

অন্তর্জাল” অধ্যায়টি আমাদের চেতনার গোপন স্তরে প্রবেশ করে, যেখানে স্বাধীন চিন্তার ধারণা প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে ওঠে। লেখক তুলে ধরেছেন—মানুষের ভাবনাও আজ নিয়ন্ত্রিত হতে পারে এক অদৃশ্য অথচ শক্তিশালী ডিজিটাল জাল দ্বারা, যাকে তিনি নাম দিয়েছেন ‘অন্তর্জাল’। এই নেটওয়ার্ক কোনও প্রযুক্তিগত অবকাঠামো নয় কেবল, বরং একটি মনস্তাত্ত্বিক কাঠামো, যা ধীরে ধীরে মানুষের মনের গভীরতাকে পড়তে শেখে, প্রতিক্রিয়া দেয়, এবং ফিরিয়ে দেয় এমন সব কনটেন্ট বা তথ্য, যা মানুষকে আরও গভীরতর দাসত্বে ঠেলে দেয়। এ অধ্যায়ে প্রশ্ন উঠে—আমরা যা ভাবি, তা কি সত্যিই আমাদের নিজস্ব ভাবনা? নাকি সেই ভাবনাও কারও হাতে পরিকল্পিত? তথ্য, মনোযোগ ও চিন্তার উপর আধিপত্যকে ঘিরে এই প্রবন্ধ পাঠককে দার্শনিক ভাবনায় ডুবিয়ে রাখে—একই সঙ্গে জন্ম দেয় ভয় এবং আত্মসচেতনতা।