

পুরান ঢাকার একটা পুরাতন বাড়ি গাছ গাছালি দিয়ে পূর্ন একটা গলি, বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকা একজন কিশোরী আর সেই গলি দিয়ে সাইকেল চালিয়ে যাওয়া একটা কিশোর আর তাদের চুপচাপ ভালোবাসার গল্প হল নীড়। পেয়েও হারানো আবার খুজে পাওয়া, ভালোবাসা ভুলে যাবার সংগ্রাম বার বার কিন্তু বার বার ফিরে আসা। এর মাঝেই আছে দুজনের ধর্ম বিশ্বাসের তফাৎ। একজনের রুপান্তর আধ্যাত্মিকতার দিকে ফিরে আসা নিজ রবের কাছে তো আরেকজন পথ হারা পাখি। নির্মল ল ভালোবাসা, কাছে আসা বিচ্ছেদ কি নেই…. তবে কি তারা এক সাথে পেরেছিল নীড়ে ফিরতে?
"প্রথমেই ধন্যবাদ জেবাপু কে আমাকে তার এতো সুন্দর একটা বই পড়ার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য। এতো সুন্দর একটা বই,,একটা নও মুসলিম মেয়ের পুরোপুরি দ্বীনের পথে আসার গল্প।আসলে আমিও একজন মুসলিম কিন্তু দ্বীনের বিষয়ে অজ্ঞ 🥲এই বইটা পড়ে দ্বীনের বিষয়ে অনেক কিছু জেনেছি।এই বইটা আসলেই দারুণ। এটা একটা ইসলামিক,সামাজিক উভয় ক্যাটাগরিতেই পড়ে।অঞ্জলি থেকে আয়েশা হওয়া এবং সবশেষে পরিপূর্ণ দ্বীনের পথে আসা,,সত্যিই মন ছুঁয়ে গেল,,অনেক জায়গায় পড়ে কেঁদেছি আমি,,এবং ইসলামের অনেক কিছুই জেনেছি।আমি আসলে গুছিয়ে বলতে পারছি না। ধন্যবাদ আপু তোমাকে আবারও🤍"
প্রথমেই ধন্যবাদ জেবাপু কে আমাকে তার এতো সুন্দর একটা বই পড়ার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য। এতো সুন্দর একটা বই,,একটা নও মুসলিম মেয়ের পুরোপুরি দ্বীনের পথে আসার গল্প।আসলে আমিও একজন মুসলিম কিন্তু দ্বীনের বিষয়ে অজ্ঞ 🥲এই বইটা পড়ে দ্বীনের বিষয়ে অনেক কিছু জেনেছি।এই বইটা আসলেই দারুণ। এটা একটা ইসলামিক,সামাজিক উভয় ক্যাটাগরিতেই পড়ে।অঞ্জলি থেকে আয়েশা হওয়া এবং সবশেষে পরিপূর্ণ দ্বীনের পথে আসা,,সত্যিই মন ছুঁয়ে গেল,,অনেক জায়গায় পড়ে কেঁদেছি আমি,,এবং ইসলামের অনেক কিছুই জেনেছি।আমি আসলে গুছিয়ে বলতে পারছি না। ধন্যবাদ আপু তোমাকে আবারও🤍
Read all reviews on the Boitoi app
এটা আমার পড়া প্রথম ও বেস্ট ই-বুক ছিল।এত ভালো লেগেছে বলে বুঝতে পারব না। এই গল্প পড়ে ইসলাম এর প্রতি বিশ্বাস আরো গভীর হয়।
শুরুর দিকে তেমন না টানলেও শেষটা ভীষণ তৃপ্তিময় ছিল। ভীষণ ভীষণ ভালো লেগেছে ই-বুকটা। শুরু থেকে মনে হচ্ছিল ব্যাপারটা কেবল প্রেমের সম্পর্কে আটকে থাকবে হয়তো।কিন্তু না আমার ভাবনা মিথ্যে করে শেষ পর্যন্ত দুটো মানুষ এতো সুন্দর ইসলামের সৌন্দর্য ধারণ করবে।ইসলামের ছায়াতলে আশ্রয় নিবে পুরোটা ছিল মুগ্ধ করার মতো। শেষ পর্যন্ত সুন্দর ছিল,আলহামদুলিল্লাহ 😍😍 বিঃদ্রঃ গল্পের প্লট অনুযায়ী লিখনি আরো শক্তপোক্ত হওয়া উচিত ছিল।কিছু কিছু জায়গায় বেশ ঘাটতি লেগেছে।
রিভিউ: নীড় লেখিকা:কাজী জেবুন্নেসা আল্লাহ কে জানাই লাখ লাখ শুকরিয়া যিনি এই গল্প পড়ার জন্য আমাকে সময় দান করেছেন। তারপর ধন্যবাদ দিতে চাই সেই লেখিকা কে যিনি তার দক্ষতার সাথে গল্পটি লিখেছেন। "নীড়" কেবল একটি গল্প নয়! বরং এটি ভালোবাসা, বিশ্বাস এবং ঈমানের মিলিত যাত্রাপথ। এখানে আমাদের মুসলিম জীবনের কঠিন বাস্তবতা যেমন আছে। ঠিক তেমনি আছে অন্তরের আত্মিক জাগরণ ও ভালোবাসা-শ্রদ্ধা। কিশোর বয়সের ভালোলাগা থেকে একসময় ভালোবাসায় রূপ নেয়া ও দীর্ঘদিনের পরিচয়ের একমাএ জায়গা ছিল সেই বারান্দার গ্রিল ও ইট পাথরের তৈরি রাস্তায় সাইকেল। দূর থেকেও যে ভালোবাসা যায়! লুতুপুতু না করলেও যে প্রেমকাহিনী সুন্দর ভাবে লেখা যায় তার প্রকৃত উদাহরণ এই গল্প। এই গল্পের কিছু টুইস্ট আছে যা বললে আপনারা সম্পূর্ণ মজা পাবেননা। এজন্য গল্পটি পড়তে হবে। গল্পের নায়িকা অঞ্জলি যে জন্মসূত্রে হিন্দু। মাইকেল কে ভালোবাসার টানে ইসলাম গ্রহণ করে আয়েশা নাম ধারণ করে। বিয়ের পর আয়শার নতুন জীবনে শুরু হয় লড়াই। মাইকেলকে ভালোবেসে আয়েশা তাঁর জীবন ধর্মের পথে গড়তে চাইলেও, মাইকেল তখনও ইসলামকে অন্তর দিয়ে গ্রহণ করতে ইচ্ছুক নয়। সে মুসলিম হলেও বাস্তব জ্ঞানে বিশ্বাসী ছিল। এই বিশ্বাসের অমিলের জন্য আয়েশা একসময় বিচ্ছেদের কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়। এই গল্পের সবথেকে সুন্দরতম পছন্দের চরিত্র হলো মাইকেলের মা। একজন ধার্মিক ও আল্লাহভীরু নারী হিসেবে তিনি যেন পুরো গল্পে আলো ছড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁর সাধারণ জীবন আয়েশার ঈমানকে পরবর্তী তে আরও দৃঢ় করে তোলে। গল্পের হৃদয়ছোঁয়া মুহূর্তগুলো আসে লন্ডন যাওয়ার পর। যেখানে আয়েশার সাথে মাইকেলের ইমান নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। মাইকেল মুসলিম হলেও ধর্ম পালন করতে নারাজ। সে বাস্তব জ্ঞানে বিশ্বাসী। যা আয়েশাকে ভিতর থেকে মুষড়ে দেয়। এজন্য আয়েশা আল্লাহর জন্য মাইকেল কে আল্লাহর উপর সম্পূর্ণ আস্হায় রেখে চলে যায়। যখন আয়েশা আবার মাইকেলের মুখোমুখি হয়। তখন এই মাইকেলের সাথে আগের মাইকেলের আকাশ পাতাল তফাৎ। মাইকেল তখন আল্লাহর পথে ফিরে এসেছে। একজন সত্যিকারের মুমিনে রূপান্তরিত হয়েছে। এই পরিবর্তন আমার মতো পাঠকের হৃদয়েও নাড়া দিয়েছে। এখন বলি কেন নীড় গল্প পড়বেন? জীবনে তো অনেক টাকা শেষ হলো আর না হয় ত্রিশ টাকা খরচ করে বইটই থেকে গল্পটি পড়ুন। বিশ্বাস করুন একটুও ঠকবেন না। এই গল্পে আছে ভালোবাসার প্রকৃত অর্থ। কোনো লুতুপুতু, নাখাস্তা জিনিস এখানে নেই। এই গল্প শুধু দুনিয়াবি প্রেমের গল্প নয়। এই গল্প আখিরাতের পরবর্তী জীবনের জন্য অনেক কাজের কথা আছে। যাকে বলে প্রকৃত ভালোবাসা। এ গল্পে সামাজিক বাস্তবতার পাশাপাশি ধর্মীয় শিক্ষার অনুপ্রেরণামূলক অনেক কথাবার্তা রয়েছে। চরিত্রগুলোর মনস্তাত্বিক দ্বন্দ্ব ও পরিবর্তন পাঠককে ভেতর থেকে ভাবতে বাধ্য করবে। "নীড়" এমন এক গল্প যেখানে ভালোবাসা দিয়ে একজন মানুষকে সঠিক পথে ফিরিয়ে আনে। এই গল্প ভালোবাসা থেকে ঈমানের ও আল্লাহর দিকে ফিরে আসার গল্প। ধন্যবাদ
বাস্তবিকতার সাথে তাল মিলিয়ে টিনেজার বয়সে লাভ স্টোরি বেশ ভালই লাগছে,
আসসালামু আলাইকুম। কাজী জেনুন্নেসা আপুর লেখা ই বুক "নীড়" এক কথায় আসাধারণ। মা শা আল্লাহ।💙 এই ই বুক টি পড়ে অনেক ভালো লেগেছে। মনে এক প্রকার প্রশান্তিতে চলে আসলো মনে হয় এটি পড়ে। আগে নামাজ পড়তাম আমি কিন্তু এখন থেকে চেষ্টা করবো প্রতিদিন নামাজ আদায় করার। আল্লাহ জেবা আপুকে সব সময় ভালো রাখুক দোয়া করি।
আপুর লেখা আমার সবসময়ই ভালোলাগে । গল্পটা এত্ত সুন্দর হবে ভাবিনি, এক কিশোর কিশোরীরা প্রেম থেকে শুরু হয়ে বিয়ে হওয়া পর্যন্ত সব কিছুই ছিল অসাধারণ । বিশেষ করে আয়শা এর মুসলিম হওয়া ছিল এক অসাধারণ গল্প। এই গল্প নিয়ে rate দেওয়ার কিছুই দেখি না আপুর সব চরিত্র এত সুন্দর বিশেষ করে মাইকেল বা আদিল এর মা বাবা এর চরিত্র এটা এত আপন লেগেছে বলার মত না । সবশেষ একটাই কথাই বলবো এই গল্প না পড়লে মিস
আসসালামু আলাইকুম। সর্বপ্রথম বলতে চাই কাজী জেবুন্নেসা যিনি বই লিখেছেন ,তিনি অত্যন্ত সুন্দর,ভিন্ন,শিক্ষনীয় ও খোদাভীরু গল্প নীর লিখেছেন । গল্পটি আমার অনেক মনে ধরেছে , গল্পে আমি আমার ধর্ম, আমার আল্লাহ আমার সত্তাকে আরো দৃঢ় ভাবে খুঁজে পেয়েছি। গল্পে স্বাধীনতা, ভালোবাসা, ধৈর্য্য,ইচ্ছা ,বিশ্বাস, ভরষা যেনো গভীরভাবে লেপ্টে ছিলো,আল্লাহ তায়ালা হেদায়েত কিভাবে দেন তার ব্যাখ্যা, রহমত কিভাবে মানুষকে আল্লাহর পথে আনে তা আমাকে ভীষণ ভাবে ভাবিয়েছে,গল্পটি আমাকে শিখিয়েছে , চেষ্টা এবং মনস্থির থাকলে যেকোনো কিছুতে সফল হওয়া যায়। 🤍ধন্যবাদ লেখিকা কে এত সুন্দর গল্প উপহার দেওয়ার জন্য🌸🤍
এক বসাতেই বই পড়ে শেষ করেছি। বেশ ভালো লেগেছে। ইনফর্মেটিভ ছিলো। আয়েশার চরিত্র ভালো ছিলো। তবে গঠনমুলক সমালোচনা যদি করি গল্পটা কাঠখোট্টা হয়ে গেছে অনেকাংশে। আয়েশার চরিত্র রোবটিক লেগেছে। শেষে গিয়ে স্বামীকে ফেলে এক অনিশ্চয়তায় গেছে। এইটা ভালো লাগেনি। দূর দেশে স্বামীকে রেখে অনিশ্চিত গতিবিধিতে পা বাড়ানো সবসময় ফল বয়ে আনে না। বউ হয়। সাথে থেকেই পরিশ্রম করতে হইতো যাতে তার মধ্য দ্বীনের বুঝ আসে। যদি ব্যাকফায়ার করতো এবং এইটা অধিকাংশ ক্ষেত্রে করেই। সেতো নতুনভাবে চিনেছে তার নতুন ধর্মকে। ধর্মে বারবার বলা হয়েছে চেষ্টা করেই যেতে। এইভাবে স্বামী থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে তাকে রেখে চলে যাওয়ার ব্যাপারটা ছাড়া গল্প ভালো লেগেছে পড়ে।
চমৎকার একটা গল্প পড়লাম। একজন নওমুসলিমার হেদায়েতের গল্প, একজন জন্মধারী মুসলিমের হেদায়েতের গল্প। এতো সহজ, সাবলীল ভাষায় প্রেম, ভালোবাসা, সবর, সমর্পণ ফুটিয়ে তুলেছেন! কোথাও এটাকে শুধু ইসলামিক গল্প মনে হয়নি, তবুও সৃস্টিকর্তার প্রতি সমর্পণকে ফুটিয়ে তুলেছেন। শুভকামনা রইল আপু।