

রুদ্র গম্ভীর স্বরে বলল, আমার মনে হয় এই ছুরিটাই খুনের অস্ত্র। ঠিক সেই মুহূর্তে, ঘরের পেছনের দিকের একটা দরজা ক্যাঁচ করে খুলে গেল। টর্চলাইটের আলো সেই দিকে ফেলতেই রুদ্র আর শুভ দেখলো একটা আবছা মূর্তি দাঁড়িয়ে আছে দরজার ওপাশে। মূর্তিটা নড়াচড়া করছে না, শুধু অন্ধকারে স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তাদের হৃৎস্পন্দন যেন থেমে গেল। ভয় তাদের শরীর জুড়ে হিমেল স্রোতের মতো বয়ে গেল। তারা বুঝতে পারছিল না ওটা কি কোনো মানুষ, নাকি তাদের মনের ভুল। ধীরে ধীরে মূর্তিটা নড়তে শুরু করলো, আর একটা চাপা গোঙানির শব্দ ভেসে এলো অন্ধকার থেকে!” অন্ধকারে দাঁড়িয়ে থাকা আবছা মূর্তিটা ধীরে ধীরে ঘরের ভেতরে প্রবেশ করতে শুরু করলো। টর্চলাইটের আলোয় তার অস্পষ্ট অবয়ব আরও রহস্যময় লাগছিল। শুভ ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে রুদ্রর হাত আরও শক্ত করে ধরল। কে কে ওখানে? রুদ্রের গলাও সামান্য কেঁপেছিল। মূর্তিটা কোনো উত্তর দিল না। শুধু একটা চাপা গোঙানির শব্দ ভেসে আসছিল তার দিক থেকে। মনে হচ্ছিল যেন কেউ যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে। ধীরে ধীরে মূর্তিটা আলোর আরও কাছে এগিয়ে এলো, আর রুদ্র ও শুভ যা দেখল, তাতে তাদের রক্ত হিম হয়ে গেল।