

ইয়াসমিন সুলতানা উঠে গিয়ে আলমারি খুললেন। ডায়েরিটা আলমারিতেও নেই। তিনি দ্রুত চিন্তা করতে লাগলেন। তার ঘরের দরজা সবসময় খোলা থাকে। এমনি ভেজানো থাকলেও সিটকিনি দেওয়া থাকে না। তিনি না ডাকলে তার ঘরে আসবার কারো পারমিশন নেই। কারো দরকার হলে, তাকে বলে আসতে হয়। ইয়াসমিন সুলতানা চিন্তিত হয়ে ঘর থেকে বের হলেন। বাড়ির সবাই এখনো জাগেনি। নিচতলায় মা আর নার্স সুরিয়াকে দেখা যাচ্ছে। সুরিয়া মাকে হুইলচেয়ারে বসিয়ে রেখে সকালের ব্যায়াম করাচ্ছে। ইয়াসমিন সুলতানা ছাদে গেলেন। বাড়ির গেট কি খোলা? কেউ কি বেরিয়েছে?
"বড় ফুফুর ডায়েরি বেস্ট। একটা পরিবার,এতোগুলো চরিত্র, এতোগুলো কাহিনী। সবার হাসি কান্না সব একসাথে। আর ডায়েরিতে থাকা এক স্মরণীয় কাহিনী। হার্ডকপি মুদ্রণ হলে বইটা সারাজীবনের জন্য সংগ্ৰহ করতে হবে।"
সুন্দর❤️
Read all reviews on the Boitoi app
বড় ফুফুর ডায়েরি বেস্ট। একটা পরিবার,এতোগুলো চরিত্র, এতোগুলো কাহিনী। সবার হাসি কান্না সব একসাথে। আর ডায়েরিতে থাকা এক স্মরণীয় কাহিনী। হার্ডকপি মুদ্রণ হলে বইটা সারাজীবনের জন্য সংগ্ৰহ করতে হবে।
তৃধা আপু আপনার লেখনি নিয়ে আর বলার কিছু নেই আসলে। আপনি সবসময় অসাধারণ লেখেন। আপনার ২-৩টি বই ছাড়া সবগুলো বই আর ইবুক আমার পড়া হয়েছে। যখন যেটা পড়ি তখন মনে হয় ওটাই আপনার লেখা সেরা বই। কিন্তু আজকে সত্যি বলছি বড় ফুফুর ডায়েরি আমার কাছে এতো ভালো লেগেছে এটাকে আমি ১ নাম্বারে রাখলাম। এটা পড়ার পর আমার মনে হচ্ছে এটার মলাট বই আমার সংগ্রহে থাকা উচিত। এটা পড়ার সময় এতো হেসেছি আল্লাহ!😆 সবগুলো ক্যারেক্টার এতো ফানি আর হাসুর মা তো সুপার ফানি। ডায়েরির ব্যাপারটায় আমি ভেবেছিলাম হয়তো বড় ফুপুর প্রেম-ভালোবাসা রিলেটেড কোনো কাহিনি লেখা থাকবে। কিন্তু যেটা ছিল সেটা প্রথম থেকে পড়ে একটু ও আন্দাজ করতে পারিনি। পড়ার সময় গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠলো। স্পয়লার হয়ে যাবে বলে আর বেশি কিছু বললাম না। শুধু বলবো তৃধা আপুর এই বইটা আপনারা কিনলে একটু ও ঠকবেন না। পড়ে একটু ও হতাশ হবেন না। আপুর লেখা অসাধারণ বইটি আপনাদের অবশ্যই পড়া উচিত।❤️