

একজন একরোখা, দাম্ভিক, বখাটে যুবক মাহাদ। যাকে পুরো শহর চেনে ভয়ংকর প্রভাবশালী হিসেবে। কলেজ ক্যাম্পাস থেকে ক্লাবের কোণা, তার উপস্থিতি মানেই উত্তেজনার ঢেউ। অথচ এই বেপরোয়া ছেলেটিই হঠাৎ থমকে যায় এক কিশোরীর সামনে। দৃশ্য একটা শান্ত, ভীতু, অন্তর্মুখী মেয়ে। অত্যন্ত মেধাবী মেয়েটির জীবনের গুণ্ডি অনেক স্বল্প। স্কুল থেকে সোজা বাড়ি, জানালার পাশে বসে বই পড়া, বাবার আদরের মুড়িয়ে এক পবিত্র জগতে আটকে থাকা কিশোরী। সে জানেই না, কীভাবে তার অনিচ্ছায়ও সে কারো হৃদয়ের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। মাহাদের জন্য ভালোবাসা মানে জয়, ছিনিয়ে নেয়া, আগুনের মতো দাবানল। আর দৃশ্যের কাছে ভালোবাসা মানে আত্মমর্যাদা, নম্রতা, ধৈর্যশীল ব্যক্তিত্ব। যা মাহাদ নামক যুবকের সম্পূর্ন বিপরীত। একদিকে একরোখা উন্মাদ প্রেম, অন্যদিকে পালিয়ে বাঁচার ব্যর্থ চেষ্টা। তবু পথ যেন বারবার এক হয়ে যায়। মাহাদের উন্মাদনা যেনো প্রতিবার কিশোরীর জীবনে উত্তাল ঝড় তুলেছে। যাতে প্রতিবার আঘাতে জর্জরিত হয়েছে কিশোরী হৃদয়। এই গল্প শুধুই প্রেমের নয়, ক্ষমতার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে নিরীহ এক অনুভূতির যুদ্ধ। তাতে কি ভালোবাসার জয় হবে নাকি পরাজয়?

"এই বইটা অনেক প্রতিক্ষিত এবং ভালোবাসার। দেরীতে এলো মাহাদ তার দৃশ্য পাখিকে নিয়ে- আর কি দারুণ তার ফেরা। মাহাদ এবার আগুনের গোলা। প্রথম সিজনের মাহাদ আর এই মাহাদকে কোনভাবেই সামান্য মেলানো যায় নি। মাঝে মধ্যে মনে হচ্ছিলো দেই একটা বকা। আবার পরমুহূর্তেই ওর পাগল করা ভালোবাসায় ডুবে যাচ্ছিলাম। এত ভালোবাসা এত অধিকারবোধ, এত এত সাধনা মাহাদের শুধু দৃশ্যর জন্য। দমবন্ধ করা ভালোবাসা দৃশ্য অঞ্জলি পেতে নিতে পারেনি। আবার গোপনে মাহাদকে বুকে না পুষেও পারেনি। আহা ভালোবাসা। লেখিকা এই পর্বে নিজের সেরাটা দিয়েছে। এই লেখকের সব গল্প আমার প্রিয়। মাহাদ দৃশ্য সবচেয়ে প্রিয় জুটি। আমি বিশ্লেষণ বা রিভিউ একদম দিতে পারিনা। মুগ্ধতা জানালাম।"
ভালো ছিলো। তবে অনেক বেশি কাহিনি টেনে বড় করা হয়েছে এমন লাগলো। পরবর্তী পর্বে কী হয় দেখা যাক
Read all reviews on the Boitoi app
মাহাদ-দৃশ্য ওরা আমার অন্যরকম আবেগ।কিন্তু এবারের মাহাদকে আমি কখনোই এভাবে আশা করি নি।কিন্তু তবুও ওর এতোএতো ভুলের পরেও ওরা ভালোবাসাটা আর উন্মাদনাটাই যেনো হৃদয়ে দাগ কাটলো।💝 এখানে আমার আরো একজনকে খুব ভালো লাগলো মানে আমি ওনার প্রতি মুগ্ধ হয়ে গেছি সেটা হচ্ছেন আশরাফ হুসাইন। ওনার এত্তো সুন্দর ব্যাক্তিত্ব অবশ্যই মন কাড়ার মতো🥰 সবমিলিয়ে অসম্ভব সুন্দর একটা সময় কাটিয়েছি।💖
ইসরাত জাহান এরিনা তুমি কি বলোতো। মাহাদকে আমরা যেভাবে দেখেছি তোমার আগের গল্পে তার সাথে কোনো দিকেই এই মাহাদের একবিন্দুও মিল নাই। যারা আগের গল্প পড়েনি তারা-ও এই গল্পটা ফিল করতে পারবে। সিজন ১ এ মাহাদ এতো এগ্রেসিভ, টক্সিক,এরোগেন্ট যা ই হোক দৃশ্যকে নিয়ে অনেক পজেসিভ। প্রথম খন্ডে ১ম থেকে শেষ পর্যন্ত আমি অনেক ভয় পেয়েছি দৃশ্যের জন্য। ভালোবাসা ভালো কিন্তু তার মানে এই না যে হাতের পুতুল হয়ে থাকতে হবে। এই দৃশ্য অনেক ভীতু। দৃশ্যের বাবা আর মাহাদের বাবা আসলেই সেরা। দৃশ্যের বাবা অনেক চেষ্টা করেছেন মেয়েকে হেফাজতে রাখতে। বাবার কাছে সব মেয়েরা একটা ছোট্ট বাচ্চা হয়ে থাকে। দৃশ্য আর বর্ষা আপন বোন হলেও দুজনে সাহসের দিক থেকে একদম আলাদা। মাহাদের ভালোবাসার কোনো তুলনা হয় না কিন্তু এতোটা টক্সিক না হলেও পারতো দৃশ্যের সাথে। সিজন ১ খুব ভালো লেগেছে। কিন্তু সিজন ২ অসম্ভব অসাধারণ সুন্দর হয়েছে। মাহাদের এই পরিবর্তন সত্যি প্রশংসনীয়। এমন মাহাদকেই চেয়েছিলাম যে পরিস্থিতির উপর ভিত্তি করে নিজের খোলস ছাড়বে। সিজন ২ এ মাহাদের ধৈর্য্য, অপেক্ষা, শান্ত মস্তিষ্কে থাকা সত্যি প্রশংসনীয়। তবে ভালোবাসাটা ঠিক আগের মতোই অসাধারণ ছিল শুধু মাএ টক্সিক ভাবটা কমিয়েছিল। দৃশ্যের বাবার সাথে মাহাদের লাস্ট বন্ডিংটা অসাধারণ হয়েছে। এমন সম্পর্কগুলো খুব মধুর হয়। মাহাদের বন্ধুরাও অসাধারণ ছিল। যা ই হোক বন্ধুকে একা ছাড়েনি। প্রত্যেকে নিজ নিজ জায়গায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে কিন্তু একসময় তাদেরকে নিয়ে কে ভেবেছিল তারা এমন করে নিজেদের পরিবর্তন করতে পারবে। সত্যি খুব সুন্দর হয়েছে তোমার লেখা। এবার ছোট্ট একটা রিকোয়েস্ট আছে, জানি না পূরণ করবে কি না তবুও বলি এবার আমাদের নেতা সাহেবকে নিয়ে লেখো প্লিজ। নাহিদ আরজুকে আবার নিয়ে আসো। এখনও শুভর বিয়ে হওয়া বাকি। নাহিদের ভাইয়ের বিয়ে হওয়া বাকি। আর ছোট্ট আরজু আশা বাকি। মাহাদকে সিঙ্গার, ডাক্তার মানালেও নিবরাস নাহিদ নেতা হিসেবেই বেস্ট। নাহিদ আরজুকে আবারও চাই প্লিজ।
মাহাদ আর দৃশ্য আমার খুব পছন্দের জুটি। ফেসবুকে কতবার পড়েছি হিসাব নাই।ই-বুক বের হবে শুনে এত খুশি হয়েছি। পরে দেখলাম শুধু প্রথম খন্ড বের হবে। তখন ভেবেছিলাম দুখণ্ড একসাথে কিনবো।তবে পয়সা উশুল গল্প।একদম মনমতো হয়েছে।এই গল্প পড়ে আমি হেসেছি কেঁদেছি। মাহাদের পাগলামি ভরা ভালোবাসা। দৃশ্যের নীরব অভিমান।সবগুলো জুটি আমার পছন্দের।ভালোবাসতে সবাই পারে কিন্তু কয়জন পারে আগলে রাখতে।মাহাদ দেখিয়ে দিয়েছে ভালোবাসলে কিভাবে আগলে রাখা যায়। এক পাগলের প্রেমিকের পাগলামি আমার মন ছুঁয়েছে। ওদের নিয়ে আরও গল্প চাই।
মাত্রই পড়ে শেষ করলাম। উফ! টানটান উত্তেজনায় ভরা প্রতিটা পর্ব। তবে বখাটে, বদমেজাজি মাহাদকে শান্তশিষ্ট মাহাদের(ফেসবুক) চেয়ে কোনো অংশে কম মনে হয়নি। যদিও শেষ পর্বে সে আসলেই বাড়াবাড়ি করেছে। দৃশ্য আগামিতে কি করবে, তার সিদ্ধান্ত কি হবে এটা ভেবেই হাত টা ঠান্ডা হয়ে আসছে৷ জানার জন্য দ্বিতীয় খন্ডে ঝাঁপ দিচ্ছি। সুন্দর হয়েছে আপু। যতটা আমরা পাঠকরা আশা করেছিলাম।বাকীটা দ্বিতীয় খন্ড পড়ে জানাচ্ছি।
উপন্যাসটি অনেক বেশি ভালো লেগেছে। উপন্যাসের মাহাদ চরিত্রটি পুরো গল্পের প্রাণ। তার প্রতিটি কাজ কখনো অবাক করেছে আবার কখনো করেছে আবেগপ্রবণ।
what a desperate hero! ভাল্লাগসে মাহাদকে! যদিও টক্সিসিটি অনেক বেশি ছিল! সেটা আসলে ওর স্বভাব! বেচারি দৃশ্য আদৌও কি মাহাদ কে আর মেনে নিতে পারবে? আশরাফ আর আমজাদ দুইজন এর জন্য ই খারাপ লেগেছে! দুইজন ই দুজনের জায়গায় অসহায়।🙂 ২য় পর্বে মাহাদের পরিবর্তনের অপেক্ষায়❤️
অনেকদিন পর খুব সুন্দর একটা গল্প পড়েছি। দুইটা গল্পই অসাধারণ। কোনোটার সাথে কোনোটার তুলনা হয় না। বারবার মাহাদের প্রেমে পড়ে যাচ্ছি। ধন্যবাদ লেখিকা আপা খুব সুন্দর একটা গল্প উপহার দেয়ার জন্য❤️
আপনার সবগুলো গল্প আমার পড়া হয়েছে। এক একটা গল্প কত বার করেযে পড়েছি হিসেব নাই।মাহাদ আর দৃশ্যকে আবার পড়তে পেরে ভিষণ ভালো লাগছে। এত সুন্দর করে চরিত্র গুলো ফুটিয়ে তুলেছেন তা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা। আমি গুছিয়ে রিভিউ দিতে জানি আর গুছিয়ে লিখতে ও জানি না। এতটুকু বলতে আমার পড়া বেস্ট ই বুক ছিলা "তোমার আমার প্রনয়" ২য় খন্ডের অপেক্ষায় রইলাম❤️
ভালোবাসা মানেই পাগলামি। সাধারণের মাঝেও অসাধারণ কিছু। মাহাদের জীবনে নারীর কোন অভাব ছিল না। কিন্তু সে শুধু তার দৃশ্যপাখিতেই সীমাবদ্ধ ছিল। যা তার এক নারীর প্রতি আসক্তির প্রমাণ বহন করে। আমাদের বাস্তব জীবনেও আমরা একজন নির্দিষ্ট নারীকে সারা পৃথিবীর বিরুদ্ধে গিয়ে আপন করে পেতে চাই। তবে মাহাদের চিন্তার মধ্যে কিছুটা ভুল ছিল সেটা হলো " আমি তোকে না পেলে কাউকেই পেতে দিবো না " আমাদের ভাবনা হওয়া উচিত, সে যেখানেই থাকুক, ভালো থাকুক। আমার কাছে থাকাটা জরুরি নয়। তার ভালো থাকাটাই আমার কাছে মুখ্য বিষয়। সব মিলিয়ে খুবই বাস্তবিক একটা গল্প উপহার দিয়েছেন এরিনা আপু। অনেক অনেক দোয়া ও শুভকামনা রইল। ইনশাল্লাহ একদিন অনেক বড় লেখিকা হবেন।