

'ছায়ার নৈপথ্য' একটি রহস্যময় উপন্যাস যেখানে অতীত ও বর্তমানের জটিল কাহিনি একে অপরের সাথে জড়িয়ে আছে। উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র অপর্ণা, একজন তরুণ সাংবাদিক, যিনি শহরের এক পুরনো, পরিত্যক্ত অট্টালিকার রহস্য উদঘাটন করতে যান। বলা হয়, এই বাড়িটি একসময় রুদ্রনীল সেন নামে এক বিজ্ঞানীর বাসস্থান ছিল, যিনি রহস্যজনকভাবে এক রাতে নিখোঁজ হয়ে যান। গুজব আছে, তার আত্মা এখনো ওই বাড়ির ছায়ার আড়ালে বন্দি। অপর্ণার অনুসন্ধানের মাধ্যমে উঠে আসে এক চাঞ্চল্যকর সত্য—রুদ্রনীল একটি গোপন গবেষণায় লিপ্ত ছিলেন, যা মানব অস্তিত্বের এক নতুন দিক উন্মোচন করতে চেয়েছিল। কিন্তু তার গবেষণার ফল ভয়াবহ হয়েছিল, যার কারণে সে নিজেই এক রহস্যময় ছায়ায় পরিণত হয়। অপর্ণা তার মেধা ও সাহস দিয়ে এই রহস্যের সমাধানে এগিয়ে যায় এবং এক বিশেষ মন্ত্রের সাহায্যে রুদ্রনীলের আত্মাকে মুক্ত করার চেষ্টা করে। কিন্তু মুক্তি পাওয়ার পরও, অপর্ণার মনে প্রশ্ন থেকে যায়—এই শহরে কি আরও ছায়া লুকিয়ে আছে? উপন্যাসটি ক্রমশ নতুন রহস্যের দিকে মোড় নেয় যখন অপর্ণা জানতে পারে রুদ্রনীলের গবেষণার আরেকজন গোপন সহযোগীর কথা। অতীত ও বর্তমানের এই সংযোগ তাকে আরও গভীর অন্ধকারের দিকে টেনে নিয়ে যায়। 'ছায়ার নৈপথ্য' শুধুমাত্র একটি অতিপ্রাকৃত রহস্য নয়, এটি বিশ্বাস, অনুসন্ধান, এবং মানব অস্তিত্বের অজানা দিকগুলোর সন্ধান নিয়ে লেখা এক রোমাঞ্চকর কাহিনি।