “কল কেন পিক করলে না বেবিগার্ল?”
Read all reviews on the Boitoi app