

দুই জগৎ, দুটি সত্য, দুটি চেতনার ধারা—একদিকে পৃথিবীর নিঃসঙ্গতা, ভাঙাচোরা সংযোগ, আর অন্যদিকে থারনানদের একত্র চেতনার প্রবাহ—এই দুইয়ের মাঝখানে সে দাঁড়িয়ে আছে। সে বুঝতে পারে, এই ডাক শুধু জাগতিক রহস্যের নয়, এটা একটা প্রস্তাব—একটি পথচলার আমন্ত্রণ, যেখানে অনুভব আর উপলব্ধির মধ্যকার দেয়াল ভেঙে ফেলার চেষ্টা করা যায়। আলো নেমে আসে। চারপাশে ছায়াগুলো হালকা নড়ে ওঠে। চেতনার কেন্দ্র তার দিকে খোলা হয়, কিন্তু এবার নতুনভাবে—এবার তা একপাক্ষিক নয়, বরং পারস্পরিক। আয়মানের চোখ খুলে যায় বাস্তব ঘরে। জানালার ফাঁক দিয়ে নতুন দিনের আলো আসছে। সেই অদ্ভুত ডিম্বাকৃতি বস্তুটি এখন নিস্তরঙ্গ, কিন্তু তার ভিতর যেন এক নীরব দীপ্তি স্থির হয়ে আছে। সে জানে, সবকিছু বদলে যাবে—তবে এবার তার নিজের ছন্দে, নিজের ভাষায়।