

‘হ্যাঁ গো মমতা, জেনে-শুনে ফুলের মতো সুন্দর মেয়েটাকে এমন ঘাটের মরার কাছে কেন সঁপে দিচ্ছ? নেহাত মেয়েটা চোখে দেখতে পায় না, এজন্য?’ প্রতিবেশী নার্গিস বেগমের মুখে এমন দরদী কথা শুনে রাগে গজগজ করে মুখ বেঁকিয়ে মমতা খাতুন বলে উঠলেন, ‘বয়স তো আর কম হলো না! আর কত দিন এভাবে বসিয়ে বসিয়ে খাওয়াবো, বলুন তো, আপা? বাপ-মা তো মরে গিয়ে বেঁচে গিয়েছে, আমরা তো আর বাঁচতে পারছি না। আর এই মেয়ের যে খরচ, একে পোষা আর হাতি পোষা সমান কথা। তাই উপায় না পেয়ে পরের ঘাড়ে গছিয়ে দিচ্ছি।’ ‘তাই বলে এমন আধমরা মানুষের কাছে?’ বিস্ময়ে হতবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলেন নার্গিস বেগম। ‘তাহলে আপনার ছেলের সাথে বিয়ে দিয়ে আমাদের উদ্ধার করুন। এতই যখন দরদ উথলে উঠেছে।’ বাজখাই গলায় নার্গিস বেগমের মুখের উপর কথাটা বলে হনহন করে উঠে গেলেন মমতা খাতুন। বিয়েবাড়িতে অনেক কাজ তার। পরের মেয়ে নিয়ে অন্য মানুষের জ্ঞানের বাণী মোটেও শুনতে রাজি নন তিনি এই মুহূর্তে। বহু কষ্টে খুঁজে খুঁজে টাকাওয়ালা বাপের বয়স্ক এক পাত্র জোগাড় করেছেন তিনি। সেটা জোগাড় করতেও গাঁটের বেশ কিছু পয়সা খরচ হয়েছে। মনে মনে ভেবে রেখেছেন, একবার বিয়েটা হয়ে গেলে পাত্রের থেকে কড়ায়-গণ্ডায় টাকাগুলো উসুল করবেন তিনি। যেখানে নিজের ছেলে-মেয়ে নিয়েই ভেবে কুলকিনারা পাওয়া যাচ্ছে না, সেখানে অন্যের কানা মেয়ে নিয়ে ভাবার ফুসরত কই?
খুবই সুন্দর লেগেছে।
Read all reviews on the Boitoi app
ছোট্টর মধ্যে সুন্দর ছিল গল্পটা। ভালো লেগেছে।
গল্পটি খুব ই সুন্দর ছিল পড়ে অনেক ভালো লেগেছে ❤️
অসাধারণ ছিলো গল্পটা ❤️❤️💞
গল্পটা সত্যিই সুন্দর আল্লাহ চাইলে এতিম অন্ধের কপালেও সুখ আসে🥰🥰
অনেক সুন্দর ভাই।❤️
গল্পটা ছোট কিন্তু অনেক অর্থবহ। খুব সুন্দর লেখনী হয়েছে সারিকা আপু।
khubi Sundar ekta golpo khubi valo lagse🥰
চমৎকার এজটি বই পড়ে বেশ ভাল লেগেছে,😊
আলহামদুলিল্লাহ খুব খুব সুন্দর ছিল আমি তো মনে করে ছিলাম যে তাথৈ চোখ শেষ পযন্ত দেখতে পাবে,,,তবু খুব সুন্দর হয়েছে,,,,,