

পৃথিবীতে অসংখ্য বই লেখা হয়েছে, যার সঠিক হিসাব আজও কেউ দিতে পারেনি। সময়ের বিবর্তনে এসব বইয়ের অনেকগুলোই হারিয়ে গেছে, মুছে গেছে তাদের শেষ চিহ্নও। তবে এই বিপুলসংখ্যক বইয়ের মধ্যে কিছু বই এমনও রয়েছে, যেগুলো মানুষের সৃষ্টি নয়, বরং সরাসরি সাত আসমানের ওপর থেকে নাজিল করা হয়েছে। সেই ঐশী গ্রন্থগুলোর মধ্যে সর্বশেষ এবং চূড়ান্ত গ্রন্থ হলো আল-কুরআন। এই মহাগ্রন্থের রচয়িতা হচ্ছেন সারা জগতের স্রষ্টা, যিনি অসীম জ্ঞান ও প্রজ্ঞার অধিকারী—আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা। কিন্তু আল-কুরআনে এমন কী আছে, যা একে এত অনন্য করে তোলে? কীভাবে এই গ্রন্থ নাজিল হলো? এটি কার কাছে পাঠানো হয়েছিল? এর ভাষা আরবি কেন? যদি অন্য কোনো ভাষায় নাজিল হতো, তাহলে কী পরিবর্তন হতো? এবং প্রায় ১৫০০ বছর আগে প্রেরিত এই গ্রন্থের সত্যতা কীভাবে প্রমাণিত হলো যে এটি সত্যিই স্রষ্টার পক্ষ থেকে এসেছে? আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন—এই গ্রন্থ পড়লে মানুষের জীবনে কী প্রভাব পড়ে? জানতে ইচ্ছুক? চলুন, তাহলে জ্ঞানের অবারিত দিগন্তে একসঙ্গে যাত্রা শুরু করি...