

রাজনীতিবিদ নিবিড়ের সাথে সুবহার চাচাতো বোন দিয়ার বিয়ে হওয়ার কথা, কিন্তু বিয়ের পর নতুন বউয়ের মুখের কাপড় তুলে ময়না বেগম নিজের মেয়েকে না দেখে সুবহাকে দেখে। রাগে গিজগিজ করে, তবে স্বামীর জন্য কিছু করতে পারে না। নিবিড়সহ নিবিড়ের পরিবারের সকলে অবাক হয়। নিবিড় তুখোড় রাজনীতিবিদ হলেও, দিন শেষে বাবার হাতের কাঠের পুতুল। বাবা শব্দ তার কাছে নিজের জীবনের থেকেও প্রিয়। সকলের সামনে দুর্দান্ত আদর্শের অধিকারী হলেও, বাবার সামনে মেরুদণ্ডহীন মানুষ। সুবহা বেশ আত্মসম্মানী। নিবিড়ের বাবা এনামুল চৌধুরী দিয়ার জায়গায় সুবহাকে দেখে রীতিমতো রাগে গড়গড় করে, যার থেকে ছেলেকে বাঁচাতে দিয়ার সাথে বিয়ে ঠিক করলো, সেই মেয়ে কিনা তার ছেলের বউ? সুবহাকে বাড়ির চৌকাঠে দাঁড় করিয়ে মন মতো অপমান করতে ছাড়ে না। বাবা-মা ছাড়া বড় হওয়া সুবহা কথাগুলো কোনোভাবে মেনে নিতে পারে না। তার আত্মসম্মানে লাগে। এক কাপড়ে চলে যায় সেখান থেকে। এবাড়িতে জীবনে পা রাখবে না বলে নিজের কাছে নিজেই প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়। সেদিন রাজনীতিবিদ মেরুদণ্ডহীন নিবিড়কে দেখে অনেক অবাক হয় সে। এত অপমানের পরেও বউয়ের পক্ষে একটা কথাও বলে না। দিয়া পালিয়ে যাওয়াই সুবহা তার চাচার সম্মান বাঁচাতে বিয়ে করে, তার তো কোনো খারাপ উদ্দেশ্য থাকে না। মেরুদণ্ডহীন, বাবার হাতের পুতুল নিবিড় কী পারবে বাবার বিরুদ্ধে গিয়ে নিজের প্রিয়তমা স্ত্রীকে চৌধুরী বাড়িতে যথার্থ সম্মান দিয়ে ফিরে আনতে? রচিত হবে কী তাদের প্রেমকাহিনী, নাকি প্রতিশোধপরায়ণ সুবহা শুরুর আগেই সব শেষ করে দিবে?
"গল্পটা এতো সুন্দর ছিলো আল্লাহ! সাদিয়া আপু গল্পটা অনেক ভালো লাগলো। এই গল্পটা একেবারে অস্থির ছিলো! প্রথম দিকে মনে হচ্ছিলো, এদের জমবে না। নিবিড় আর সুবহার মুহূর্তগুলোতে আমি কেমন যেনও হারিয়ে যাচ্ছিলাম। অথচ গল্প যত এগোতে লাগলো তুমি একটা একটা করে রহস্য দিতে লাগলে, তাড়াতাড়ি খোলো সেগুলো। সুবহা চরিত্রটা অনেক রহস্যময়ী ওকে নিয়ে এখন ঠিক বলতে পারবো না ওকে আমি এখনো বুঝে উঠতে পারলাম না। আর নিবিড়! এই চরিত্রটার মধ্যে আমি ডুবে গেছি। প্রথমে যে নিবিড়কে পেয়েছিলাম আর শেষে যে নিবিড়কে দেখলাম তার মধ্যে পার্থক্য আকাশ জমিনের মতো। সত্যি বলছি পুরো সময়টা আমার মনে হচ্ছিল এই বুঝি সুবহা নিবিড়ের উপর গলে যাবে কিন্তু তেমন কিছুই হলো না। প্রথম দিকে খারাপ লাগলেও শেষে নিবিড়ের জন্য ভালো লাগলো। সাদিয়া আপু…পরের খন্ডটা তাড়াতাড়ি দিও প্লিজ 🙏। ওটা শেষ না করা পর্যন্ত শান্তি পাচ্ছি না আপু। গল্পটা সুন্দর ছিলো 🥹।"
Excellent story
Read all reviews on the Boitoi app
গল্পটা এতো সুন্দর ছিলো আল্লাহ! সাদিয়া আপু গল্পটা অনেক ভালো লাগলো। এই গল্পটা একেবারে অস্থির ছিলো! প্রথম দিকে মনে হচ্ছিলো, এদের জমবে না। নিবিড় আর সুবহার মুহূর্তগুলোতে আমি কেমন যেনও হারিয়ে যাচ্ছিলাম। অথচ গল্প যত এগোতে লাগলো তুমি একটা একটা করে রহস্য দিতে লাগলে, তাড়াতাড়ি খোলো সেগুলো। সুবহা চরিত্রটা অনেক রহস্যময়ী ওকে নিয়ে এখন ঠিক বলতে পারবো না ওকে আমি এখনো বুঝে উঠতে পারলাম না। আর নিবিড়! এই চরিত্রটার মধ্যে আমি ডুবে গেছি। প্রথমে যে নিবিড়কে পেয়েছিলাম আর শেষে যে নিবিড়কে দেখলাম তার মধ্যে পার্থক্য আকাশ জমিনের মতো। সত্যি বলছি পুরো সময়টা আমার মনে হচ্ছিল এই বুঝি সুবহা নিবিড়ের উপর গলে যাবে কিন্তু তেমন কিছুই হলো না। প্রথম দিকে খারাপ লাগলেও শেষে নিবিড়ের জন্য ভালো লাগলো। সাদিয়া আপু…পরের খন্ডটা তাড়াতাড়ি দিও প্লিজ 🙏। ওটা শেষ না করা পর্যন্ত শান্তি পাচ্ছি না আপু। গল্পটা সুন্দর ছিলো 🥹।
তোমার লেখনী আসলেই সুন্দর । নিবিড় আর সুবহাকে আমার প্রথম থেকেই ভালো লাগে। ভালো লাগে ওদের ভণ্ডামি গুলো।তুমি লেখাতে কখনো কার্পণ্যতা করো না, গল্প বড় কিন্তু পড়েও যেনও শান্তি পেলাম না। তৃতীয় খন্ডটা একটু বড় করে দিবা আপু। নিবিড় আর সুবহার সকল ভুল বোঝাবুঝি দূর করে ওদের সুন্দর একটা সংসার দিবা ওকে?? তোমার লেখনী আমাকে কখনো নিরাশ করে না। নিবিড় একদম অন্য রকম মিচকে শয়তান?? কিন্তু মিচকে শয়তান তো সুবহা। দুইটারই আমাকে চুম্বকের মতো টানছিল। ড্রামাটিক হলেও কিন্তু প্রথম থেকে এখন পর্যন্ত বেশ ইন্টারেস্টিং। আমার তো আরো কৌতুহল বাড়লো পড়ে। নিবিড়: সকলের সামনে আদর্শ একজন রাজনীতিবিদ হলেও বাবার সামনে কেমন যেনও। প্রথম দিকে নিবিড়ের প্রতি খুব বিরক্ত লেগেছিলো কিন্তু পরে যখন ও সুবহার খোঁজ-খবর নিতে লাগলো, লুকিয়ে সোজা চলে গেলো সুবহার কাছে তখন উফফফ!! নিবিড়ের চরিত্র অসাধারণ একটা চরিত্র। সুবহা: একটু বুদ্ধিজীবী কিন্তু তিনি তার বুদ্ধি হাঁটুতে নিয়ে ঘোরে । নিবিড় ওর সামনে ভালোবাসি, ভালোবাসি চলে ফেনা গুলে দিলেও বোঝবে না যেনও। তবে নিবিড়ের বেলায় বুদ্ধি হাঁটুতে নিয়ে ঘুরলেও অন্য বেলায় ধূর্ত শেয়াল একটা। সুবহার মধ্যে আত্মসম্মান আছে যা আমার মতে সকলের মধ্যে থাকা উচিত। মাহিমা: এমন একটা বোন সবারই থাকে যেনও। মীরা আর মাহিমা সবসময় সুবহাকে ছায়া দিয়ে গেছে এটা খুব সুন্দর ছিলো কিন্তু শেষে মাহিমার সাথে এটা কী হলো? দিয়ার খোঁজও তো নেই ও কোথায়? আয়ুশ: আমার মনে হয় আয়ুশ মাহিমাকে বা দিয়া পছন্দ করবে তাই না? ওর অতীতে এদের মধ্যে কেউ একজন আছে। এনামুল চৌধুরী : অতিরিক্ত বাজে লোক লাগে আমার কাছে 🙂। আর কিছু বলবো না। আমার যখন বিরক্ত লেগেছে তখন অন্যদেরও তো লাগা উচিত তাই না?? নিবিড়ের মা বোনকে ভালো লাগলেও ময়না বেগম বিরক্তিকর মহিলা। সে এতো খারাপ!! আমার মনে হয় কোনো কারণে দিয়াকে সে তুলে নিয়েছে। যায় হোক আপু আমি এখানে অনেক রহস্য রহস্য গন্ধ পেয়েছি। সমানে কী হয় তাই দেখার অপেক্ষা। আশা করি হ্যাপি এন্ডিখ হবে আপু। পরের পরিচ্ছেদ কবে আনবা তাই বলো? নিবিড়কে নিবিড়ভাবে পড়ার ইচ্ছে। জাস্ট অসাধারণ আপু। ইউ আর জাস্ট আমেজিং আপু। লাভ ইউ এই ধরনের গল্পের জন্য। রহস্য উন্মোচনের জন্য পরের পর্বের অপেক্ষায় রইলাম... মতামত : গল্পটা অনেক অনেক সুন্দর। ইবুকটা পড়ে ভালো লাগলো তবে এটা শেষ করো তাড়াতাড়ি মহিলা 🫶। রেটি: ১০০/১০০
আসসালামু আলাইকুম আপু। আমি প্রথমেই বলি আমি তোমার একজন নিরব পাঠিকা। আমি কোনোদিন তোমার কোনো গল্পের কমেন্ট করি নাই। এর আগে বইটই এর তোমার প্রেমেপড়া বারণের প্রথম খন্ড পড়েছিলাম। ওটা মন ছুঁয়ে নিয়েছিলো। তারপর তোমার ফেসবুকে খুঁজে বের করলাম। তুমি এতো সুন্দর লেখো কী করে? তোমার রানিং গল্প গোধূলির লগ্নে তোমার আগমন পড়ে আমি মুগ্ধ তোমার উপর। হুট করে এটাও কিনে ফেললাম। বইটা খুবই সুন্দর হয়েছে। সত্যি বলতে এই নিবিড়কে আমার প্রথম থেকেও বেশ লাগতো। নিবিড় শুরুতে সুবহার সাথে যে ব্যবহার করত তার মোটেও ভালো লাগতো না। তবে তোমার গল্পের নায়ক নায়িকার চরিত্র এতো সুন্দর হয় কেন? তারা অন্যদের মতো মোটেও হয় না। এই দুইটার জন্য গল্পটা পড়া। ওদের খুব ভালো লাগে আমার। আমি নিবিড়ের উপর পুরাই ফিদা। এখন ও বউকে চোখে হারায় 😂। সুবহার এক্সিডেন্ট এ যা ভয় পেয়েছিলাম!! তবে নিবিড়ের হুটহাট সুবহার হোস্টেলে চলে যাওয়া। তাকে খুব বিরক্ত করা। নিজের মনের কথা বোঝাতে চাওয়া সুবহা বুঝেও না বোঝার ভাব করা এসব সত্যিই খুব সুন্দর ছিলো। যায়হোক ভালোবাসাটা সবটা আমার কাছে। সুবহার মনে যে নিবিড়ের প্রতি একটা ভালোলাগা আছে সেটা ভালোই বোঝা গেলো। ওদের দুইজনকে গাজীপুরে এক সাথে যেতে দেখে হৃদয়ে ঠান্ডা কিছু ছুঁয়ে যাওয়ার মতো অনুভূত হয়েছিলো। গাজীপুরের অংশগুলো খুবই সুন্দর ছিলো, অসাধারণ। আরিয়ান আর নীড়কেও জুটি হিসাবে ভালো লাগে। ময়না বেগম একটা অস্বস্তি মানুষ। আমার মনে হয় এই আসল শয়তান আবার মনে হয় সুবহা 😬৷ তোমার গল্প মানেই একদম মন ছুয়ে যাওয়ার মতো। এতো সুন্দর! সহজ সরল সাবলীল সুন্দর একটা গল্প বলবো না, একবারে থ্রিলার ধাঁচের, সামনে কী হয়, হয় করে মরি। এনামুল চৌধুরীকে মোটেও ভালো মনে হলো না। খারাপ লোকটা, আমার নিবিড়কে ইমোশনাল করে নিজের কাছে রেখেছে। ওর মতো ওকে থাকে দে না, বাবার ভালোবাসায় পাগল নিবিড় এটাও বোঝে না তবে বাবার বিরুদ্ধে গিয়ে যে সুবহাকে বাড়িতে নিয়ে এসেছে এটাই শুরু। এরপর থেকে আসা করি ও নিজের ভুল বুঝবে নিজের মনের কথা বুঝবে, সুবহাকে আর দূরে যেতে দিবে না। নিবিড় কৌশলে নিজের লুকিয়ে রাখা অনুভূতি প্রিয় মানুষকে জানিয়ে দিচ্ছে এটা খুব সুন্দর ছিলো৷ এখন সে তার ভালোবাসা জানান দিচ্ছে প্রিয় সুবহাকে। সুবহা চরিত্রটার প্রতি আগে যেমন অবসেসড আমি। এই অবসেসড একবিন্দুও কমেনি বরং ওর প্রতি আমার ভালোবাসা বেড়েই চলেছে। এই গল্প টা সম্পর্কে যতই বলবো ততই মনে হয় কম হয়ে যাবে। অসাধারণ একটা গল্প আপু। ধন্যবাদ লেখিকা আপুকে এতো সুন্দর করে আমাদের জন্য লেখার জন্য গল্পটা। আমি এতো সুন্দর করে গুছিয়ে কোনো কথা লিখতে পারি না ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। কয়েকটা রিভিউ পড়ে নিজেকে সহজ করে এটা লেখা। তবে আমার কাছে শেষটায় একটু তাড়াহুড়ো মনে হলো। মাহিমার কী হয়েছে সেটা দেখানো উচিত ছিলো আপু। আপু এটা কিছুটা সুন্দর হতে পারত যদি মাহিমার কথা আমাদের বলতেন তবে, আপনার ইচ্ছা তবুও আমি বললাম৷ গল্পের সব থেকে সুন্দর দিক হলো সুবহা আর নিবিড়ের মধ্যে এতো সুন্দর সুন্দর কনভার্সেশন। তাদের কথায় উভয়েরই অনুভূতি প্রকাশ পায় সে! এখানো অনেক কিছু কিন্তু আড়ালেই রয়ে গেলো। তারপরও গল্প টা সুন্দর! অনেক বেশি সুন্দ। লেখিকা আপুকে ধন্যবাদ। ধন্যবাদ! ভালোবাসা নিবে আপু।