

উচ্চাভিলাষী ঝিলিক তার আট বছর বয়সী মেয়ে নুসরাতকে নিয়ে গৃহশিক্ষকের সাথে পালিয়ে যায়। নুসরাত অসুস্থ পরিবেশে বেড়ে উঠলেও পড়ালেখা ও ফুটবল খেলা সমান্তরালে চালিয়ে যাচ্ছিল। আকস্মিক এক দমকা হাওয়ায় নুসরাতের জীবন লন্ডভন্ড হয়ে যায়। উচ্চবিত্ত, উদাসীন পিতা ব্যতীত আশ্রয় পাওয়ার মতো নুসরাতের দ্বিতীয় কোনো ঠিকানার অস্তিত্ব নেই। বিমাতা রুমি ও তার মেয়ে মোহনা তাকে আপন করে নিতে চাইলেও অন্তর্মুখী স্বভাবের মেয়েটি নিজেকে শামুকের খোলে আটকে রাখাই শ্রেয় মনে করেছিল। নুসরাত তার স্বপ্ন পূরণের জন্য প্রাণপণ চেষ্টায় রত থাকলেও বিধাতা তাকে পুনরায় পরীক্ষায় ফেললেন। এই পরীক্ষায় পাস করার সম্ভাবনা শূন্য। তবু, অন্ধকারপুরী থেকে বের হওয়ার চেষ্টায় কার্পণ্য ছিল না নুসরাতের। পৃথিবীর মানুষের আড়ালে মোসাইয়ের বিকৃত পারিবারিক রূপ দেখে নুসরাত স্তম্ভিত। তাকে আনা হয়েছে নিজের সত্ত্বাকে বিসর্জন দিয়ে মোসাইয়ের চাহিদা পূরণ করতে। ঝড়ে ভেঙে পড়া নুসরাত কি আবার সোজা হয়ে দাঁড়াতে পেরেছিল? এই দগদগে ঘা কি আদৌ শুকোবে? সব প্রশ্নের উত্তর জানার জন্য পড়তে হবে নুসরাতের গল্পটি।
"দারুন উপভোগ্য একটি বই। একদম শুরু থেকে শেষ অব্দি ধরে রেখেছিলো। কাহিনীর বিস্তার, চরিত্রগুলোর বিন্যাস আর গল্পের বুনন পাঠককে আটকে রাখবে পুরোটা সময়, বিশেষত যারা গোয়েন্দা গল্পের ভক্ত। পরবর্তী রোহান কাহিনীর অপেক্ষায় রইলাম।"
অসাধারণ একটি উপন্যাস। চরিত্রগুলো যেনো আশপাশের। এই এক উপন্যাসের মাধ্যমে আমাদের শেখার আছে অনেক কিছুই। জীবন ঘনিষ্ঠ গোয়েন্দা গল্প। নুসরাতের মতো এমন জেনো আর কারো না হয়। পরবর্তী নতুন গল্পের অপেক্ষায় রইলাম।
Read all reviews on the Boitoi app
কদিন ধরেই পড়বো পড়বো করছিলাম। আজ শেষ পর্যন্ত পড়ে ফেললাম। নুসরাতের অসহায়ত্ব দেখে নিজেকেই অসহায় মনে হয়েছে। ধন্যবাদ আপু। *নুশরাত জাহান এমি
দারুন উপভোগ্য একটি বই। একদম শুরু থেকে শেষ অব্দি ধরে রেখেছিলো। কাহিনীর বিস্তার, চরিত্রগুলোর বিন্যাস আর গল্পের বুনন পাঠককে আটকে রাখবে পুরোটা সময়, বিশেষত যারা গোয়েন্দা গল্পের ভক্ত। পরবর্তী রোহান কাহিনীর অপেক্ষায় রইলাম।