

প্রকৃতিতে দিগন্তের কোলে বেলা ডুবেছিল মাত্র। প্রকৃতির বুকে আছড়ে পড়া দিগন্তবেলার সাথে হঠাৎ করে দিগন্ত আর বেলা নামের দুই ভিন্ন মানুষও বাঁধা পড়ে একটা পবিত্র, হালাল সম্পর্কের মধ্যে। যাদের মনে প্রেমের আগমন ঘটেছিল অনেক আগেই। কিন্তু তা একে অপরের কাছে বহিঃপ্রকাশ করে না। বরং সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে তাদের মাঝে দাঁড়ায় মান-অভিমান আর ভুল বোঝাবোঝির এক শক্ত দেয়াল। দিগন্তবেলা নিজেদের মধ্যকার দূরত্ব কাটিয়ে; দুষ্টুমিষ্টি খুঁনশুঁটিময় ঝগড়া, অভিমানের মধ্য দিয়ে কিভাবে প্রকাশ করবে নিজেদের প্রতি একে অপরের অনুভূতি?
"আপুর লেখনী নিয়ে কি আর বলবো। আশাপুর লেখনী বরাবরই খুবই সুন্দর হয়।এই ইবুকটাও তার ব্যতিক্রম হয়নি। দিগন্ত তালুকদার ও তার বিন্দুচারিণীর কাহিনি এতো সুন্দর করে আশাপু তুলে ধরেছে যে যখন পড়িতেছিলাম তখন মনে হইছে অন্য জগতে ছিলাম।সব চোখের সামনে ঘটছে এমন মনে হইছে।আপু চরিত্রগুলো এতো সুন্দর করে তুলে ধরেছে যে তাদের ব্যক্তিত্বে আলাদাই একটা মহিমা বিরাজ করেছে।আপুর লেখা নিয়ে যায় বলবো কম হবে। আপুর এক একটা শব্দচয়ন অসাধারণ,লিখনশৈলী চমৎকার। আশাপু তুমি খুব খুব খুবই সুন্দর করে লেখো।কিন্তু আমি তা প্রকাশ করতে পারছি না আমার প্রকাশের অপারগতার কারণে।"
অনেক ভালো লেগেছে
Read all reviews on the Boitoi app
আপুর লেখনী নিয়ে কি আর বলবো। আশাপুর লেখনী বরাবরই খুবই সুন্দর হয়।এই ইবুকটাও তার ব্যতিক্রম হয়নি। দিগন্ত তালুকদার ও তার বিন্দুচারিণীর কাহিনি এতো সুন্দর করে আশাপু তুলে ধরেছে যে যখন পড়িতেছিলাম তখন মনে হইছে অন্য জগতে ছিলাম।সব চোখের সামনে ঘটছে এমন মনে হইছে।আপু চরিত্রগুলো এতো সুন্দর করে তুলে ধরেছে যে তাদের ব্যক্তিত্বে আলাদাই একটা মহিমা বিরাজ করেছে।আপুর লেখা নিয়ে যায় বলবো কম হবে। আপুর এক একটা শব্দচয়ন অসাধারণ,লিখনশৈলী চমৎকার। আশাপু তুমি খুব খুব খুবই সুন্দর করে লেখো।কিন্তু আমি তা প্রকাশ করতে পারছি না আমার প্রকাশের অপারগতার কারণে।
রাগী দিগন্ত আর বেয়াদব বেলার জুটিটা সত্যিই অসাধারণ। অনেকদিন পর কাজিন রিলেটেড একটা গল্প পড়লাম, বেশ ভালো লেগেছে গল্পটা। সত্যি বলতে, আশা আপার লিখনশৈলী সত্যিই দারুণ। আপনার লিখা এই প্রথম পড়লাম, তবে আমি মুগ্ধ। অনেক অনেক ভালোবাসা আপনার জন্য, আপা❤️
Digonto~Bela manei valobashar arek name....... Ak kothai oshadharon hoice apu kintu pore mon vore ni......🫶🥹💜💜💜💜
ই-বুক রিভিউ দিগন্তবেলার প্রেমাগমন গল্পের নামটি যেমন সুন্দর তেমন সুন্দর গল্পের প্লট। সেই সাথে লেখনীও ভয়ংকর সুন্দর। দিগন্ত নামটি আমার ভীষণ পছন্দের। দিগন্ত চরিত্রটিও দারুণ পছন্দের। পুরো গল্প জুড়ে দিগন্ত বেলার দুষ্ট মিষ্টি খুনসুটি গুলো ভালো লেগেছে। দিগন্তর ব্যক্তিত্ব বরাবরই আমার ভীষণ পছন্দের। গল্পের প্রতিটি চরিত্র সুন্দর। মিতালী চরিত্র আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছে। কাজিন থিমের মনমাতানো একটা গল্প। দিগন্তের বলা বেয়াদব ডায়লগ টা বেশি ভালো লাগে। মিতালীর দিগু ডাকটাও সুন্দর লাগে। সবমিলিয়ে গল্পটা সাধারণের মধ্যে অসাধারণ ছিল।
#রিভিউ ই-বুক; দিগন্তবেলার প্রেমাগমন (এটা যেমন একটা সুন্দর নাম তেমন আমার ইমোশন ও🥹🫶) কিভাবে কোথা থেকে শুরু করবো আপু বুঝতে পারছি না। গল্পের প্রত্যেকটা চরিত্র প্রত্যেকটা কাহিনি অসাধারণ ছিলো একদম মনের মতো একটা গল্প। এই গল্পের নামটাই ছিলো আমার ইমোশন নামটা যেমন আমার ভালো লাগতো গল্পটা পড়ার পর এই নামের গভীরতা বুঝতে পারছি আপু নামের মতোই কিউট গল্পটা।☺️🌸 গল্পের কাহিনিটা এত সুন্দর আপু কি বলবো বিশেষ করে বাবা মেয়ের মধুর মুহূর্ত গুলো আমার মন কেড়েছে আপু। বেলা আর রহমান পাটোয়ারীর মধ্যে আমি আর আমার আব্বুর মিল পেয়েছি তাই তো এই প্লটটা বেশিই স্পেশাল🥹🫶বেলার বিয়ের বিদায়ের সময় বেলার বাবার ছলছল করা চাহনি টা কি মায়াময় আদুরে ছিলো আপু অনেক কষ্ট লেগেছিলো এতটুকু তে। গল্পটাতে যদিও তেমন কোনো রোমাঞ্চকর সিন ছিলো না তাও গল্পটা ভীষণ সুন্দর হয়েছে। সবসময় শুধু রোমান্স থাকলেই গল্প সুন্দর হয় না আপু তা তোমার এই ই-বুকটা পড়ে বুঝলাম। কিন্তু সিঙ্গার দিগন্ত ভাই ও নাদান বেলার কথাগুলো অনেক ভালো লাগতো বিশেষ করে দিগন্ত ভাইয়ের কথা গুলো এই কথাগুলোর মধ্যেই রোমাঞ্চকর একটা ছোঁয়া ছিলো যা গল্পের সৌন্দর্য দ্বিগুন ভাবে বাড়িয়ে দিয়েছে।🤍🕊️ কিন্তু আপু সব থেকে বেশি ভালো লাগার বিষয়টি হলো দিগন্ত ভাইয়ের গাওয়া গান গুলো অত্যন্ত সুন্দর ছিলো গো আর গানগুলা এতটা ভালো লাগার কারণ হলো ওইগুলা ছিলো আমার ফেভারিট গান। সবশেষে বলছি গল্পটা যদিও ছোট কিন্তু গল্পের কাহিনিটা অসাধারণ ছিলো আপু এই এইটুকু গল্পই আমার ইমোশন। গল্পটা পড়ে অনেক ভালো লাগলো নামের মতোই গল্পটা অসম্ভব সুন্দর।🤍🥀 তোমার জন্য অনেক অনেক দোয়া ও ভালোবাসা আপু এত কিউট একটা ই-বুক গিফট করার জন্য🥹🫶
খুব খুব খুব সুন্দর হয়েছে। দিগন্ত এবং বেলাকে এখানে নতুন ভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। খুব ভালো লেগেছে। এখানে বেলার নতুন রূপ পেয়েছি, সব সম্পর্কের নতুন একটা রূপ পেয়েছি। কিন্তু সব থেকে মন কারার মত বিষয় ছিল বেলার বাবা রহমান এর চরিত্রটা। উনার ছোট আম্মা ডাকটা একদম বুকে লাগার মত একটা নাম ছিল। উনার আর বেলার সম্পর্কটাও দারুন ছিল। মেয়ে অভিমান করেছে বলে তার বুকটা ফেটে যাবার মত অনুভূতি, মেয়েকে কষ্ট দেয়ার জন্য অপরাধবোধ, মেয়ের রাগ ভাঙ্গানোর জন্য মরিয়া হয়ে উঠা, মেয়ের মুখে আব্বা ডাক শুনার জন্য অধীর ব্যাকুল হয়ে থাকা এই বিষয়গুলো একদম সেই ছিল। অপরদিকে , দিগন্ত বেলার জুটিটা দারুন কিউট ছিল। বেলাকে বলা দিগন্তের নামগুলো সেই মজার ছিল। সর্বোপরি সব কিছুই অসাধারণ ছিল। আর আপুকেও অশেষ ধন্যবাদ জানাই এত সুন্দর গল্প আমাদের উপহার দেয়ার জন্য, বিশেষ করে আমাকে সুযোগ দেয়ার জন্য এবং নতুন মুহূর্তগুলো এবং নতুন অভিজ্ঞতার সাথে আমাকে পরিচয় করিয়ে দেয়ার জন্য। খুব ভালো লেগেছে গল্পটা। আপনার জীবনের জন্য শুভ কামনা রইল। আশা করি সব কিছুতেই জয়ী হন। ধন্যবাদ।
আশা, তোর "দিগন্তবেলার প্রেমাগমন" পড়ে আমার মনোজগৎ টালমাটাল হয়ে গেছে। এটাই আমার প্রথম পাঠ তোর লেখার, আর আমি সাধারণত গল্পের ভুবনে বিচরণ করি না। কিন্তু এই ইবুকটা পড়ে একটুও চমক লাগেনি, কেন জানিস? কারণ আমি জানতাম তুই যেমন মিষ্টিময়ী তোর লেখাগুলোও হবে মিষ্টি আদুরে! নামকরণটাই কি স্নিগ্ধ শান্তিময়। অর্ধেক মোহ লুকিয়ে থাকে শিরোনামের জাদুতে! শুনেই চোখে ভাসে দিগন্তের সেই রুষ্ট চেহারা আর বোকা বেলার সেই অবুঝ সরল মুখখানি! আমি কি বলব? বল তো আশা? কিভাবে প্রশংসা করা উচিত? একটা শব্দে বলতে গেলে, বেজায় ক্ষুদ্র মায়াবী একটা ইবুক ছিল দিগন্ত আর ভোলা বেলাকে কেন্দ্র করে। মায়াবী কাহিনি, মায়াবী নরম সম্পর্কের বুনট। পলক পড়তে না পড়তেই ফুরিয়ে গেলো! আর শেষ দিকে দিগন্তের তার একমাত্র বিন্দুচারিণীকে শোনানো সেই গান! "আমায় ভাসাইলিরে, আমায় ডুবাইলিরে" ইশশ! সত্যিই আমি তলিয়ে গিয়েছিলাম ক্ষুদ্র গল্পটার গভীরে! আর দিগন্তের বলা সর্বশেষ বাক্যখানি? 'অবেলায় আগমন যার, দিগন্তবেলায় হয়েছিল আমার!' ভাই এখানে আমি হতবাক! যখন ইতি টানলো মনে হলো, আরে এইতো সবে আরম্ভ হয়েছিল? তোর হাতে অসংখ্য চুমু দিলাম আশা! অনেক উচ্চতায় পৌঁছাবি। সর্বক্ষণ দোয়া থাকবে আমার! ভালবাসা। 💗
আসসালামু আলাইকুম, ম্যাডাম আশুউউউউউউ। প্রথমেই তোকে এক বস্তা গালি দিলাম। কারণ— ১। তুই পুরো গল্পে একবারও দিগন্তকে বেলার অধর স্পর্শ করাস নাই। যেটার জন্য আমি শেষ অবধি অপেক্ষা করলাম। নিশ্চিত তুই দিগন্তের প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছিস, তাই বেলাকে চুমু দিতে দেস নাই! ২। আমার এত বছরের কথা কেড়ে নিলি তুই। এতদিন গর্ব করে বলতাম, “ফেসবুকের কোনো গল্প পড়িনি, পড়বোও না। মন বসে না, ব্লা ব্লা ব্লা।” কিন্তু তুই বেয়াদব মেয়ে আমার সেই মানসিক দৃঢ়তা ভেঙে দিলি। এখন তো মিথ্যা বলতেও পারব না যে ফেসবুকের গল্প পড়িনি। এবার আসি এক বালতি প্রশংসা নিয়ে। আউউউউউউউ🎀 কতটা উচ্ছ্বসিত হয়েছি আমি যে একটানা পড়ে শেষ করেছি, এমনকি মাইগ্রেন নামক রাজাকারটাকেও পাত্তা দেইনি। রাত ৩টায় ঘুম এসেছিল, অথচ এখন সকাল ৭টা ৫৭ মিনিট; তবুও চোখের পাতা একবারও বন্ধ করিনি। শেষ করেই ফেললাম। এই প্রথম কোনো উপন্যাস পড়ে মনে হলো—আরেকটু দীর্ঘ হলো না কেন? এত সংক্ষিপ্ত কেন লিখলি, দিগন্তের অসভ্য বেয়াদব লেখিকা! 😭😭 এবার আসি চরিত্র নিয়ে। প্রথমবার যেহেতু ই-বুক বা ফেসবুকের গল্পের সমাপ্তি অবধি পড়লাম, অনুভূতিটা যে কত গভীর তা ভাষায় প্রকাশ করতে পারছি না। দিগন্ত ভাই: ওকে আমি বেলার মতো ‘ভাই’ বলতে পারব না। ব্যাটা কিন্তু দুষ্ট ছিল, বেলাকে ইচ্ছাকৃত কষ্ট দিয়েছে। তবে তার সংলাপগুলো ছিল অসাধারণ! 😂 “লাগুক। লাগার জন্য-ই ধরেছি। তোর যত বেয়াদবি সব আমার সাথেই তাই না? বাইরে ভাজা মাছটা উল্টাতে জানিস না। তোর বাপ তোকে পয়দা করেছিল শুধু আমাকে জ্বালানোর জন্য!” “একটা পুরুষ মানুষকে স্বেচ্ছায় ছুঁয়েছিস, এখন লজ্জা লাগছে না তোর?” এই দুইটা ডায়ালগ ছিল সেরা। বেলা: ওর চোখের পানিতে একটুর জন্য তলিয়ে যাইনি। বাচ্চা মেয়েটা বুঝেও না, স্বামীর ইঙ্গিতপূর্ণ কথা। ভালোই হয়েছে, দিয়েছে থাপ্পড়। যদিও আমি চেয়েছিলাম দিগন্ত চুমু খেয়ে ওর মুখ বন্ধ করে দিক, কিন্তু দিগন্ত আমার ইচ্ছা পূরণ করল না। 😞 “কে বেএএ?” এই লাইনটা ছিল একেবারে জোশ। বেলা: শুনেন দিগন্ত: বলেন দিজ লাইইইইইন! আর তোর লেখনী অসাধারণ—প্রেমে পড়ার মতোই। তবে বর্ণনার মাঝে ইংরেজি শব্দ না রাখলে আরও মনোহর হতো। প্রশংসার ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না। তবে নিশ্চিত করে বলি, গল্পটা নিখুঁত ছিল। প্রতিটি সংলাপ পারফেক্ট। তোর জন্য দোয়া রইল, সোনা। অনেক বড় লেখক হ। আমার তো এখন ফেসবুকের গল্পের উপর আগ্রহ জন্মে গেছে। আয়হায়! ভালোবাসা নিস, আশু🖤
অসাধারণ ছিল গল্প টা। এখানে রহমান আর দিগন্তের সতিন রুপ টাকো মিস করেছি। বরাবর ই দিগন্ত তালুকদারের বেয়াদব বেলা আর তাকে ভালো লাগে। খুনসুটি ময় ভালোবাসা 🌸🖤