

হঠাৎ বাড়ির পিছন থেকে ভেসে আসে দুর্বল গলার গোঙানির শব্দ। মনে হচ্ছে কেউ মরণব্যাধি যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে। লোকটার নিশ্চয়ই সাহায্যের প্রয়োজন। কোমল হৃদয়ের এলিজাবেথ সকল ভয় ও সঙ্গোপন আতঙ্ক গলাধঃকরণ করে হারিকেন হাতে নিয়ে উঠে দাঁড়াল। শব্দহীন পদচ্ছাপ ফেলে বাড়ির পেছনে যেতেই দেখতে পেল, কে যেন কাদামাটিতে উপুড় হয়ে পড়ে আছে। এই ঝড়-তুফানের রাতে এহেন অনাহূত মুহূর্তে কি করবে, তা নিয়ে বেশ দ্বিধায় পড়ে গেল এলিজাবেথ। মসৃণ কপোলে পড়ল গভীর ভাজ। কিছুক্ষণ জড়বৎ মূর্তির মতো নিশ্চল দাঁড়িয়ে থেকে দৃপ্ত পদচ্ছাপে এগিয়ে গেল এলিজাবেথ। হারিকেনটা লোকটার মাথার পাশে রেখে দ্বিধাজড়িত কণ্ঠে শুধায়, "এই-যে শুনছেন? কে আপনি? আপনি কি অসুস্থ?" রমণীর ভীত কণ্ঠে কিয়ৎক্ষণ পর অবুঝ ভঙ্গিতে মুখ তুলল লোকটা। মুখ ঢাকা মাস্কে, মাথা ও শরীরে চাপানো রেনকোটের টুপিতে ঢাকা সে। ভীত, থমকে যাওয়া রমণীর চোখে চেয়ে থাকল এক মুহূর্ত। পরক্ষণেই মাস্কের আড়ালে কালচে ঠোঁটে ফুটে উঠল এক রহস্যময় হাসি। ঠিক তখনই আকাশ কাঁপিয়ে নেমে এলো বজ্রপাত। সেই ঝলকে এক ঝলক আলোয় উদ্ভাসিত হলো লোকটার দু'টি অনিঃশেষ, নীল চোখ। সমুদ্র নীল চোখ।
"লেখিকা মিথুবুড়ির লেখা বরাবরই আমার খুব ভালো লাগে। তাঁর গল্পে থাকা রহস্য আর থ্রিলিং ভাইব আমাকে সবসময় মুগ্ধ করে। এত সুন্দর একটি গল্প উপহার দেওয়ার জন্য লেখিকা ম্যাডাম অবশ্যই প্রশংসা ও কৃতিত্বের দাবিদার। শুরুর দিকে রিচার্ডের দেওয়া এলিজাবেথের প্রতি আঘাতগুলো একদমই সহ্য হতো না। তখন রিচার্ডকে ভীষণ ঘৃণা করতাম। কিন্তু গল্প যত এগিয়েছে, ততই তার গভীর ভালোবাসা, জেদ আর চরিত্রের ভিন্ন দিকগুলো আমাকে মুগ্ধ করেছে। বিশেষ করে রিচার্ডের অন্ধকার অধ্যায়টি ছিল খুবই কষ্টদায়ক। সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে এলিজাবেথের চরিত্রটি। ভীষণ সাহসী, আত্মসম্মানী আর তেজী একটি মেয়ে। বারবার ভেঙে পড়ার পরও সে নিজেকে আবার নতুন করে গড়ে তুলেছে—এটাই তাকে আমার কাছে সবচেয়ে বেশি অনুপ্রেরণাদায়ী করে তুলেছে। শেষের দিকে ওদের ছোট্ট, মিষ্টি সংসার দেখে মনটা এক অদ্ভুত প্রশান্তিতে ভরে গেছে। আর এরিদ তো একেবারে তার পাপারই কপি! সবশেষে বলতে চাই, গল্পটি আমার প্রিয় তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে। মিথুবুড়ি, আপনি এভাবেই এগিয়ে যান, কখনো পেছনে ফিরে তাকাবেন না। আপনার লেখার ধরন সত্যিই অসাধারণ। অনেক অনেক ভালোবাসা ও শুভকামনা রইল। 💙"
খুব ভালো
Read all reviews on the Boitoi app
just wow darun hoyce apu ❤️❤️❤️
লেখিকা মিথুবুড়ির লেখা বরাবরই আমার খুব ভালো লাগে। তাঁর গল্পে থাকা রহস্য আর থ্রিলিং ভাইব আমাকে সবসময় মুগ্ধ করে। এত সুন্দর একটি গল্প উপহার দেওয়ার জন্য লেখিকা ম্যাডাম অবশ্যই প্রশংসা ও কৃতিত্বের দাবিদার। শুরুর দিকে রিচার্ডের দেওয়া এলিজাবেথের প্রতি আঘাতগুলো একদমই সহ্য হতো না। তখন রিচার্ডকে ভীষণ ঘৃণা করতাম। কিন্তু গল্প যত এগিয়েছে, ততই তার গভীর ভালোবাসা, জেদ আর চরিত্রের ভিন্ন দিকগুলো আমাকে মুগ্ধ করেছে। বিশেষ করে রিচার্ডের অন্ধকার অধ্যায়টি ছিল খুবই কষ্টদায়ক। সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে এলিজাবেথের চরিত্রটি। ভীষণ সাহসী, আত্মসম্মানী আর তেজী একটি মেয়ে। বারবার ভেঙে পড়ার পরও সে নিজেকে আবার নতুন করে গড়ে তুলেছে—এটাই তাকে আমার কাছে সবচেয়ে বেশি অনুপ্রেরণাদায়ী করে তুলেছে। শেষের দিকে ওদের ছোট্ট, মিষ্টি সংসার দেখে মনটা এক অদ্ভুত প্রশান্তিতে ভরে গেছে। আর এরিদ তো একেবারে তার পাপারই কপি! সবশেষে বলতে চাই, গল্পটি আমার প্রিয় তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে। মিথুবুড়ি, আপনি এভাবেই এগিয়ে যান, কখনো পেছনে ফিরে তাকাবেন না। আপনার লেখার ধরন সত্যিই অসাধারণ। অনেক অনেক ভালোবাসা ও শুভকামনা রইল। 💙
aaaah 😩 vison shundor onek balo lagse 😊💝
নানির লেখা মানেই বেস্ট 🙌 আর রিচার্ড তো আমার সব সময় পছন্দের 🕊️। অনেক সুন্দর ছিলো 😭✨
onek onek sundor hoise 😊
খুব খুব সুন্দর আপি
এলিজাবেথ আর রিচার্ড আমার সবথেকে পছন্দের চরিত্র। আর পছন্দের লেখিকা মিথুবুড়ি অবশ্যই। আমার বেশি কিছুই বলার নেই, যা বলবো তাইই তো কম পড়ে যাবে।কেন জানি মনে হয় এদের নিয়ে লেখা কখনও শেষ না হোক।
khubi valo legeche..... Richard kaynat er Elizabeth er proti valobasha...just amazing ❤️ Arid Kaynat keno Elichard er purnota aro valo vabe futiye tuleche✨ Richard er ek oshadharon protichobi Arid😘🥰
বলার মতো কিছু নেই নিঃসন্দেহে অনেক ভালো দীর্ঘদিন অপেক্ষার পর পড়লাম সত্যি অনেক ভালো লাগলো ধন্যবাদ আপনাকে আমাদের এত সুন্দর ই বুক উপহার দেওয়ার জন্য দোয়া করি আপনি আরো অনেকে এগিয়ে যান আরো অনেক ভালো ভালো বই প্রকাশ করেন