

জীবন সাথী হিসেবে একজন ফিল্মের সুপারস্টারকে কখনো চায়নি জিন্নাত। তবে, পারিবারিকভাবে তার বিয়ে ঠিক হয় সেই নামকরা অভিনেতা ইজহান আল আহমাদের সাথে। শুধু তাই নয়, জিন্নাত বুঝতে পেরেছে অভিনেতা বেশ বেপরোয়া। তার প্রতি লোকটা এক অনিয়ন্ত্রিত প্রীতিতে আটকে। জিন্নাত কি সেই অনিয়ন্ত্রিত ভালোবাসায় বদ্ধ করেছে নিজেকে? নাকি লাল পতাকার সেই অভিনেতাকে দূরে ঠেলে রেখেছিল? সবচেয়ে বড় কথা, ইজহান আল আহমাদ নিজ স্বপ্নের নারীতে উন্মাদনায় মত্ত হওয়ার কাহিনী এটি। গল্পটা শুরু হয় তাদের পারিবারিক বৈবাহিক আলাপের মাধ্যমে।
জিন্নাত আর ইজহানের রোমান্স অনবদ্য লেগেছে।আপুকে ধন্যবাদ এত সুন্দর একটা গল্প গিফট করার জন্য।
Read all reviews on the Boitoi app
আসসালামু আলাইকুম সারাপু ভালোবাসা নিও। আমি তোমার এই ই-বুক টা তোমার কাছে থেকে গিফট পেয়েছিলাম। অনেকদিন হয়েছে বইটি পরে শেষ করেছি কিন্তু ব্যস্ততার কারণে আবার রিভিউ দেওয়ার অপশন কোথায় কেম্নে রিভিউ দেয় তা না জানার ফলে অনেকটাই দেরি হয়ে গেছে।😔🥺 সারাপু তোমার লেখা প্রতি গল্ট ও ই-বুক এই আমার নখদর্পনে তাছাড়া তোমার লেখা দুটো বইয়ের মধ্যে মন পিঞ্জিরায় বইটিও আমার সংগ্রহে আছে আর তুমিবিহীন বইটি এখনো সংগ্রহ করতে পারি নাই কিন্তু ইচ্ছে আছে একদিন সেই বইটাও নিজের করার। সব মিলিয়ে বলতে বাধ্য তুমি বরাবরের মতোই অসম্ভব সুন্দর লেখনী দ্বারা আমাদের মন জয় করে নাও। তোমার প্রতিটি গল্পই আমি বারংবার করে পড়ি তবুও তৃপ্তি নাহি মিটে। তাছাড়া ই-বুক ক্ষেত্রে আমি আরও একটি ভালো দিক খুজে পাই তা হলো তুমি ফেসবুকের কোন গল্প অসমাপ্ত করে আজ অবধি কোন ই-বুক লেখনী। তুমি ই-বুক লেখো ঠিকই তা গল্পের নায়ক-নায়িকাদের নিয়ে দারুণ সুন্দর ভাবে আলাদা আরেকটি গল্প ফুটিয়ে তুলো যা বরাবরই আমার মন ছুঁয়ে যা। অন্যদের কাছে কি রকম লাগে তা জানি না কিন্তু তুমি আমার ভীষণ প্রিয় একজন লেখিকা। ভালোবাসা নিও সারাপু 🫶❤️❤️❤️❤️😘😘(আশফিয়ানূর আশফি)
সুন্দর হয়েছে
Excellent 👌👌👌 গল্পটা পড়ে একদম গল্পের প্রেমে পড়ে গেছি 💗 সবার জীবনে এমন ইজহান আসুক💝💝
অনেক সুন্দর একটা গল্প পড়লাম 🥰❤️ খুবই ভালো লেগেছে পড়ে ☺️ একদম ভালোবাসায় ভরা❤️🥰🥰
প্রথমত এমন একটি গল্প লেখার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। এ পর্যন্ত বেশ কয়েকবার পড়ে ফেলেছি শত ব্যস্ততার মধ্যেও। আপনার লেখা আমার বরাবরই পছন্দ।পছন্দের প্রধান কারন হলো এমন বেপরোয়া নায়ক চরিত্রের জন্য। এই গল্পটি একটু আলাদাভাবে পছন্দের জায়গা করে নেয়ার কারন হলো, এখানে প্রতিটা মেয়ে ঠিক যেমন পুরুষ জীবনসঙ্গী হিসেবে ডিজার্ভ করে ঠিক তেমনভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। এরেন্জ ম্যারেজের যে একটা অনিশ্চিয়তা,আতঙ্ক সেটা যেন অনেকটা শিথিল করে দেয়ার মতো গল্প। বাস্তবতা তো কঠিন, নির্মম।তবুই নির্মমতার মাঝে "অনিয়ন্ত্রিত প্রীতি " এক টুকরো প্রশান্তি। কর্মজীবনের ব্যস্ততা, তীক্ততা এবং ব্যাক্তিগত জীবনের হতাশার মধ্যে যখনই আমি হাবুডুবু খায়। তখনই আপনার গল্পগুলো এই জরাজীর্ণ জীবনে ফিরে আসতে সাহায্য করে। "আমার অনিয়ন্ত্রিত প্রীতি। ইজহান আল আহমাদের একমাত্র উন্মাদনা তুমি, হ্যাজেল। আই'ল প্রোটেক্ট ইউ লাইক এ গুড হাজব্যান্ড। কিন্তু, আমি আমি তোমার ব্লাড রেড ফ্ল্যাগ দেওয়ানা। তোমাকে প্রোটেক্ট করতে যদি আমার সব সীমানা পার করতে হয়, আমি সেসব উড়িয়ে দিবো। আমার গুড গার্ল তুমি, আর আমি তোমার ব্যাড ব্লাড রেড ফ্ল্যাগ হিরো।’ ।" এতটুকু নিরাপত্তা, উম্মাদনা, যত্ন প্রতিটা মেয়ে ডিজার্ভ করে, কিন্তু বাস্তবে পায় কতজন !।মানুষ আসলে কল্পনাতেই সুখী। ধন্যবাদ। দোয়া করি এরকম হাজার গল্প উপহার দিয়ে অসংখ্য প্রাণে প্রশান্তির ছোয়া দিয়ে যান অনন্তকাল।
অনিয়ন্ত্রিত প্রীতি নামটা শুনলেই কেমন প্রবল আগ্ৰহ তৈরি হয় না? গল্পটা হ্যাজেল কুইন এবং তার থ্রিলার নায়ককে নিয়ে ! ই-বইটা গিফট পেয়েছিলাম আপুর গ্ৰুপে টপ কন্ট্রিবিউটার হয়ে! দারুণ লেগেছে আমার কাছে এরা অনেক দিন থাকবে আমার মন মস্তিষ্ক জুড়ে।😭🫶
#রিভিউ #অনিয়ন্ত্রিত_প্রীতি(ই-বুক) #সালসাবিল_সারা প্রথমেই বলি ই-বুক কেনার কাহিনি সবাই জানেন। তাই সেটা আর বললাম না। প্রিয় লেখিকার লেখনী। এই প্রথম লেখিকার অন্য রকমের গল্প লিখলো। ভালোবাসা ছাড়া বিয়ে আরকি। যেটা পরিবার থেকে দেওয়া হয়। কিন্তু পারিবারিক বিয়েও যে এতটা অমায়িক হয় তা জানা ছিল না। এত্ত অসাধারণ লেগেছে। অসম্ভব সুন্দর হইছে গল্পটা। এটার মধ্যে আলাদা একটা অনুভূতি ছিল। গল্পের_কাহিনিঃ গল্পটা মূলত একজন থ্রিলার নায়ক আর একজন হ্যাজেল চোখের সাধারণ মেয়ের। তাদের পারিবারিকভাবে বিয়ে ঠিক করে। নায়ক সাহেব তো মেয়ের ছবি দেখেই প্রেমে পড়ে যায়। তখন থেকেই তো সে তার হ্যাজেল কুইনকে ছাড়া কিছু বোঝে না। কি সুন্দর তার ভালোবাসা। ইশশশশ! আর হ্যাজেল কুইন! সে কিছুতেই রাজি না এমন নায়ক কাউকে বিয়ে করার জন্য। তার ভাবনা নায়করা ভালো হয় না। তাদের চরিত্রে সমস্যা আছে। এখন নায়ক কি তার হ্যাজেলকে পায়? বা হ্যাজেল কি নায়ককে ভালোবাসতে সক্ষম হয়? এটা জানার জন্য আপনাদের পড়তে হবে #অনিয়ন্ত্রিত_প্রীতি(ই-বুক)। #ইজহান_আল_আহমাদঃ নায়ক সাহেব। সে শুধু সিনেমা করে। তাও থ্রিলার!তার ভালোবাসা মা'রাত্ম'ক সুন্দর! এতটা অসাধারণ। আমার পাগল পাগল লাগে। জিন্নাতঃ হ্যাজেল চোখের কুইন। মেয়েটাও অনেক ভালো। আমার তাকে ভালোই লাগে।😌 অন্যান্য_চরিত্রঃ গল্পের সব চরিত্রই আমার অসাধারণ লেগেছে। সবাই ভীষণ অমায়িক। কিন্তু ইজহান এর আম্মুকে আমার অন্যরকম লেগেছে। দুইটা স'য়তা'ন আছে। তাদের কথা আর না বলি! পছন্দের_লাইনঃ ১|"শুধু প্রেমের বিয়েতে স্বামী উ'ন্মাদ হয় না, পারিবারিক বিয়েতেও স্বামীরা বউয়ের জন্য জান কো'রবান করে। শুধু ক্ষেত্রটা হতে হয় স্বামীর প্রেমিক মনের।" ~~ ইজহান আল আহমাদ! ২|--"এখন যদি সামনে থাকতে হ্যাজেল,তোমাকে বুঝাতাম ইজহান তোমার সাথে রোমান্সে কতোটা দেওয়ানা,উ'ন্মাদ,ছন্নছাড়া।" "ইজহান আল আহমাদ" ৩|‘এই একটা হ্যাজেল কুইনই তো আমাকে ক*ন্ট্রোলে থাকতে দেয় না। যখন তখন অ*নিয়ন্ত্রিত করে। আর সেই অ*নিয়ন্ত্রিত প্রীতিতে কুইনটা নিজেকে মুড়িয়ে নেয়। মাই হ্যাজেল, একমাত্র তোমাকে ঘিরে আমার সব ইমোশন, এ*ডিকশন, মা*ত*লামো।’❤️ ~~ইজহান আল আহমাদ! 😩 ৪|‘ইউ আর লুকিং সো মাইন, হ্যাজেল কুইন।' ~ইজহান আল আহমাদ ৫|"আমার অনিয়ন্ত্রিত প্রীতি।ইজহান আল আহমাদের একমাত্র উন্মাদনা তুমি,হ্যাজেল।আই'ল প্রোটেক্ট ইউ লাইক আ গুড হাজব্যান্ড। কিন্তু, আমি তোমার ব্লাড রেড ফ্ল্যাগ দেওয়ানা। তোমাকে প্রোটেক্ট করতে যদি আমার সব সীমানা পার করতে হয়,আমি সেসব উড়িয়ে দিবো।আমার গুড গার্ল তুমি, আর আমি তোমার ব্যাড ব্লাড রেড ফ্ল্যাগ।" ~~ইজহান আল আহমাদ! 😩 ৬|‘লিটল বেবী, আমি রেড ফ্ল্যাগ থেকেও ডিপ। আই’এম ব্লাড রেড ফ্ল্যাগ ওনলি ফর ইউ, মাই ওয়াইফ।’ ~~~ইজহান! রেটিংঃ৫/৫ আহানা!🥀🖤
একটি অসাধারণ গল্প পড়লাম,ভিষণ সুন্দর লিখনী, হালাল সম্পর্ক গুলো কে যদি এভাবে গুরুত্ব দেওয়া হত তাহলে এত বিচ্ছেদ হত না💓💓💓💓💓ভিষণ ভালোবাসা আপি🥰🥰🥰🤤
#রিভিউ #ই-বুক #অনিয়ন্ত্রিত প্রীতি #সালসাবিল_সারা প্রথমেই বলি "অনিয়ন্ত্রিত প্রীতি" ই-বুক জাস্ট দুর্দান্ত হয়েছে।মানে তোমার প্রত্যেকটা রোমান্টিক গল্প থেকে একটা একটু আলাদা মনে হলো।মানে সচরাচর সব গল্প তো প্রেমের বিয়ে,তারপর রোমাঞ্চ,কেয়ার।কিন্তু এই গল্পের আলাদা টুইস্ট দিয়েছো।ইজহান আল আহমেদের মতো এমন চমৎকার, আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্ব যার পেশা চিত্রনায়ক হলে কী হবে এমন সচ্চরিত্র থাকা কিন্তু অতটা সোজা না।এক্ষেত্রে ইজহান নিজের জায়গাটা সবসময় পরিষ্কার রেখেছে,ধরে রেখেছে।আর জিন্নাত বিনতে আহসান যে কিনা খুবই সাধারণ মেয়ে।বাবার পছন্দের ছেলে নায়ক বলে বিয়ে করব না বলে কীভাবে ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে গেল।অবশ্য হবে নাই বা কেন?ইজহানের মতো সুপুরুষ পাওয়া অত সোজা নাকি।এত কেয়ারিং,লাভিং পার্সন কি মেয়ের মন না গলাতে পারে?দেখতে আসার দিনই কেমন সুন্দর করে জিন্নাতের মন জয় করে নিলো।এরপর থেকে তো গল্প কতটা সুন্দর হয়েছে লিখে শেষ করতে পারছি না। সালসাবিল সারা আপু তোমার গল্পের নায়করা সত্যি দুর্দান্ত।ইজহানও তার ব্যতিক্রম নয়।নিজের সমস্ত কিছু দিয়ে কী চমৎকার করে জিন্নাতকে বাঁধিয়ে রেখেছে তার অনিয়ন্ত্রিত প্রীতিতে।ভীষণ সুন্দর হয়েছে আপু।এমন গল্প কিন্তু আরো আশা করছি।এগিয়ে যাও তুমি।আমরা অপেক্ষায় রইলাম।❤️