

‘তোমার চাচা কলেমা পড়তে লাগল আর ইমাম সাহেব চোখ বন্ধ করে ধ্যানের ভঙ্গিতে বিড়বিড় করে দোয়া পড়তে শুরু করলেন। এক সময় চারদিক কেমন গভীর রাতের মতো নিস্তব্ধ হয়ে গেল। চারপাশটা শূন্যতায় ভরে উঠল। যেন সময় থমকে গেছে। সেই শূন্যতার মাঝে কেমন অদ্ভুত অপার্থিব এক ধরনের সূক্ষ্ণ আওয়াজ হতে লাগল। যেন লক্ষ মাছির ভনভনানি। ঘরের বাতাসে ইমাম সাহেবের গায়ের আতরের সুঘ্রাণ ছাপিয়ে উৎকট একটা গন্ধ ছড়িয়ে পড়ল। অনেকটা আগরবাতির তীব্র গন্ধের সাথে মাংস পোড়া ঝাঁঝাল গন্ধ মেশালে যেমন হবে, তেমন। তোমার চাচা কলেমা পড়তে-পড়তে হাত-পা টানটান করে ধীরে-ধীরে যেন ঘুমিয়ে পড়তে লাগল।’ বর্ণনার এই পর্যায়ে চাচির চোখ বেয়ে দু-ফোঁটা পানি গড়িয়ে নামল। তিনি চোখের পানি শাড়ির আঁচল দিয়ে মুছতে-মুছতে বললেন, ‘ইমাম সাহেব ধ্যানমগ্ন অবস্থা থেকে মুক্ত হয়ে বলেন, “উনি মারা গেছেন, ইন্না লিল্লাহে... ওনার দাফন-কাফনের ব্যবস্থা করতে হবে।'
এই বইটা অনেক সুন্দর ।পড়তে অনেক ভালো লাগে। ধন্যবাদ জানাই যারা এই বইটা লিখেছে।
Read all reviews on the Boitoi app
গল্পটা পড়ে মনে হচ্ছে আমার চোখের সামনে ঘটে যাচ্ছে ঘটনা গুলি।এই আধুনিক যুগে যেখানে সব কিছু হাতের মুঠোয় সেই যুগে কজন বই পড়ে?এই যুগে আফজা সার এমন লেখক যার বই পড়তে বসলে অন্য কিছুর কথা মনে থাকে না।