

বিশাল এক ঘন জঙ্গল। সুন্দরবনের বিচ্ছিন্ন অংশ। সেই জঙ্গলের কোল ঘেঁষে বহু বছরের পুরনো একটা জমিদার বাড়ি। জমিদার বাড়ির সামনে দিগন্ত বিস্তৃত অথৈ দিঘি। ওখানকার লোকেদের কাছে ওই জঙ্গল, জমিদার বাড়ি আর দিঘিটা ভয়ানক রহস্যের ধূম্রজাল। অনেকেই ওই জঙ্গলে ঢুকে আর ফিরে আসেনি। যারা ফিরে এসেছে, নিয়ে এসেছে বিচিত্র সব অভিজ্ঞতা। দিঘিতে ডুবেও গায়েব হয়েছে অনেকে। লাশ আর ভেসে ওঠেনি। রাতের আঁধারে দিঘির গভীর থেকে উঠে আসে অতি রূপবতী এক তরুণী। মুহূর্তের পর মুহূর্তে তরুণী অদৃশ্য হয়ে যায়। দেখা যায় বিদঘুটে চেহারার কুচকুচে কালো রঙের এক বিড়ালকে ঘুরে বেড়াতে। প্রাণীটার একটা চোখ নেই। চোখবিহীন শূন্য কোটরের গর্তে অপার্থিব জমাট অন্ধকার। অন্য চোখটা অস্বাভাবিক রকম জ্বলজ্বল করে। জঙ্গলে বা দিঘিতে গায়েব হওয়া কারো-কারো মৃতদেহ নিখোঁজের কয়েক বছর পর ফেরত পাওয়া যায়। চেহারা চেনা যায় না তখন। মানুষের দেহ বলে ভাবতেই কষ্ট হয়। শুকনো দরকচা মারা মমির মতো চিমসানো দেহ। যেন কোনো অশুভ শক্তি হতভাগা মানুষটার দেহ থেকে সমস্ত রক্ত-মাংস-রস শুষে নিয়েছে।
অসাধারণ। তবে শেষটা এমন না হলেও পারত। মন খারাপ হয়ে গেছে।
Read all reviews on the Boitoi app