

অরণ্যের মনে হলো, প্রশ্ন করা উচিত—“আমাকে সাহায্য করলেন কি ভালো সাজের উদ্দেশ্যে?” সন্ধ্যা সোজাসুজি জবাব দেয়, “আঁধার থেকে কিছু দিনের জন্য মুক্তি দেওয়ার উদ্দেশ্যে।” কিছু মুহূর্ত চুপ থাকল অরণ্য। ভারী ভারী কথা তার মস্তিষ্ক তৎক্ষণাৎ প্রক্রিয়াজাত করতে পারে না—সন্ধ্যার কথা তো একেবারেই না। অরণ্য আবার পা বাড়িয়ে ফিরে আসে। বলে, “নিজের সব ডকুমেন্ট সঙ্গে নেবেন।” “কেনো জানতে পারি?” “আপনি আমার সঙ্গে অস্ট্রেলিয়া যাচ্ছেন।” “আপনি তো সেটা চান না।” “এখন চাই।” “কারণ?” “আমি যতটুকু জানি, আপনি পড়ালেখা জানেন। গ্র্যাজুয়েট। আমি আপনার ভবিষ্যৎ গড়তে সাহায্য করব। বিনিময়ে মুক্তি চাইব।” সন্ধ্যা চোখ নামিয়ে কয়েকবার পলক ফেলে। তারপর বলল, “ডিভোর্স?” অরণ্য এই প্রশ্নের কোনো জবাব দিল না। শুধু বলল, “আসি।”
"চমৎকার লিখেছেন আপু।ফেইসবুকের চেয়ে এই এই ইবুকের গল্পটায় অনেক ভালো লেগেছে। বাড়তি কোনো সংলাপ বা বাক্য নেই। সন্ধ্যাতারা চরিত্রটি ঠিক যতটা সুন্দর অরণ্য চরিত্রটি ঠিক ততটায় সুন্দর। অরণ্যের সহজ স্বীকারোক্তি ভালো লেগেছে। সহজ সরল সুন্দরভাবে আরো একবার মোহমুক্তি আমাদের কাছে নিয়ে আসার জন্য আপুকে ধন্যবাদ।❤️"
অনেক অনেক সুন্দর একটা গল্প💕
Read all reviews on the Boitoi app
চমৎকার লিখেছেন আপু।ফেইসবুকের চেয়ে এই এই ইবুকের গল্পটায় অনেক ভালো লেগেছে। বাড়তি কোনো সংলাপ বা বাক্য নেই। সন্ধ্যাতারা চরিত্রটি ঠিক যতটা সুন্দর অরণ্য চরিত্রটি ঠিক ততটায় সুন্দর। অরণ্যের সহজ স্বীকারোক্তি ভালো লেগেছে। সহজ সরল সুন্দরভাবে আরো একবার মোহমুক্তি আমাদের কাছে নিয়ে আসার জন্য আপুকে ধন্যবাদ।❤️
তীব্র ভালো লাগার গল্প, কষ্ট যন্ত্রণা শেষে পাওয়ার তীব্র ইচ্ছা... ভীষন ভালো গল্প
কোনো এক বৃষ্টিভেজা সন্ধ্যায় সে মুক্তি দিতে চেয়েছিল। কিন্তু তার সেই মুক্তি গ্রহণ করা হয় নি।
ভীষণ সুন্দর 💙।প্রথমে ফেইসবুকে পড়লাম,আর এখন এখানে।অয্যাহ সূচনা বরাবরই সুন্দর লেখেন। সন্ধ্যা কে কতটুকু অনুভব করতে পেরেছি জানিনা,তবে এমন একটা ক্যারেক্টার সবসময়ই মনে থেকে যাবে। যেমনটা থেকে গেছে তার সৃষ্টি করা একটি অসম্ভব সুন্দর ও বিষাদময় চরিত্র লিয়ানা। অনেক অনেক ভালোবাসা সূচনা আপু❤️
সন্ধ্যা বরাবরই আমার প্রিয় চরিত্র। কারন আমাদের মত যারা শ্যামলা, কালো তারা সত্যি কারও না কারো কাছে কটুক্তির শিকার হয়। কিন্তু অনেকে ভেঙে পরি।কিন্তু সন্ধ্যার চরিত্র থেকে অনেক কিছুই শেখা যায়। মোহমুক্তি অসাধারণ একটা গল্প 💖💖💖💖💖 সন্ধ্যার মত যদিও শ্যামলা হওয়াতে জীবনসাথীর কাছ থেকে কোন প্রকার কটুক্তি পায়নি আজ অব্দি কিন্তু অনেকেই বলেছে যা আমি খুবই সুক্ষ্ণভাবে এড়িয়ে গেছি ❤️❤️❤️এই গল্পটা পড়ে নিজের জীবনের সাথে মিল পায় অনেক টাই। আপু আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এত সুন্দর করে লিখার জন্য 💖💖💖💖💖💖💖💖💖💖
অসম্ভব চমৎকার একটি গল্প। আমাদের সমাজে সন্ধ্যার মত অনেকেই আছে যারা আঁধারে নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখে কিন্তু আলোতে আসতে তাদের শত সংকোচ। মানুষে কটুক্তি তাদের এতটা অনুভূতি শূন্য করে দিয়েছে যে তারা নিজেদের অনুভূতি নেই এই ভেবে কিছু অনুভব করতে পারে না। সূচনা আপুর লেখা নিয়ে প্রশংসা যতই করি কম হবে। মোহমুক্তি আমার এত সুন্দর পছন্দের। সন্ধ্যার জীবনের ঘটে যাওয়া কিছু পরিস্থিতি নিজে নিজে ফেস করায় ওর অনুভূতির সাথে একদম মিশে গেছি। অরণ্যরা সন্ধার জীবনে আসে কিন্তু অনুভূতি উপলব্ধি হয় দেরি করে। সন্ধ্যার হয়তো শত বর্ষ ধরে অনুভূতি থেকে দূরত্ব ছিল বলেই অরণ্যের অন্যায়রা মাফ পেল। কিন্তু একটা সাধারন মেয়ে থাকতো যে অনুভূতিতে প্রতিনিয়ত দগ্ধ হচ্ছে সে কি ক্ষমা করতো? ছেলের ভালোর জন্য জাহানারা বেগম বিয়ে দিলেন। কিন্তু অরণ্যর সব ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ সন্ধ্যা একাই সহ্য করল। লেখার মধ্যে এত্ত ডুবে ছিলাম। ঘোর লাগা একটা গল্প। ধন্যবাদ এত সুন্দর একটা গল্প উপহার দেওয়ার জন্য এবং আপুর জন্য দোয়া রইল। ❤️
এত্ত সুন্দর, এত্ত সুন্দর আর কি বলবো আমি আবারো সন্ধ্যার উপর ফিদা 🥹
এত সুন্দর! ইশ আমি তো ৩য় বারের মত একজন ফিমেইল লিড এর প্রেমে পড়ে গেলাম! উফফফ সন্ধ্যা আমাকে কি কাদিয়েছে আহ! এত মন ছুয়ে গেছে এই ই বুক টা অরণ্যর মন থেকে চোখের পানি ফেলে ক্ষমা চাওয়া টা তে আমি নিজেই স্তব্ধ হয়ে গেছি! আর সন্ধ্যা কে অদৃশ্য এক টা জোর আলিঙ্গন দিয়েছি! ❤️
অসাধারণ ব্যক্তিত্বের একজন হলো সন্ধা।আমি তার মত চরিত্র কখনোই দেখিনি।সন্ধ্যা অনুভূতিহীন কিন্তু আমি তাকে প্রবলভাবে অনুভব করেছি।