

গল্পের শুরুতে সুজন-তিতলীর ভালোবাসা ছিল। এরপর পরিবার থেকে অন্য ছেলের সাথে তিতলীর বিয়ে ঠিক হয়ে যায়। কিন্তু তিতলী সুজনকেই বিয়ে করতে চায়। সাথে একথাও বলে, সুজন যেন বিয়ে করে তিতলীসহ তার পরিবারের দায়িত্ব নেয়। সুজন দায়িত্ব নিতে অপারগতা জানায়। সেই মুহূর্তে তিতলীর জীবনে আসে অর্ক। অর্ক অনেক আগে থেকেই তিতলীকে ভালোবাসত, কিন্তু কখনো বলার সুযোগ পায়নি। অন্যদিকে, তৃণার সাথে অর্কের বন্ধুত্বের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। অর্ক আর তিতলীর বিয়ের কথা চলতে থাকে। শেষ পর্যন্ত কার ভালোবাসা পূর্ণতা পাবে? তবে কী বাসরঘরে কোনো অশুভ আত্মার প্রবেশ হবে?
বইটি আমি পড়েছি। খুব সুন্দর সাবলীল ভাষায় লিখা বইটি আমার ভাল লেগেছে। বাস্তবতার এক কঠিন বলয়ে বাঁধা মানুষের জীবন। প্রিয় লেখিকা শতাব্দী ঘোষ তার অমিমাংসীত পরিনয় বইটিতে তার আভাস ফুটিয়ে তুলার চেষ্টা করেছেন দক্ষ হাতে। সমাজে তিতলীর মত অসহায় মেয়েরা কিভাবে তৃণার মত খারাপ মেয়েদের জন্য শেষ হয়ে যায় আর অর্কদের মত ছেলেদের জীনটাই নষ্ট হয়ে যায়। লেখিকা অত্যন্ত দক্ষতার সাথে এমন একটি প্রেক্ষাপট সৃষ্টি করেছেন। গল্পের শেষে এক বিষ্ময়কর রুমাঞ্চ গল্পটিকে ভিন্ন মাত্রা দিয়েছে। শুভকামনা প্রিয় দিদি লেখিকা শতাব্দী ঘোষ। আপনার লেখা আরও সমৃদ্ধ হোক এই কামনা করি।
Read all reviews on the Boitoi app