

“আপনার জন্য রিকশা নিয়ে এসেছি, বৃষ্টিপ্রিয়া?” আচমকাই নিজের ভাবনার মাঝে ইহানের কণ্ঠখানা শুনতেই থমকে উঠল অনুজা। বিস্মিত দৃষ্টিতে তাকাল ইহানের দিকে। ইহান নির্লিপ্ত কণ্ঠে শুধায়, “ওভাবে তাকাবেন না, রাত্রীপ্রিয়া, আমার বড্ড সমস্যা হয়।” অনুজা দৃষ্টি সরিয়ে ফেলল। সেই প্রসঙ্গে কিছুই জানাল না। ইহানের পাশ দিয়েই একটা রিকশা দাঁড়িয়ে আছে। অনুজা কিছু না ভেবেই আস্তে ধীরে পা রাখতে নিল দোকানের মোড় থেকে রাস্তায়, আচমকাই পা পিছলে পড়ে যেতে নিল সে। সঙ্গে সঙ্গে এক শক্তপোক্ত ভেজাল হাত আঁকড়ে ধরল তাকে। সময়টা বুঝি থমকে গেল, বৃষ্টির ঝাপটারা বুঝি এক নিমিষেই সব লণ্ডভণ্ড করে দিল। ইহান তাকিয়ে আছে অনুজার ভয়ার্ত চোখের দিকে, তাকে আঁকড়ে ধরা বাহুর দিকে। ইহান শীতল স্বরে বলল, “আপনার ভয় নেই, অনু, আমি আপনাকে পড়তে দেইনি।”
"দারুন লেগেছে। বরাবরের মতোই সাধারণ লেখাগুলো তানজু আপু তুমি অসাধারণ ভাবে ফুটিয়ে তুলেছো।ইহান এর বলা কিছু লাইন মারাত্মক ছিলো।সবমিলিয়ে গল্পটা দারুণের থেকেও বেশি দারুণ লেগেছে।"
দারুন লেগেছে। বরাবরের মতোই সাধারণ লেখাগুলো তানজু আপু তুমি অসাধারণ ভাবে ফুটিয়ে তুলেছো।ইহান এর বলা কিছু লাইন মারাত্মক ছিলো।সবমিলিয়ে গল্পটা দারুণের থেকেও বেশি দারুণ লেগেছে।
Read all reviews on the Boitoi app
৯০ দশকের মধ্যবিত্তের প্রেম যেন। মনটা দ্রবীভুত হয়ে গেল - নির্মল, সুন্দর ভালোবাসা, যার জন্য নিজের সব শখ, চাওয়া বিসর্জন দিলো ইহান। কতটা ভালোবাসলে সব ইচ্ছের বিপরীতে গিয়ে বাবার পায়ে পড়ে গেল ছেলেটা! খুব ভালো লাগলো।
অনুজা আর ইহান আমার খুব পছন্দের দুটি চরিত্র।