

এক জুম্মার দিনের বিকেলবেলার প্রিয়ন্তীর মায়ের বান্ধবীর ছেলে ইমরানের সাথে আচমকাই বিয়ে হয় তার। বিয়ের ২ ঘণ্টা আগেও তারা জানতো না তাদের বিয়ে হচ্ছে। একপ্রকার ধর তকতা মার প্যারেক ধরনের হুট করেই বিয়ে হয় দু'জনার। কিন্তু প্রিয়ন্তীর মনে বসবাস আরেকজন। বাবাকে অনেক বেশি ভালোবাসে বলে মুখ ফুটে নিজের পছন্দের কথা বলতে পারেনি সে। বরং বাবার পছন্দ করা ইমরান ভাইকে বিয়ে করতে হয়েছে। অন্যদিকে ইমরান জানেই না তার বিয়ে করা বউ আরেকজনকে ভালোবাসে। সেই খবর জানার পর কি করবে সে? বিয়ে তো হয়ে গেল, কিন্তু তারপর কি হবে? দু'জনের একসাথে থাকা হবে নাকি আলাদা হয়ে যাবার সিদ্ধান্ত নেবে তারা? আর কীইবা প্রয়োজন ছিল এমন হুট করে বিয়ে দেয়ার? সব প্রশ্নের উত্তর আছে প্রণয়োপাখ্যানে।
"বরাবরের মতো চমৎকার লেখনী উপহার দেওয়ার জন্য অনেক অনেক শুকরিয়া লেখিকাকে।একটা মেয়ে তার নিজের লাইফ পার্টরারের মধ্যে যখন তার বাবার প্রতিচ্ছবি খুঁজে পাই তখন সে সত্যিই ভাগ্যবতী মনে করে নিজেকে। ইমরান চরিত্রটা ভীষণ ভীষণ সুন্দর। তোমার লেখনীর মধ্যে একটা চমৎকার গুণ হচ্ছে পরিবারের সদস্যদের বন্ডিং চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারো। যেটা বরাবরই তোমার গল্পটাকে একটা অন্যমাত্রা এনে দেয়। তোমার পরবর্তী ই-বুকের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় রইলাম এবং তোমার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল। ভালোবাসা রইল মিষ্টি ইতু আপুর জন্য। ❤️"
অনেক সুন্দর হয়েছে
Read all reviews on the Boitoi app
আপু অসম্ভব সুন্দর হইছে,তোমার লিখা পরে প্রতিবারই মুগ্ধ হতে বাধ্য হই❤️
খুব ভাল লেগেছে বই টা
এভাবেও ভালোবাসা যায়? এতো সুন্দর একটা গল্প আমাদের উপহার দেওয়ার জন্য লেখিকা আপাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। ইমরান শেষ মেশ তার জীবনে একটা ভালোবাসা পেলোই তার একান্ত প্রিয়জনকে পেলো,যার সাথেই তার ভবিষ্যৎ। প্রিয়তার মতো প্রতিটি মেয়েই চায় তাদের জীবন্সনঙী যেনো তার বাবার মতো হয়, বাবার মতো আগলে রাখে। তার এই আশা পূরণ করতেই হয়তো তার জীবনে ইমরানের আগমন। প্রিয়ন্তির বাবা ও তার এই নিস্বার্থ ভালোবাসা ইমরান ও তার মায়ের মধ্যকার এই বন্ধুত্ব আমাকে মুগ্ধ করেছে। আর এই গল্পের চমৎকার একটা দিক না বললেই নয় দুনিয়ার সব থেকে পবিত্র এবং হালাল একটা সম্পর্ক হলো বিয়ে। এই পবিত্র বন্ধনে আবদ্ধ হয়েই তারা ভালোবাসা উপলব্ধি করতে পেরেছে। তাদের জীবন পূর্ণতা পেয়েছে। সর্বোপরি, অনেক অনেক অনেক সুন্দর একটা গল্প। এখন কষ্ট লাগছে যে ইশসসস ওদের তো জীবনের নতুন অধ্যায় সবে শুরু হলো আরো একটু ওদের ভালোবাসা-বাসি দেখতে পারলে কতোই না ভালো হতো।
বরাবরের মতো চমৎকার লেখনী উপহার দেওয়ার জন্য অনেক অনেক শুকরিয়া লেখিকাকে।একটা মেয়ে তার নিজের লাইফ পার্টরারের মধ্যে যখন তার বাবার প্রতিচ্ছবি খুঁজে পাই তখন সে সত্যিই ভাগ্যবতী মনে করে নিজেকে। ইমরান চরিত্রটা ভীষণ ভীষণ সুন্দর। তোমার লেখনীর মধ্যে একটা চমৎকার গুণ হচ্ছে পরিবারের সদস্যদের বন্ডিং চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারো। যেটা বরাবরই তোমার গল্পটাকে একটা অন্যমাত্রা এনে দেয়। তোমার পরবর্তী ই-বুকের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় রইলাম এবং তোমার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল। ভালোবাসা রইল মিষ্টি ইতু আপুর জন্য। ❤️
আপনার লেখা সবসময় দারুণ হয়। খুব ভালো লাগলো।
আপু তোমার লেখা সব সময় মুগ্ধ করে পড়ে অনেক ভালো লাগলো