

কোথায় যেন লেখা ছিল, প্রমিস করাই হয় ভাঙার জন্য। শ্রেষ্ঠা আর রাহিলের জন্য কথাটা যেন ইউনিভার্সেল ট্রুথ হয়ে গেল। বাবার মৃত্যুর খবর পেয়ে দেশে ফিরে রাহিল। ইচ্ছে ছিল বাবার যা কিছু আছে সব বিক্রি করে আবারও অস্ট্রেলিয়ায় ফিরে যাবে, যেহেতু দেশে তার আপন কেউ নেই। কিন্তু বাঁধ সাধলো মৃত বাবার অদ্ভুত শর্ত। অনিচ্ছায় বিয়ে করলো শ্রেষ্ঠাকে, যার সাথে তার আজীবনের শত্রুতা। দু'জনই মনে মনে প্রমিস করেছিল একে অপরের জীবন নরক বানাবে। কিন্তু উপরওয়ালার ইচ্ছে ভিন্ন। শ্রেষ্ঠার সাথে অনৈচ্ছিক দাম্পত্য, তারপর দু'টো সন্তানের বাবা হওয়া—সব যেন উপরওয়ালার রাহিল আর শ্রেষ্ঠাকে এক বাঁধনে বাঁধার চেষ্টা। তবুও এক অদৃশ্য দেয়াল দু'জনের মাঝে বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। ওরা কেউ কারো অনুভূতির সত্য জানে না, অথচ নিজেদের অজান্তে একে অপরকে প্রমিজ করে বসে আছে। শেষ পর্যন্ত কি হয়? ওরা কি একে অপরকে ভালোবাসার গোপন খবরটি জানতে পারে? দু'জনার ভালোবাসা কি পূর্ণতা পায়? যে প্রমিস করে জীবন শুরু করেছিল, শেষ পর্যন্ত কি তা ধরে রাখতে পারে?
"ফারহানা ইয়াসমিন আপুর লেখনি আমার বরাবরই পছন্দ। উনার গল্প উপন্যাস গুলো পড়তে ভালোলাগে। “প্রমিস" ছিল গতানুগতিক দ্বারা বাহিরে, পড়তে গিয়ে ভাবুক হয়ে গিয়েছিলাম এটা ফারহানা আপুর লেখা.?🤭 যাইহোক ব্যতিক্রম কিছু লেখে এভাবে পাঠকদের সারপ্রাইজ দেওয়াই যায়। ✨ “প্রমিস" বেশ ভালো লেগেছে , রাহিল শ্রেষ্ঠা জুটি পছন্দের তালিকায় নাম লেখালো। শুরুতে রাহিলকে নিয়ে বিরক্ত আর দ্বিধা দ্বন্দ্বে থাকলেও গল্পে এগোতে এগোতে সব কেটে গেলো,শেষে এসে ভালোলাগার চরিত্র দাবী করতে পারি। 💗 রাহিল শ্রেষ্ঠা জুটিকে আরো পেতে চাই আপুর লেখায়। সব মিলিয়ে “প্রমিস” সুন্দর ও মিষ্টি একটা ই-বুক।🌸"
রাহিলের মতো পাগলু প্রেমিকের প্রেমের পড়ে গিয়েছি।
Read all reviews on the Boitoi app
Likha khub shundor. kintu Rahil je nijer confusion er jonno Shrestha k eto mental torture korse, pregnancy er moto critical time eo oke insecurity te rakhse future niye erpor last e logic dewa holo sheta justified mone hoyni. o eto yrs lekha er sathe relationship e chilo. always Shrestha k characterless bolse, but nije Lekha er sathe relationship baccha howar por o continue korse. Egulo jonno or proper punishment dorkar chilo. Shrestha olpo tei gole gese
রোমান্টিক জনরার ইবুক "প্রমিস" একটি মিশ্র অভিজ্ঞতার জন্ম দিয়েছে। লেখিকার সাবলীল ও স্বচ্ছন্দ লেখনী নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার। তার লেখার ধরনে একটা নিজস্বতা আছে যা আমাকে আকর্ষণ করেছে। তবে, সামগ্রিক বিচারে গল্পটিকে কিছুটা বেশিই 'ড্রামাটিক' মনে হয়েছে, যা মাঝে মাঝে গল্পের স্বাভাবিক গতিকে ব্যাহত করেছে। উপন্যাসের প্রধান চরিত্র রাহিল এবং শ্রেষ্ঠাকে জুটি হিসেবে ভালো লাগলেও, তাদের মধ্যে প্রত্যাশিত রোমান্টিক কেমিস্ট্রিটা ঠিকভাবে জমেনি। তাদের সম্পর্ক আরেকটু গভীরতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা দাবি করে বলে আমার ধারনা। একটি উল্লেখযোগ্য অসঙ্গতি চোখে পড়েছে, রাহিলের বিদেশ-বাসস্থান নিয়ে বিভ্রান্তি। গল্পের শুরুতে তাকে কানাডায় থাকার কথা বলা হলেও, পরে অস্ট্রেলিয়া উল্লেখ করা হয়েছে। লেখিকার উচিত সঠিক তথ্যটি নিশ্চিত করা, কারণ এমন ছোট ভুল অনেক সময় পাঠের ধারাবাহিকতা নষ্ট করে। অন্যদিকে, আদনান চরিত্রটি নজর কেড়েছে এবং তার উপস্থাপনা ছিল বেশ ভালো। সবশেষে, গল্পের মানের তুলনায় ইবুকটির দাম কিছুটা বেশি মনে হয়েছে। "প্রমিস" একটি ভালো প্রচেষ্টার ফসল, কিন্তু গল্পের নাটকীয়তা হ্রাস এবং চরিত্রদের কেমিস্ট্রিতে মনোযোগ দিলে বইটি আরও উপভোগ্য হতে পারত।
ভালো লেগেছে। লেখিকার জন্য শুভকামনা।
ভালো লাগলো বইটি পড়ে।এই লেখিকার লেখার আমি বরাবরই ফ্যান।প্রথমে নায়কের চরিত্রটাকে অসহ্য লাগলেও শেষে ভালো লাগলো।এই লেখিকার প্রতিটা গল্পেই নায়ক চরিত্রগুলো হয় অদ্ভুত সুন্দর।
ফারহানাআপুর বই মানে চমৎকার একটি গল্প, পড়ার পরও ভালোলাগা থেকে যায়, ভিন্ন ধর্মী গল্প, অসাধারণ লেখনি, এক কথা চমৎকার।
ফারহানা ইয়াসমিন আপুর লেখনি আমার বরাবরই পছন্দ। উনার গল্প উপন্যাস গুলো পড়তে ভালোলাগে। “প্রমিস" ছিল গতানুগতিক দ্বারা বাহিরে, পড়তে গিয়ে ভাবুক হয়ে গিয়েছিলাম এটা ফারহানা আপুর লেখা.?🤭 যাইহোক ব্যতিক্রম কিছু লেখে এভাবে পাঠকদের সারপ্রাইজ দেওয়াই যায়। ✨ “প্রমিস" বেশ ভালো লেগেছে , রাহিল শ্রেষ্ঠা জুটি পছন্দের তালিকায় নাম লেখালো। শুরুতে রাহিলকে নিয়ে বিরক্ত আর দ্বিধা দ্বন্দ্বে থাকলেও গল্পে এগোতে এগোতে সব কেটে গেলো,শেষে এসে ভালোলাগার চরিত্র দাবী করতে পারি। 💗 রাহিল শ্রেষ্ঠা জুটিকে আরো পেতে চাই আপুর লেখায়। সব মিলিয়ে “প্রমিস” সুন্দর ও মিষ্টি একটা ই-বুক।🌸
ফারহানা আপির ই বুক মানেই আমার কাছে একরাশ ভালোলাগা! ভীষণ সাবলীল ও একটানে পড়ে যাওয়ার মত লেখনী আপুর! রাহিল আর শ্রেষ্ঠা কে ভীষণ মনে ধরেছে আমার! রাহিল কে তবুও কয়েকটা পিটানি দিতে পারলে আমার ভালো লাগতো!