
রোদ্দুর আর আরিশা, দুজনেই একে অপরকে ভালোবাসে নিঃসন্দেহে। অথচ ভালোবাসা সবসময় সরল পথে চলে না। গল্পের শুরুতে দুজনের চঞ্চল হাসি, রোমান্টিক ঠাট্টা আর বিয়ের সিদ্ধান্তের উত্তাপে তৈরি হয় এক আশাব্যঞ্জক প্রেমের আবহ। কিন্তু হঠাৎ এক অদ্ভুত ফোন কল, এক নাম না জানা ‘সায়ন্ত’, এবং আরিশার আচমকা নিরুদ্দেশ হয়ে যাওয়া। সবকিছু এলোমেলো করে দেয় রোদ্দুরের পৃথিবী। ঠিক তখনই ঘটে যায় আরও এক তীব্র ট্র্যাজেডি। রোদ্দুরের মা রেনুমা বেগম মারা যান, এবং সে নিজের অনিচ্ছাকৃত অবহেলাকে দায়ী করতে থাকে। এই ক্ষত আর শূন্যতার মাঝে এসে দাঁড়ায় ইনায়া। রোদ্দুরের একান্ত আপন কেউ, যার নিঃশব্দ ভালোবাসা পাঠকের হৃদয়েও চেপে বসবে। চকবাজারের রোমান্স, কাঁচের চুড়ির শব্দ, আর রোদ্দুরের হাতে দুল পরানো মুহূর্তগুলো, পাঠকদের ভাবাবে—এবার বুঝি রোদ্দুর নতুন করে শুরু করবে। কিন্তু কক্সবাজারের এক ঝলমলে দুপুরে, যখন হঠাৎ আবার দেখা হবে আরিশার সঙ্গে। রোদ্দুর তখন কী দেখবে? কী ভাববে? আরিশা এখন কেমন আছে? সাথে থাকা মানুষটা কে? এসব। নাকি ফিরে যাবে অতীতে? এই গল্প প্রেম, হারানো, ফিরে আসা আর মৌন উপলব্ধির গল্প। কিছু প্রশ্ন রয়ে যাবে, কিছু উত্তর না জানিয়েই গভীর হয়ে উঠবে। এটি এমন এক গল্প, যে গল্পে কেউ বলে না “ভালোবাসি”, তবু পুরোটা জুড়ে তার ভালোবাসার প্রমাণ রয়ে যাবে।