

অনেক বছর আগের ঘটনা। তানি সেবার প্রথম বড় হয়ে খালার বাসায় গেল। বড় খালা ঢাকায় থাকে। একদিন কী একটা কাজে একা বাইরে বেরিয়েছিল। কী বৃষ্টি ছিলো সেদিন। তানির তাড়াহুড়ো ছিলো ভীষণ। বেখেয়ালে হাটতে গিয়ে পড়ে গেল ড্রেনে। আশেপাশে অনেক লোক। কেউ কেউ খ্যাক খ্যাক করে হাসলো। কাছাকাছি চায়ের দোকানের লোকটা উঁকি দিয়ে দেখে কাজে মন দিলো। সেই দোকান থেকেই বেরিয়ে এসেছিল সুদর্শন, চমৎকার ছেলেটা। তানির তাকে এখনো মনে আছে। কতো আগের ঘটনা! তারপর একদিন স্বপ্নের মতো এসে সেই রাজপুত্র ধরা দেয় তানির সামনে। কিন্তু তারপর....
"মন ভালো করার মতো একটা গল্প। আচ্ছা, এতো চমৎকার শ্বশুরবাড়ি কোথায় পাওয়া যায়?? আমি তো এই বয়সে এসে শুভ্রর প্রেমে পড়েছি। শুধু অবশ্য শুভ্র না,ওর পুরো পরিবারকে ভালো লেগেছে। আপনি দারুন লিখেন।"
অসাধারণ ভালো লেগেছে
Read all reviews on the Boitoi app
মন ভালো করার মতো একটা গল্প। আচ্ছা, এতো চমৎকার শ্বশুরবাড়ি কোথায় পাওয়া যায়?? আমি তো এই বয়সে এসে শুভ্রর প্রেমে পড়েছি। শুধু অবশ্য শুভ্র না,ওর পুরো পরিবারকে ভালো লেগেছে। আপনি দারুন লিখেন।
এত চমৎকার লেখনি। এত ভালো লাগে আপনার লেখা পড়তে। আরো লিখুন চমৎকার সব লেখা
এই গল্প টা্ আগেই ফেসবুকে পড়েছিলাম। আপুর লেখা সেরা গল্প গুলোর মধ্যে একটা। অনেকবার পড়েছি। সংগ্রহে রাখার মত একটা গল্প।
মেয়েদের জীবন খুব অদ্ভুত! সম্পর্ক, ঘর-সংসার টিকিয়ে রাখা যেন একমাত্র তাদেরই দায়িত্ব, সামনের মানুষটার কোনো দায়িত্ব নেই। গল্পের শুরুতেই তানির জন্য খারাপ লাগছিল খুব ওর পরিবারের আচরণের কথা ভেবে৷ বাবারা তো মেয়েদের ভরসার স্থল হয় সেখানে তানির বাবা মেয়েকে একপ্রকার বোঝাই ভাবত। বোঝা কোনোমতে নামাতে পারলেই বাঁচে এমন একটা চিন্তাভাবনা ছিল ওনার। ভাবীর বিষয়টা নাহয় বুঝেছি ডিভোর্সি ননদের দায়িত্ব নিতে চায়নি। পরের মেয়ে যেহেতু কদর আর কতটুকুই বা করবে! কিন্তু বাবার আচরণ আশাহত করেছে। তবে তানির মা ভাগ্য দারুণ। কঠিন সময়গুলোতে মায়ের সাপোর্ট পেয়েছে। ওনাকে আমার ভালো লেগেছে খুব। এবার আসি মাহফুজার বিষয়ে। প্রথমত ওনার মতো শাশুড়ী পাওয়া মেয়েদের জীবনে ড্রিম। উনি সবটা জেনে যেভাবে তানিকে সাপোর্ট করেছে, ভালোবাসা দিয়েছে সবটা আমাকে মুগ্ধ করেছে। এমন মনমানসিকতার মানুষ দুনিয়ায় বিরল এখন। তানি আর শুভ্র দুজনের অতীতই তিক্ততাই ভরপুর ছিল। সেই তিক্ততাকে পেছনে ফেলে নতুন জীবন শুরু করেছে দুজন জড়তা থাকবে, সময় লাগবে স্বাভাবিক। কিন্তু শুভ্র যেভাবে তানিকে সহজ করেছে নিজের আচরণ দ্বারা বিশেষ করে বিয়েতে দেরিতে এসে পৌঁছনোর জন্য বারবার ক্ষমা চাওয়ার পুরো বিষয়টা ভালো লেগেছে খুব। স্বামীর অধিকার না ফলিয়ে ও শুরুতেই তানির মন ছুঁতে চেয়েছে। তানিকে জানতে চেয়েছে নিজেকে চেনাতে চেয়েছে। লাভ আফটার ম্যারেজের কনসেপ্ট আমার ভালো লাগে। এজন্য ওদের ধীরে ধীরে একে অপরের প্রেমে পড়াটা উপভোগ করেছি বেশ। তবে হ্যাঁ শুভ্রর একটা কাজে আমার রাগ হয়েছিল ভীষণ। পরে ভাবলাম ও আসলে পরিস্থিতির স্বীকার। মানুষের অতীত মাঝেমধ্যে তার বর্তমানকে প্রভাবিত করে ওকেও করেছে। ওর অতীত স্মৃতি ওকে ভেতর ভেতর জ্বালাতন করত এজন্য তানির বিষয়টা ওকে সঙ্কিত করেছিল। কিন্তু ওর ডায়েরির লেখাগুলো পড়ে তানির মতো আমিও গলে গেছি। শুভ্রর মায়ের কথাগুলো খুব সুন্দর ছিল সত্যিই সম্পর্কে একজন কঠিন হলে আরেকজনকে নমনীয় হতে হয় নয়ত সেই সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা কঠিন। তবে দূরত্বও ভালো কিছু বয়ে আনে। দুরত্বটুকু ওদের মাঝে এসেছিল বলেই শুভ্র আরও গভীরভাবে তানির অনুপস্থিতি অনুভব করতে পেরেছে। এটার দরকার ছিল আসলে। এছাড়াও এই গল্পের তিনটা চটপটে চমৎকার চরিত্র ছিল অভ্র, ইরা এবং আনিকা। তিন ভাইবোনের বন্ডিং এত্ত দারুণ ছিল। পাশাপাশি ইরার সাথে ওদের সম্পর্কটাও। অভ্র তো একদম বিপদ থেকে উদ্ধার করার রোল প্লে করেছে প্রতিবার। ও ভাইয়ের মন বুঝে ভাইয়ের সমস্যাগুলো সমাধান করেছে আবার তানির দিক বিবেচনা করেও ভাইকে বুঝিয়েছে। ওর চরিত্রটা খুব সেন্সিবল ছিল। কথায় আছে না শেষ ভালো যার সব ভালো তার। ওদের জীবনের শুরুটা আশানুরূপ না হলেও সমাপ্তিটা পরিপূর্ণ ছিল। দিনশেষে ওরা অনেক সুখী থাকুক। শুভ্র এভাবেই উল্টোপাল্টা বকে তানিকে রাগিয়ে দিক আজীবন।
ফেসবুকে নিপা আপুর গল্প পড়া হয়, তো নিয়মিত পোস্টও সামনে আসে, আপুর লেখা যারা পড়ছেন, তারা জানেন আপুর লেখনী মাশাল্লাহ, এই গল্পটার প্লট একটু আলাদা, বিয়ের পরে ভালোবাসার যে ব্যাপারটা, আর এত সুন্দর ফ্যামিলি বন্ডিং। ইসসস.....এমন সুন্দর খুনসুটিময় একটা পরিবার.....ভাল্লাগছে আপু 🥹🥹
মিষ্টি মিষ্টি ভালোবাসার গল্প। তানি এবং শুভ্র চরিত্র যতটা পছন্দের, অভ্র, ইরা, আনিকা ঠিক ততটুকুই পছন্দের। এই গল্পের প্রতিটি চরিত্রই এই গল্পের প্রাণ। ভালো থাকুক সবাই 🤍
❤️❤️❤️❤️❤️
রোমান্টিক কমেডি, আবার সামাজিক বার্তা আছে, সব মিলিয়ে ভালো লেগেছে
দারুণ ❤️❤️