

মিলা ঢুকতেই আয়েশা তাকালো। কান্না থেমে গেল ওর। ঢুলুঢুলু কান্নাভেজা চোখে ও মিলার দিকে তাকিয়ে চারদাঁত মেলে মিষ্টি হাসল। বৃষ্টি শেষে রোদ ওঠায় গরম পড়েছে বলে শুধু ডায়াপার পরিয়েই ওকে শুইয়ে দিয়েছিল মিলা। আয়েশার উদোম গায়ের দিকে তাকিয়ে মিলার সারা শরীর ঝাড়া দিয়ে অন্যরকম অনুভূতি হলো। আয়েশা নয়, বিছানায় ওটা যেন একটা সাত কেজি ওজনের নধর, গোলগাল, পাকা রুইমাছ! মাছটা জ্যান্ত। লেজে বাড়ি দিয়ে পেটে হাঁটছে। সেদিকে তাকিয়ে লোভে মিলার লোল পড়তে থাকল। সমস্ত রুচি আর প্রচন্ড খিদে একসাথে ফিরে এসেছে। কচি হাড়ে কামড় দেওয়ার মতো উত্তেজনায় দাঁত কিটকিট করছে ওর! নিজেকে বাধা দেওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা করতে থাকল ও, কিন্তু অন্য কোনো এক মিলা দুহাত বাড়িয়ে এগিয়ে যেতে থাকল আয়েশার দিকে আর আয়েশাও দুহাত বাড়িয়ে উঠে বসেছে ...
খুব ভালো একটা গল্প। মাস্ট রিড
Read all reviews on the Boitoi app
অসাধারন একটা গল্প।অনেকদিন আগে পড়া হলেও রিভিউ দেয়া হয়নি। কিছু গল্প যেমন বারবার পড়লেও তার আবেদন কমেনা,এটাও তেমন।
ছোট বই হিসাবে সুন্দর।
Bhalo legechhe.
অসাধারন লিখনি।সাইকোলজি,কেমিস্ট নিয়ে অসাধারনভাবে গুছিয়ে লিখছেন। মিলার তাজা মাংস চাবানোটা এত সুন্দর করে ফুটিয়ে উঠিয়েছেন।যতবার পড়ছি ততবার মনে হচ্ছিল বমি করে ফেলবো।আমি মুগ্ধ এককথায়!হায়রে পরকিয়া!একটা সুন্দর সংসার শেষ করে দেয়। মিলা,প্রতিভারা খাটি জীবন সঙ্গী হয়েও খালি মানসিক রোগী হয়ে যায়!খুবই কষ্ট লেগেছে।আপু আপনি সফল হয়েছেন।বেশি কিছু লিখলেই স্পয়লার হবে।তাই আর কিছু লিখলাম না।