

“আপনি শুনলে খুব কষ্ট পাবেন, আমার একটা জামাই নেই। যে বয়সে জামাইয়ের সেবা করব, সেই বয়সে পড়াশোনা করে সময় নষ্ট করছি। যেখানে বরের আহ্লাদী বউ হব, সেখানে বাবা-মায়ের অবাধ্য মেয়ে হয়েছি। যে বয়সে মানুষ সংসার করে, সেই বয়সে আমি ছেলে তুলে নিয়ে এসেছি বিয়ে করার জন্য। আমার মতো হতভাগা ক'জন আছে, বলুন তো, যে একটা বরের জন্য বড়ো বোনের দেবরকে তুলে নিয়ে আসে? আমি তো চার-পাঁচটা বর চাইনি, একটা বরই তো চেয়েছি। আমাকে একটা বর এনে দিলে, আমার বাবার কী খুব ক্ষতি হয়ে যেত, বলেন? আমি একটা বরের দুঃখে রাতে ঠিকমতো ঘুমাতে পারি না। আমার বরটা না জানি একা একা কী করছে, এদিকে তার বউ হয়েও আমি তাকে রান্না করে খাওয়াতে পারছি না। একটা মেয়ের সবচেয়ে বড়ো দুঃখ হলো, তার বরের সাথে একসাথে বসে খাওয়ার বয়সে বাবার বাড়িতে একা একা বসে খায়। সবার বিয়ের ফুল ফুটে, কিন্তু আমার ফুটে না। আচ্ছা, আমার বিয়ের ফুল কী ছাগলে খেয়ে ফেলছে?”
"নিমুআপার লেখনী আমার আলহামদুলিল্লাহ অনেক ভালো লাগে।আপুর প্রথম কোনো ইবুক পড়া।পড়া শেষে মনে হলো এই যা শেষ হয়ে গেলো।আমার খুব ভালো লেগেছে এটা।রুশিতার বিয়ে নিয়ে পাগলামো,অরুণের বিরহ অনুরাগে চৈত্রমাস আসা,শ্যামকন্যা রুহানির মায়ায় আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে থাকা ফাহাদ সবাই যেনো দারুণ একেকটা চরিত্র।গতকাল রাত ১:৩০ বাজেই সাথে সাথে পড়ে শেষ করলাম।আপুর নতুন লেখনীর জন্য শুভকামনা রইলো।"
নিমুআপার লেখনী আমার আলহামদুলিল্লাহ অনেক ভালো লাগে।আপুর প্রথম কোনো ইবুক পড়া।পড়া শেষে মনে হলো এই যা শেষ হয়ে গেলো।আমার খুব ভালো লেগেছে এটা।রুশিতার বিয়ে নিয়ে পাগলামো,অরুণের বিরহ অনুরাগে চৈত্রমাস আসা,শ্যামকন্যা রুহানির মায়ায় আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে থাকা ফাহাদ সবাই যেনো দারুণ একেকটা চরিত্র।গতকাল রাত ১:৩০ বাজেই সাথে সাথে পড়ে শেষ করলাম।আপুর নতুন লেখনীর জন্য শুভকামনা রইলো।
Read all reviews on the Boitoi app
"বিরহ অনুরাগে চৈত্রমাস" নামকরণের মাঝেই পুরো ই-বুক সম্পর্কে কিঞ্চিৎ ধারণা পাওয়া যায়। কেমন যেন একটু বিরহ ও বসন্তের ঘ্রাণ আছে, তাই না? গল্পটি আবর্তিত হয় রুশিতা নামের এক চঞ্চল অষ্টাদশী কন্যা, যার বিয়ে নিয়ে রয়েছে অতিরিক্ত উচ্ছ্বাস এবং অরুণ নামের এক বিষাদময় অতীতে ঘেরা পুরুষকে নিয়ে। রুশিতার করা অদ্ভুত এক কাজ থেকে গল্প শুরু হয়। তার কাজে তার বড়ো বোনের বিয়ের দিনটাও স্মরণীয় হয়ে থাকে। রুশিতার কর্মকাণ্ড কি নিছক-ই পাগলামো ছিল নাকি এর পেছনে রয়েছে অন্য কোনো কারণ? অপরদিকে অরুণের বিয়ের পিঁড়িতে বসতে না চাওয়ার মনোভাব কি শেষ পর্যন্ত অক্ষুণ্ণ থাকে? নাকি নতুন করে বেঁচে থাকার সুযোগ খুঁজে পায়? এ-সব প্রশ্নের উত্তর গল্পের ধাপে ধাপে মিলবে। ই-বুক এর প্লট সুন্দর। কিছু অংশ পাঠককে আবগেতাড়িত করে ভাবিয়ে তুলবে। আবার কিছু অংশ পাঠককে হাসাবে। এটা পড়ার সময় কেমন যেন খাপছাড়া লাগছিল। কোন কোন স্থানে সেটা ঠিক বলতে পারবো না। আসলে আমি এটা পড়ে খুব একটা শান্তি পাইনি। লেখক তাড়াহুড়ো করে শেষ করেছিল কি-না জানি না কিন্তু এখানে কয়েক জায়গায় বানান ভুলও রয়েছে। সব মিলিয়ে মোটামুটি ভালোই লেগেছে।
রাতে কিনে পড়ছি এখন রিভিউ দিলাম খুব ভালো লাগছে গল্প ! বুশরা আপুর গল্প মানেই দারুণ কিছু,রুশিতার বিয়ে নিয়ে পাগলামি খুব এনজয় করছি!মাঝখানে তো একটু ভয় পাইছিলাম যে অুরুণের সাথে বিয়ে হবো কিনা, আর ফাহাদ রে ভালো লাগছে ওর জন্যই বিয়েটা হলো! এতো সুন্দর গল্প দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ!
.......................⭐⭐⭐⭐⭐.......................... #রিভিউ_পোস্ট ইবুক📚~#বিরহ_অনুরাগে_চৈত্রমাস লেখিকা🖊️~ ❝ফাবিহা বুশরা নিমু❞ জনরা~সামাজিক,রোমান্টিক 💫কাহিনী সংক্ষেপে: রুশিতা নামক এক চঞ্চল, বিয়ে পাগল অষ্টাদশী কন্যা।যে সব সময় বিয়ে করব,বিয়ে করব বলে মুখিয়ে থাকে। তবে হঠাৎই সে এক অভাবনীয় কাজ করে বসে।নিজেরই বড় বোনের বিয়ের দিন হবু দুলাভাই ভেবে তুলে নিয়ে যায় তারই বড় বোনের দেবর কে। তারপর,,,বিয়ে হয়ে ছিলো কি অষ্টাদশী চঞ্চলার? নাকি তা নিছকই তার পাগলামি ছিলো? এমন কি কোনো ঘটনা ঘটেছিলো যা অষ্টাদশী কন্যার জীবনে নতুন মোড় এনে ছিলো? শেষ পরিণতি কি ছিলো সেই বিয়ে পাগল অষ্টাদশী কন্যার? অন্য দিকে অরুণ যার ছিলো বিষাদময় এক অতীত। সে কি পেরেছিল অতীতকে পেছনে ফেলে এগিয়ে যেতে? তার জীবনে কি বিরহের পরিবর্তে অনুরাগ হয়ে এসেছিলো বসন্তময় চৈত্র? ★জানতে হলে পড়তে হবে ইবুক ❝বিরহ অনুরাগে চৈত্রমাস ❞★ ✨ চরিত্র বিশ্লেষণ করতে গেলে বলতে হবে লেখিকা প্রতিটি চরিত্র কে গুরুত্ব অনুযায়ী প্রাধান্য দিয়েছে এবং অসাধারণ ভাবে বর্ণনা করেছে প্রত্যেক চরিত্র কে। 💦প্রধান ও অন্যতম চরিত্র হলো "রুশিতা সুলতানা"। প্রচন্ড চঞ্চল স্বভাবের,সহজ-সরল,বিয়ে পাগলা অষ্টাদশী। 💦"অরুণ ওয়াহিদ" লেখিকার সৃষ্টি এক অসাধারণ চরিত্র। তাকে এতো নিখুঁত ভাবে গড়ে তুলেছেন যে তাকে নিয়ে বলার ভাষা নেই। 💦"রুহানী" রুশিতার বড় বোন। ❝ শ্যামকন্যা ❞।যার ছোট বোনের প্রতি ছিলো অগাধ ভালোবাসা।অত্যন্ত সাদামাটা একটা ব্যক্তিত্ব । 💦"ফাহাদ ওয়াহিদ" অরুণের বড় ভাই।চরিত্র টাকে এতো সুন্দর ভাবে গড়ে তুলেছেন যে তা নিয়ে আলাদা করে কোনো শব্দ ব্যবহারের দরকার নেই। একদিকে নিজের ভালোবাসা অন্য দিকে ছোট ভাইয়ের প্রণয়,,সব কিছুর জন্য ঠান্ডা মাথায় লড়াই করেছেন তিনি। ✨পাঠ প্রতিক্রিয়া~ গল্পটা পড়ার সময় একটা ঘোরের মধ্যে ছিলাম। লেখিকা গল্প টাকে এতো সুন্দর, সাবলীল, শালীন, মার্জিত শব্দচয়নের মাধ্যমে উপস্থাপন করেছে যে তা নিয়ে আলাদা করে কিছু বলার নেই। এক অষ্টাদশী বিয়ে পাগল কন্যার জীবন কাহিনি, বর্তমান সময়ে ঘটে যাওয়া কিছু নির্মম বাস্তবতা, প্রণয়ের সূত্রপাত থেকে শেষ পরিণতি সব মিলিয়ে এটা ছিলো একটা অসাধারণ গল্প।🎀বরাবরই নিমু আপুর লেখা আমার পছন্দের তালিকায় শীর্ষে থাকে।আপুর লেখা অন্যান্য গল্পের মতো এটাও ভিন্ন স্বাদের নতুন এবং অনেক সুন্দর একটা গল্প। ফাহাদ-রুহানির ভালোবাসার পূর্নতা সুখের হলেও,,, অরুণ-রুশিতার ভালোবাসার পূর্নতা টা গল্পের নামের মতোই ❝বিরহ অনুরাগে চৈত্রমাস❞,,, অর্থাৎ, সব চৈত্রমাস বিরহ নিয়ে আসে না কখনো কখনো অনুরাগ ও নিয়ে আসে,,🌸🖤 গল্পের ভিতরে বাস্তবতার এমন কিছু দৃষ্টান্ত তুলে ধরা হয়েছে যা বর্তমান সময়ে বহুল ঘটিত,,,জানতে চান? তাহলে কিনে পড়ে ফেলুন "বিরহ অনুরাগে চৈত্রমাস"! ★আমি ব্যক্তিগত ভাবে খুব করে করে চায় প্রতিটি রুহানীর জীবনে ফাহাদ এবং রুশিতার জীবনে অরুণ আসুক।সবারই একবার হলেও এদেরকে পড়ে দেখা উচিত। আশা করি কেউ হতাশ হবেন না★ ব্যাক্তিগত রেটিং~ ১০/১০ ~বি:দ্র: লেখাগুলো খাপছাড়া মনে হতে পারে। আমি এতো গুছিয়ে লিখতে পারি না। ভুল-ত্রুটি হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।