

"ঠিক আছে, তাহলে, এখন থেকে তোমার সঙ্গে যা যা হবে, তুমি কল্পনাও করতে পড়বে না। যখন তুমি আমার কাছে হাত জোর করে সকলের সামনে মাফ চাইলে, তখন আমি শান্তি হবো।" মাহি হাতের দিকে চেয়ে থেকে এবার শব্দ করে হেসে উঠে। "আপনি দিনের বেলা স্বপ্ন দেখছেন, বুঝতে পেরেছেন?" বলেই সে চোখ তুলে তাকায়, এরপর লাইব্রেরি থেকে বের হওয়ার জন্য পা বাড়ায়। রাফওয়ানও মাহির পিছু পিছু হেঁটে হঠাৎ তাকে ঠেলে দেয়ালের সাথে চেপে ধরে। মাহি এমন কিছু ভাবতেও পারিনি, সে চোখ বড় বড় করে উচ্চস্বরে বলে ওঠে। "এটা কি ধরনের অসভ্যতা?" রাফওয়ান নিজেকে শুধু নিয়ন্ত্রণে রাখছে। এই মেয়ের তেজ তার সহ্য হচ্ছে না। দুদিন ধরে ভার্সিটিতে এসে নিজেকে কি মনে করছে? "কি হলো? আপনার কি মনে হয় না আমি প্রিন্সিপালকে এসব বলতে পারি? আপনি কতটা অসভ্য… একটা মেয়ের সঙ্গে কি করছেন?" রাফওয়ান শান্ত, সে তীক্ষ্ণ চোখে মাহিকে কাছ থেকে দেখছে। গোলগাল ক্রোধে লাল হয়ে যাওয়া ফর্সা মুখ। বড় বড় চোখ দুটো আরো বড় হয়ে আছে। ছড়ানো চুল, তাই মুখের সামনে কিছু ছোট ছোট চুল এসে আছে। পড়নে ফর্সা নিখুঁত শরীরে কালো রঙের কুর্তি। রাফওয়ান হালকা ঘাড় কাত করে ধীরে হাত বাড়িয়ে। মাহির মুখের সামনে আসা ছোট ছোট চুলগুলো কানের পিছনে গুঁজে দিয়ে বলে, "তোমার ভয় করছে না আমাকে?"
গল্পটা পড়ে মনেই হয়নি এটা ফারহানা সানিয়াত আপুর লেখা গল্প। কারন খলনায়ক থেকে পুরোই ভিন্ন এই গল্পটা কিন্তু এতো সুন্দর কি বলবো। দুইদিনে পড়ে শেষ করলাম তবুও মন ভরলো না৷ লোভ হচ্ছে আরেকটা সিজন পড়ার৷ কারন তাদের দুষ্ট-মিষ্টি প্রেম তো দেখাই হলো না৷ আর আপুর লেখা স্পেশাল রোমান্স খুব মিস করেছি৷ তাই আরেকটা সিজন হলে ভালো হয়৷ সব মিলিয়ে অনেক সুন্দর গল্প।
Read all reviews on the Boitoi app
Story টা cute..but আরো পড়তে ইচ্ছে হচ্ছিল..