

কোমড় অব্দি কোকড়া চুল, উজ্জ্বল শ্যামলা আর গালে টোল পরা হাসির মিষ্টি মেয়ে বিপাশা ডিসুজা ডিবি লটারি পেয়ে স্বপ্নের দেশ আমেরিকা যায়। আমেরিকায় গিয়েই ওর নজরে আসে একটা সুদর্শন ছেলের দিকে, অনেকটা নায়ক টম ক্রুজের মতো দেখতে। তুমি সুন্দর, তাই চেয়ে থাকি, ভাব নিয়ে বিপাশা তাকিয়ে দেখতে গিয়ে বার কয়েক উপলব্ধি করে ছেলেটাও ওকেই দেখছে। চার্চে গিয়ে আবার দেখা হয়ে যায়, লক্ষ্য করে ছেলেটা ওর দিকেই তাকিয়ে আছে। একটা হার্টবিট মিস হয়ে যায় ওর। ভাবে, এত সুন্দর, সুন্দর, সুন্দর বিদেশীনি রেখে ওকে নজরবন্দী করার কি কারণ? ইন্ডিয়ান মেয়ে পুজা হেসে বলে, এই বিদেশীদের একটাই ধান্দা আর তা হল রুম ডেটিং। এদের কাছে প্রেম ভালোবাসা মানে... বিপাশা ঠোঁট উল্টে দেয়, ছি: তাই বুঝি? এশিয়ান মেয়েরা এত সস্তাও নয়। আসলেই কি তাই? বিপাশার সাথে কি ছেলেটার আবার দেখা হয়? দুই দেশের দুই সংস্কৃতির মানুষের মধ্যে আশ্চর্য সুন্দর সম্পর্কের গল্প। অসম্ভব সুন্দর একটা মিষ্টি গল্প "আমি হব কথা।" আমার নিজের অনেক পছন্দের, অনেকটা হাওয়াই মিঠাইয়ের মতো। সত্যি। পড়া শেষ করে আপনিও বিরবির করবেন, "ইশ, কি মিষ্টি।"
"একদম পারফেক্ট একটি শিরোনাম। বাকহীন প্রেমিকের জন্য প্রেমিকার শ্রেষ্ঠ আবদার 'আমি হবো কথা'। বাবা মা হীনা বিপাশা বড্ড অবহেলায় বড় হয়েছে মামার কাছে। ডিভি লটারীর সৌভাগ্যে আমেরিকা প্রবাসী হয়ে সবার কাছে হয়ে গেল মহামূল্যবান। বড় স্বার্থপর জগতটা। সেখানে পরিচয় জ্যাকের সাথে। দুজনের মনের মিল হলো কিন্তু মূল্যবোধের যে বিস্তর ফারাক। লিলিয়ানের সাথে লিভ ইন রিলেশনে ছিল জ্যাক। যেখানে বিপাশা প্রেমিকের হাতটা ধরতে দিতেও নারাজ। কাকে বেছে নেবে বিপাশা? জ্যাককে - যার ভালেবাসায় কোনো সন্দেহ নেই, কিন্তু ভার্জিন নয় নাকি অভ্রকে যার মুখে ভালোবাসা শোনার জন্য একটা সময় কত ছটফট করেছে বিপাশা? নায়ক হবে বৈদেশী এমন একটা প্লটের গল্প পড়ার খুব ইচ্ছে ছিল। সেটা পূরন হলো। মিষ্টি মধুর রোমান্টিক একটি গল্প।"
একদম পারফেক্ট একটি শিরোনাম। বাকহীন প্রেমিকের জন্য প্রেমিকার শ্রেষ্ঠ আবদার 'আমি হবো কথা'। বাবা মা হীনা বিপাশা বড্ড অবহেলায় বড় হয়েছে মামার কাছে। ডিভি লটারীর সৌভাগ্যে আমেরিকা প্রবাসী হয়ে সবার কাছে হয়ে গেল মহামূল্যবান। বড় স্বার্থপর জগতটা। সেখানে পরিচয় জ্যাকের সাথে। দুজনের মনের মিল হলো কিন্তু মূল্যবোধের যে বিস্তর ফারাক। লিলিয়ানের সাথে লিভ ইন রিলেশনে ছিল জ্যাক। যেখানে বিপাশা প্রেমিকের হাতটা ধরতে দিতেও নারাজ। কাকে বেছে নেবে বিপাশা? জ্যাককে - যার ভালেবাসায় কোনো সন্দেহ নেই, কিন্তু ভার্জিন নয় নাকি অভ্রকে যার মুখে ভালোবাসা শোনার জন্য একটা সময় কত ছটফট করেছে বিপাশা? নায়ক হবে বৈদেশী এমন একটা প্লটের গল্প পড়ার খুব ইচ্ছে ছিল। সেটা পূরন হলো। মিষ্টি মধুর রোমান্টিক একটি গল্প।
Read all reviews on the Boitoi app
অনেক ভালো লেগেছে পড়ে ☺️ এতো সুন্দর লেখনীর একটা বই ফ্রিতে পড়তে পারার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য লেখিকা আপুকে ধন্যবাদ 🥰
অসম্ভব সুন্দর গল্প ❤️❤️
সুন্দর ছিলো তবে কেমন যেনো একটা লেগেছে। কিছু জায়গায় মনে হচ্ছিল শএধুই গড়গড় করে পড়ে যাচ্ছি, সেগুলোতে কোনো অনুভূতি পাচ্ছি না। লেবুপা তোমার লেখা যেটা পড়েছিলাম সেটার তুলনায় এটা আমার ওতো ভালো লাগেনি। তবে সুন্দর ছিলো। আমি ইচ্ছা পোষণ করেছি এবার ইশারা ভাষা শিখে ফেলবো তবে বাংলা ইশারা ভাষা।
ইবুক রিভিউ নাম: আমি কথা হবো লেখিকা: কাজী জেবুন্নেসা দৃশ্যপটে গল্পের শুরুটাই হয় এক দেশ থেকে অন্য দেশে যাওয়া এক নারী বিপাশাকে দিয়ে।নিজের জীবিকা নির্বাহ করার জন্য এসে অন্য দেশে ঘাঁটি গেড়েছিল। প্রথমেই ইবুকের নাম দেখে খানিকটা অদ্ভুত লেগেছিল কিন্তু অনুভব করতে পারছিলাম যে নামের সঙ্গে গল্পটার বেশ মিল থাকবে। বিপাশা : প্রথম ভালোবাসা বলতে নিজের কিশোরী বয়সে একজনকে ভালোবাসে কিন্তু সেই মানুষটা ওর ভালোবাসার কদর করে নি কখনো। এর ফলে আস্তে আস্তে ভালোবাসা হয় তেমন আর নিজেকে জড়ায়নি সে।আস্তে আস্তে সবার থেকে আলাদা করে নেয়। মা-বাবা হীন বড় হয় নিজের মামা মামীর বাড়িতে। সেখানেও অত্যাচার হয় মামীর কাছে প্রতিটি কথায় থাকে হীনমন্যতা দেখানো হয়েছে। কিন্তু যখন অন্য দেশে এস আসে সেখানে শুরু হয় এক সন্তানহীন পরিবারের সাথে থাকা।এত তার নিজেরই পরিবার হয়ে উঠেছিল এবং সেখানে আরেক চরিত্র জ্যাক। এখন যে ভালোবেসে ফেলেছিল এই ভাষাহীন ছেলেটাকে। কথা বলতে না পারা যে কতটা দুর্বলতা সেটাকেও সে মেনে নিয়ে এই ছেলেটার প্রতি অসীম ভালোবাসা বুকে পুষে রেখেছিল। নিজেকে যথাসম্ভব আত্মসম্মানী হিসেবে রেখেছিল সে।বিশেষ করে তার এই আত্মসম্মানের জন্যই এই চরিত্রটাকে অসম্ভব ভালো লেগেছিল আমার। জ্যাক ; ও বিদেশের কালচারে বড় হওয়া এক ছেলে যার নিজের মা-বাবা না থাকার কারণে সে নিজেকে সব সময় সবার থেকে আলাদা করেই রেখেছিল। বিপাশার প্রতি করা সব যত্নই ভালো লেগেছে কিন্তু যখন জানতে পারলাম যে ওর একটা মেয়ের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল সে সময় আমার বড্ড খারাপ লেগেছে। তাছাড়াও ওই মেয়েটার সঙ্গে ওর লিভ ইন ছিল অর্থাৎ বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক। অন্য দেখি এই ধরনের সবকিছু সাধারন হলেও আমাদের দেশে এমন কোন কিছুই নেই। কিন্তু লেখিকা শুধু নামই লিভ ইন কথাটা লিখেছেন। তাছাড়া কোন ধরনের বর্তমান রগরগে বর্ণনা দেননি এগুলো। যখন বিপাশার বিয়ে ঠিক হয়ে গিয়েছিল অদৃির সঙ্গে সেই সময় ওর কতটা কষ্ট হয়েছিল এবং যখন বিপাশা ওকে ইগনোর করছিল ওর অভিমানটা বেশি ভালো লেগেছে। বিপাশার মামা মামি: মানুষ যে কতটা স্বার্থান্ধ এবং লোভী তা এই দুটো চরিত্রকে দেখলে বারবার উপলব্ধি করা সম্ভব। নিজের স্বার্থের কারনে বারবার বিপাশার কাছে হাত পাতা এমন কি নিজেদের কাজে ওকে ব্যবহার করা দেখলেই মেজাজ গরম হয়েছে। এমনকি নিজেকে স্বার্থের জন্য যে ছেলেটা ওকে অপমান করেছে সেই ছেলে তাই ওকে বিয়ে করতে চেয়েছে। সবশেষে সব মামা মামী এমন নয় কিন্তু বর্তমান বাস্তব সমাজের বেশিরভাগ মামা মামীর প্রতিচ্ছবি এই দুইজনের মধ্যে। অদ্রি: ভাই এই ছেলে কি দিয়ে তৈরি এখন নির্লজ্জ আমি দুইটা দেখিনি। যখন বিপাশা পছন্দ করত তখন ওকে কুত্তার মতো দূর ছাই দূর ছাই করেছে। আর যেই বিপাশা অন্য দেশে এত বড় একটা চাকরি পেয়ে গেল সেই নির্লজ্জের মত লেজ নাড়াতে নাড়াতে ওর পেছন পেছন এসেছে। এটাই কথা সমাজে মেয়েদেরকে প্রতিষ্ঠিত হতে হবে কিংবা চাকরি করতে হবে নইলে আজীবন কিছু কুলাঙ্গারের পায়ের নিচে থাকতে হয়। যেমন এই অদ্রি যদি বিপাশা আর চাকরি না করতো, তাহলে এই ছেলে ওকে কখনো বিয়ে করতে চাইতো না। রহমান দম্পতি : এই জুটিটা নিয়ে যতই বলি তাকে ততটা কম হয়ে যাবে আমার। কত সুন্দর করে বিপাশা কে আঁকড়ে রেখেছিল এই মানুষ দুটো আবার ভাবলেই কেমন অদ্ভুত লাগে আলাদা শিহরণ জাগে। ভিন্ন দেশে বেঁচে থাকার জন্য আলাদা এক অনুপ্রেরণা বিপাশার এই মানুষ। অবশেষে জ্যাক ও বিপাশা : ওদের দাম্পত্য জীবন নিয়ে আরো অনেকখানি গল্প চাই এতটুকুতে আমার মন আর পেট কোনটাই ভরেনি। দরকার পড়লে লেখিকাকে অনুরোধ যে পেইজে ওদেরকে নিয়ে একটু ছোট্ট টুকরো অংশ দেওয়া হোক। ওদের কুটু কুটু বাচ্চা দুটোকে এত ভালো লেগেছে বড্ড আদর ওরা। আর জ্যাক যতটা ভালোবেসে আগলে রাখতে চেয়েছিল বিপাশাকে তার থেকেও অনেক গুন আদরে রেখেছে।
##বুক #রিভউ ই - বুক : আমি হব কথা লেখিকা: কাজী জেবুন্নেসা রিভিউ লেখক : রানিয়া ছোট বেলায় মা - বাবাকে হারানো বিপাশা মামা বাড়ি অযন্তে বড় হয়েছে। তার জীবনে ভালোবাসা দেওয়া তো কোনো মানুষ ছিলো না। হঠাৎ করে তার ভাগ্য নতুন কিছু যোগ হলো বিডি লটারি জিতে সে আমেরিকা যাওয়া সুযোগ পেল। এখানে গিয়ে কোথায় থাকতে এই খোঁজ করতে করতে আর স্কুলের এক স্যারের খোঁজ পেলো যাদের ছিলো না কোনো সন্তান। আমেরিকা গিয়ে তাদের সাথে কথা শুরু করলো বিপাশা। তার তাকে নিজের সন্তানের মতোই যন্ত করলে লাগলো। সেখানেই তার পরিচয় হয় বাক ও প্রবণ প্রতিবন্ধী জ্যাকের সাথে। জ্যাক ছিলো জারুজ সন্তান। যারা তাকে কুড়িয়ে পেয়ে মানুষ করে তাও কিছু দিন পর একটা দুর্ঘটনায় মারা যায়। তারপর তার বড় হওয়া অনাথ আশ্রমে। দু'জন দুজনকে ভালোবোসে ফেলে। তার অনেক সমস্যা আর টানা পোড়ানের তাদের বিয়ে হয়।