

"ওসব সাত পাঁচ ভাবতে ভাবতেই লোকটাকে ভাত বেড়ে খাইয়েছিলাম সেদিনের সেই দুপুরে। খাওয়া শেষ করে তিনি বিছানায় গিয়ে গড়ালেন কিছুক্ষণ, ফোন টিপতে টিপতে ছোট্ট করে একটা ভাত ঘুমও দিয়ে উঠলেন। ভরা গ্রীষ্মের বিকেলে গরমে হাঁসফাঁস করতে করতে ঘুম থেকে উঠে ঠান্ডা এক গ্লাস শরবত খেলেন, আমাকে পাশে বসিয়ে একটু অবাক করে দিয়ে জানতে চাইলেন- আমার কিছু লাগবে কিনা, বাসায় কিছু প্রয়োজন আছে কিনা, আমি ক'দিনের জন্য বাপের বাড়ি যেতে চাই কিনা। তারপর তৈরি হয়ে বেরিয়ে যাবার আগে বলে গেলেন- রাতের বেলা পোলাও মাংস করতে, ক’জন মেহমান আসবে। পোলাও, মাংস, মাছের ভাজা, মিষ্টি। বারবার বলে গেলেন গরুর মাংসের কোপ্তা রান্না করতে যেন ভুলে না যাই, আমার হাতের কোপ্তা কারি নাকি সেই স্বাদ। আর চালের জর্দায় কমলা-আনারস দিতেও যেন ভুল না হয়, সাথে বেশি করে পেস্তা বাদাম। বলে গেলেন, কিছুক্ষণ বাদে কর্মচারীকে দিয়ে বাজারও পাঠিয়ে দিলেন। আর রাতের বেলা সাথে করে নিয়ে এলেন বরযাত্রী ও বউ… আমার বরের নতুন বউ। আমার বরের দ্বিতীয় বউ!"
"এইটুক 😏😏 বড় করে লিখো না কেনু 😭😭 আরও পড়তে মন চাই তো! যায় হোক লিখাটা অসম্ভব সুন্দর হয়েছে যেমনটা পড়ার পর চোখের কোণে খুশির জল আসে তেমন টাই ❤️❤️🥀"
এইটুক 😏😏 বড় করে লিখো না কেনু 😭😭 আরও পড়তে মন চাই তো! যায় হোক লিখাটা অসম্ভব সুন্দর হয়েছে যেমনটা পড়ার পর চোখের কোণে খুশির জল আসে তেমন টাই ❤️❤️🥀
Read all reviews on the Boitoi app
অসাধারণ, আগেও পরেছিলাম। আবারও পড়লাম। ১ম বারের মতোই ভালো লেগেছে 💜
বইটির শেষাংশটা যে এতো অসাধারণ বলে শেষ করার মত না। বইটা পড়তে পড়তে আবিষ্কার করলাম জীবনে হাল ছাড়তে নেই, হয়তো কখনো কখনো জীবনে মিরাক্কেলও ঘটে❤️❤️❤️
বরাবরের মতই নামটা খুবই ইন্টারেস্টিং। পড়েই পড়া শুরু করে দিলাম।খুব সুন্দর হয়েছে গল্পটা।বিশেষ করে শেষটা।
বলার ভাষা নেই। অসাধারণ।
আমার চোখে ও যেন কি পড়েছে। খুব জ্বালা করছে। তবে কায়েস সাহেব এর শাস্তি টা আর একটু বেশি হলে ভালো লাগতো।
বইটি পড়ার সময় নিজের অজান্তেই চোখের কোনে পানি জমেছে।।অসাধারণ একটি বই❤️❤️❤️অনেক শুভ কামনা আপুর জন্য
এক নিঃশ্বাসে পড়ে শেষ করলাম। রুমানা আপার রান্নার হাতের মতো তার লেখার হাত নিয়েও কোন কথা হবে না। বরাবরের মতোই পাঠকের সাথে আলাপচারিতার ভঙ্গিমায় তিনি এই গল্পটি লিখেছেন, যাতে মিশে আছে মায়া মমতা ও ভালবাসার মতো মানবিক মূল্যবোধের পাশাপাশি ঘৃণিত ব্যক্তির প্রতি এক আশ্চর্য নির্বিকারত্ব, যা আমাদের মাথা তুলে বাঁচতে শেখায়, নিজের মতো করে পথ চলতে শেখায়। হয়তো এও শেখায় যে, এই নিশ্চুপ নির্বিকারত্বই দিনশেষে মুখের ভাষার চেয়ে হাজারগুণে শক্তিশালী। আজো হয়তো অনেক শেফালীই নীরবে সয়ে যাচ্ছে কায়েস সাহেবদের মতো কিছু পাশবিক মনের মানুষের নির্যাতন আর নিষ্পেষণ! গল্পের সেই উত্তর পুরুষের বয়ানে থাকা নাম না জানা সেই নারীরা কি তাদের রক্ষাকবচ হয়ে দাঁড়াতে পারছে পাশে? উত্তর আমি জানি না ঠিকই, কিন্তু এই সমাজ যতদিন না বদলাবে, পুরুষতান্ত্রিকতার নামে এই অন্যায় নির্যাতন নিষ্পেষণ যতদিন না থামবে, ততদিন উত্তর মিলবে না হয়তো। গল্পের চরিত্র চিত্রায়ণের কথা বলতে গেলে বলা যায় যে, মূখ্য তিনটি চরিত্রই প্রতীকী। গল্পের প্রোটাগনিস্টের কোন নাম রুমানা আপা হয়তো দেননি ঠিকই, কিন্তু তার নামে তার আসল পরিচয় পাওয়া যায়নি। বরং পাওয়া গিয়েছে তার কর্মে। গর্ভে না ধরেও, কেবলমাত্র আত্মায় ধারণ করেও যে সন্তানের মা হওয়া যায়, তার প্রমাণ আমাদের এই প্রোটাগনিস্ট। বরাবরের মতোই গল্পের ফাঁকে ফাঁকে আপার রান্নার সুমিষ্ট বর্ণনা গল্পে এক ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে। আর গল্পের সমাপ্তিটা অসাধারণ। মন ভিজিয়ে দেয়ার মতো। বাস্তবেও যদি এরকম সমাপ্তি হতো, পৃথিবীটা সত্যিই সুন্দর একটা জায়গা হতো সবার জন্য।
রুমানা বৈশাখীর অন্য লেখার মতোই অতি চমৎকার।
সুন্দর ছিল!