
একদিন ভরা সন্ধ্যায়, হুট করেই অনন্যার বিয়ে হয়ে যায় ওদেরই বিশ্ববিদ্যালয়ের এক প্রফেসরের সঙ্গে। এক অচেনা বাঁধনে বাঁধা পড়ে যায় তার জীবন। না চাওয়া এই সম্পর্কের পেছনে ছিল এমন এক রহস্য, যার কিনারা খুঁজে পেতে অনন্যার লেগে যায় অনেক সময়। প্রথমে অস্বস্তি, তারপর কৌতূহল, আর শেষে এক অদ্ভুত টান! সবকিছুকে ছাপিয়ে, একসময় সে আবিষ্কার করে—যার সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছে, তিনি একজন সাধারণ মানুষ নন। তাঁর অস্তিত্ব ধোঁয়ায় ঢাকা এক রহস্যময় জগতের দরজা খুলে দেয় অনন্যার সামনে। অনন্যা আরও জানতে চায় নিজের স্বামীকে। কিন্তু তাদের সম্পর্ক নানা বাধা, প্রশ্ন আর ভয়ের গলিপথ পেরিয়ে ধীরে ধীরে রূপ নেয় এক গভীর ভালোবাসায়। অনন্যাও মেনে নেয় তাঁকে নিজের হৃদয়ের মানুষ হিসেবে। এর বিনিময়ে সে পায় প্রফেসরের নিঃশর্ত ভালোবাসা আর অগাধ যত্ন। কিন্তু এখানেই কি শেষ? নাকি প্রকৃত গল্পের শুরু এখনো বাকি? জানতে হলে পড়তে হবে মাই মিস্টিরিয়াস প্রিন্সের ‘রহস্যভেদ’ অধ্যায়।
Arektu boro hole valo hoto...incomplete mone hocchilo...first part ta onk detailing e chilo to tai...
Read all reviews on the Boitoi app
আপু তোমার লেখাগুলো এত্ত সুন্দর গুছানো,এক কথায় অসাধারণ আপু। ই-বুকটি আমি একটানা পড়ে শেষ করেছি,বরাবরের মতো মুগ্ধ হয়েছি। দোয়া করি সামনে আরো এগিয়ে যাও আপু।🫶🤍
সেই প্রথম থেকেই তেমার লিখা পড়া শুরু করি। আমি সব লেখিকার গল্প পড়ি না, এইতো হাতেগুনা কিছু লেখিকার গল্প পড়ি, আর তোমার প্রথম গল্প পড়েই মন বসে গিয়েছিলো। তারপর তোমার প্রথম ই-বুক বের হয় কোন কিছু না ভেবেই বইটা কিনি , পড়ে খুব ভালো লেগেছিল, তারপর তোমার রানিং গল্পও পরতেছি। তারপর এই ই-বুক বের করলে, এটি গিফট পেয়ে যে কত খুশি হয়েছি আর কত আগ্রহে ছিলাম, যতটা আগ্রহে ছিলাম তার থেকে বেশি পছন্দ হয়েছে ইবুকটা। এতদিনে আমার তোমার প্রতি এই বিশ্বাস যে পড়ে নারাজ হবো না। একটানা পড়ে শেষ করলাম, আর সব বাড়ের মতো এইবারও মুগ্ধ হলাম এতো সুন্দর এতো গুছানো লিখেছ মন ছুয়ে গেছে। ই-বুক এর বেপারে আর কিছু বললাম না আমি চাই সবাই কিনে নিজেই বুঝে যাক ই-বুক টা আর তোমার লিখা কতটা সুন্দর। সাধারণ লিখাকেও কতটা সুন্দর করে মনোমুগ্ধকর করে তুলো। আর তোমার প্রতি এতোগুলো ভালোবাসা এতো সুন্দর সুন্দর উপন্যাস লিখার জন্য আর আমাদের পরার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য। আরো সামনে এগিয়ে যাও অনেক অনেক দোয়া রইলো তোমার জন্য 🤍