

নাবিলার জীবন এক কঠিন সন্ধিক্ষণে। স্বামীর পরকীয়ার প্রতিবাদ করেই যেন নিজের কপালে আরও দুর্ভোগ টেনে এনেছে সে। স্বামী সাফ জানিয়ে দিয়েছে, সে দ্বিতীয় বিয়ে করবে। এটা মেনে নিয়ে থাকলে থাকবে, নইলে ডিভোর্স। মাত্র অষ্টম শ্রেণি পাস নাবিলা বুঝে উঠতে পারে না, ডিভোর্স নিলে কোন পথে হাঁটবে। কাঠমিস্ত্রী বাবার আয়ে সংসার চলে না, মা দীর্ঘদিন থেকে অসুস্থ, আর পাঁচ বোনের মধ্যে সবার ছোট এক ভাই আছে। ওর আশায়ই বাবা-মা তারা পাঁচ বোনকে দুনিয়ায় এনেছেন। এমন অবস্থায় দরিদ্র বাবার পক্ষে আরেকটা ডিভোর্সি মেয়ের বোঝা বহন করা কি সম্ভব? নাবিলা কী করবে তাহলে? কী করা উচিত তার? ডিভোর্স না-কি স্বামীর ভাগ দিতে রাজি হয়ে যাবে?
প্রায় ৩ মাস পরে কোনো গল্প এক বসাতে শেষ করে উঠছি, গল্প টা ছোট্ট হলেও অনেক কিছু শেখার আছে বিশেষ করে মেয়েদের জন্য
Read all reviews on the Boitoi app
এক দেড় ঘন্টার মধ্যে পড়ে শেষ করে ফেলছি। দারুণ একটা গল্প। চমংকার লেখনি। আমাদের সামাজের বাস্তব চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। এই সমাজে সব দোষ কেনো মেয়েদেরকেই দেয়া হয়! মেয়েদের কিভাবে প্রতিবাদ করতে হয়, কিভাবে ঘুরে দাঁড়াতে হয়, এগুলো খুব সুন্দর ভাবে তুলে ধরা হয়েছে। আমাদের সমাজের অবহেলিত মেয়েদের জন্য খুব শিক্ষণীয় একটা গল্প। তবে গল্পটা ছোট মনে হচ্ছে। সিজন ২ আসলে ভালো হয়, অপেক্ষায় থাকলাম।❤️❤️
সমাজের বাস্তব চিত্র তুলে ধরেছেন। বাচ্চা শুধু মেয়েদের কারণে হয় না ছেলেদের কারণেও হয়। সবাই বুঝতে পারে না। এইজন্য স্বামী স্ত্রী দুজনেই চেক করে সিদ্ধান্ত নেওয়া। পরিশেষে বলতে চাই কাউকে পরিক্ষা না করে মিথ্যা অপবাদ থেকে বিরত থাকি❤️