

মাইশার চোখে জমেছে নদীর মতো কান্না। হারিয়ে যাওয়া এক গহনার জন্য তার জীবনের চৌকাঠে নেমে এসেছে ভাঙন। স্বামী, সংসার—সব কিছু হারিয়ে সে আজ পথে বসার দ্বারপ্রান্তে। মেয়েটি এতিম। তিন কূলে কেউ নেই। কোথাও যাওয়ার মতো কোনো আশ্রয় নেই। পড়াশোনার অভাব, জীবনের অনিশ্চয়তায় সে পুরোপুরি ঘেরা। তখনই সামনে আসে নাইমা—এক তরুণী ছাত্রী, যে বাড়িয়ে দেয় সহানুভূতির হাত। কিন্তু নাইমা জানে না, এই অনুসন্ধান কেবল একটি হারানো জিনিসের গল্প নয়— এই যাত্রা তাকে ছুঁয়ে যাবে জীবনের সবচেয়ে গভীর প্রশ্নে: কে অপরাধী, আর কে নির্দোষ? ভালোবাসা কি প্রমাণ চায়? সবকিছুর পরেও কি সম্পর্ক টিকে থাকতে পারে? মাইশার জীবনের গল্প কি কোনোদিন পূর্ণতা পাবে? নাকি অন্যের জীবনস্রোতে ভেসে যেতে যেতে সে হারিয়ে ফেলবে নিজের অস্তিত্ব?
"বইটা সকালেই কিনলাম। টানা পড়ে শেষ করলাম! এতো সুন্দর, এতো গভীর, এতো রহস্য নিয়ে মানুষ এভাবে লিখতে পারে! কি আশ্চর্য! আমি মোটেও ভাবতে পারিনি ঘটনা কোথা থেকে কোথায় যাবে! লেখিকা ই একজন ডিটেকটিভ! দারুণ চৌকস! মাশা-আল্লাহ বারাকাল্লাহ গতকাল ফেসবুকের অন্যপ্রকাশ গ্রুপে আপু এই ই-বুকের একটু দিলেন। পরে রাতেই বইটই অ্যাপে দাম টাম দেখলাম। সামান্য টাকা আছে নগদ একাউন্টে। রাতে না কিনে রেখে দিলাম। পরে আবার ভাবলাম 'বই কিনে কেউ দেউলিয়া হয় না'... তাই সকালেই কিনে ফেললাম। পড়ে শেষ করলাম! একটা ইচ্ছে থেকে গেল- নাইমা আর রোহানকে নিয়ে আরো জানতে! ওদেরকে বিয়ে দিয়ে দিলে আমার বেশ ভালো লাগতো! অদৃশ্য সুতোর টান- কিছু প্রেম, কিছু বিষাদ, কিছু অপরাধ, কিছু রহস্য... সবমিলিয়ে হেব্বি গর্জিয়াস! পাঠকদের প্রতি পড়ার দাওয়াত রইলো... আর ভালোবাসা জানবেন লেখিকা আপু💚"
বইটা সকালেই কিনলাম। টানা পড়ে শেষ করলাম! এতো সুন্দর, এতো গভীর, এতো রহস্য নিয়ে মানুষ এভাবে লিখতে পারে! কি আশ্চর্য! আমি মোটেও ভাবতে পারিনি ঘটনা কোথা থেকে কোথায় যাবে! লেখিকা ই একজন ডিটেকটিভ! দারুণ চৌকস! মাশা-আল্লাহ বারাকাল্লাহ গতকাল ফেসবুকের অন্যপ্রকাশ গ্রুপে আপু এই ই-বুকের একটু দিলেন। পরে রাতেই বইটই অ্যাপে দাম টাম দেখলাম। সামান্য টাকা আছে নগদ একাউন্টে। রাতে না কিনে রেখে দিলাম। পরে আবার ভাবলাম 'বই কিনে কেউ দেউলিয়া হয় না'... তাই সকালেই কিনে ফেললাম। পড়ে শেষ করলাম! একটা ইচ্ছে থেকে গেল- নাইমা আর রোহানকে নিয়ে আরো জানতে! ওদেরকে বিয়ে দিয়ে দিলে আমার বেশ ভালো লাগতো! অদৃশ্য সুতোর টান- কিছু প্রেম, কিছু বিষাদ, কিছু অপরাধ, কিছু রহস্য... সবমিলিয়ে হেব্বি গর্জিয়াস! পাঠকদের প্রতি পড়ার দাওয়াত রইলো... আর ভালোবাসা জানবেন লেখিকা আপু💚
Read all reviews on the Boitoi app
গল্পটা ভীষণ ভালো লেগেছে, একদম মনটা ফ্রেশ হয়ে গেলো। তবে শেষের দিকে মন খারাপ হয়ে গিয়েছে, মনে হচ্ছিলো লেখিকা আরও একটু লিখতেন আমি আরেকটু পড়তাম🥹
সেরা একটা উপন্যাস ছিল।
খুবই চমতকার, প্রাঞ্জল একটি উপন্যাস। লেখিকার উপস্থাপনা দারুন। লেখিকা মানালের ফ্যান আমি অনেক আগে থেকেই। ফেসবুকে মোটামুটি সবগুলো লেখাই পড়েছি। বই কিনে পড়লাম এই প্রথম। শুভকামনা রইলো।
ভালো ছিল...
একবার পড়েই দেখুন, আশা করি ভালই লাগবে
Interesting & engaging story...sumona is a love...
এই বইটা পরে অনেক ভালো লাগছে,, আশা করি আপনাদের কাছেও ভালো লাগবে🌸
খুব সুন্দর গল্পঃ। পড়ে মন জুড়িয়ে গেলো।অনেক অনেক সুন্দর।
অসম্ভব সুন্দর একটা গল্প। গল্পের নায়িকা হিসাবে মাইশাকে দেখানো হলেও নাইমা চরিত্রটা গল্পের কেন্দ্র বিন্দু হিসাবে বেশ শক্তপোক্ত। মেধাবী তরুণী জটিল বিষয়ে সমাধানে পারদর্শী, সাহসী এবং শান্ত চিন্তাচেতনার। ঠান্ডা মাথায় সবকিছু খুব গুছিয়ে ভাবতে পারে। গল্পের শুরু হয় মাইশার সাথে ফাহিমের তালাকের সিদ্ধান্ত থেকে। শাশুড়ির সোনার হার হারিয়ে ফেলার অপরাধে তার বিচ্ছেদ হবে। স্বামী হিসাবে ফাহিমের ভূমিকা বেশ চমকপ্রদ। প্রথম দিকে সে নিরব ছিল। তারপর হুট করেই স্ত্রী পক্ষে চলে আসে। ব্যাপারটা এত ভালো লেগেছে বলে বোঝাতে পারব না। মাইশার চিঠি এবং ডাইরি যেমন করে ফাহিমের মন ভেঙেছে, তেমন করে আমার মনও ভেঙে দিয়েছিল। মনে হচ্ছিল মাইশার মত মেয়ে এমন কাজ করতে পারে না। তবে হাতের লেখা, চিঠির কথা এবং মাইশার কাজকর্ম দেখে অবিশ্বাস করার উপায় ছিল না। শেষ পর্যন্ত পড়তে ভয় কাজ করছিল। ভেবেছিলাম শেষটা মনমতো হবে না৷ বিরক্ত লাগবে৷ কিন্তু আমি ভুল ছিলাম। শেষটা অসম্ভব সুন্দর। কয়েকটা লাইন পড়ে খুব হেসেছি। সুমনা চরিত্রটা সুন্দর। স্বচ্ছ আচরণের মেয়ে মানুষ। লেখিকাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এমন সুন্দর একটা গল্প উপহার দেওয়ার জন্য। টাকা দিয়ে কিনে পড়া গল্প মনমতো না হলে খুব বেশি খারাপ লাগে, বিরক্তিকর অনুভূতি। তবে এই গল্পের ব্যাপারে তেমন হয়নি। মনে হয়েছে আমার পয়সা উসুল হয়ে গেছে। সবকিছু মিলিয়ে ভালো ছিল। লেখিকার জন্য শুভ কামনা এবং ভালোবাসা।