

উঁচু লোহার গেটের চূড়ায় একটি সাবেকি আমলের ধাতব নেমপ্লেট দেখা যাচ্ছে। “শান্তিনীড়” বাড়ির নামটা খুবই ছোট্ট, অথচ প্রতিটি অক্ষরে অদৃশ্য মায়ার গর্বিত উপস্থিতি। কড়কড়ে রোদে অক্ষরগুলো জ্বলজ্বল করছে স্বমহিমায়। মধ্য ঢাকার সবচেয়ে অভিলাষী এলাকায় গত আমলের স্মারক হিসেবে থেকে যাওয়া এই বিশালাকার ডুপ্লেক্স বাড়িটা আমার পাঠকদের কাছে খুব পরিচিত একটি ভবন, এটা আমি হলফ করে বলতে পারি। বলতে পারি, একটা সময় আমার পাঠকেরা তাদের দৈনন্দিন কর্মদিবসে এই বাড়ি আর এর ভেতরে বাস করা প্রত্যেকটি মানুষকে রোজ একবার করে দেখে যেত। তারা মিশতো এই মানুষগুলোর সাথে। আমার লেখা শান্তিনীড়ের সাথে সংশ্লিষ্ট চরিত্রগুলোর অনুভূতির দোলনার তালে তালে আমার প্রত্যেকটি পাঠক আজও দোল খায়, এও আমি হলফ করে বলতে পারি। যেখানে গল্পটি… থুড়ি, এটি তো কোনো গল্প নয়। ওরা আছে। হ্যাঁ, ওরা আসলেই আছে। যেখানে ওদের আমি থামিয়েছিলাম, কিছু পাগল পাঠকের অনুরোধে, তাদের তৃষ্ণা মেটাতে, সেখান থেকে ওদের লিখতে বসেছি। এই তো, ওরা সবাই আছে। যে যার মতো, তবে একসাথে। এই শান্তিনীড়ের সাথে জুড়ে। একটা চাঁদের বাড়ির জ্বলজ্বলে কিছু তারকা হয়ে। গল্পটি তাদের জন্য লেখা, যারা ওদের পড়েছেন, পড়তে চান এবং পড়তে থাকবেন ক্লান্তিহীন।

"এত চমৎকার ছিলো ইবুকের অংশটা! আমার ইরু! ও মনে হয় ইবুকে আরও চমৎকার। প্রেরণের ইহানের জন্য পাগল হওয়ার ব্যাপারটাও এত্ত এত্ত এনজয় করেছি! সামিন আলোর খুনশুটি গুলো! ইশ ইশ ইশ! সব মিলিয়ে চমৎকার! 😭"
অনেক অনেক অনেক অনেক সুন্দর একটি গল্প ছিল 🥰🥰🥰🥰
Read all reviews on the Boitoi app
এত চমৎকার ছিলো ইবুকের অংশটা! আমার ইরু! ও মনে হয় ইবুকে আরও চমৎকার। প্রেরণের ইহানের জন্য পাগল হওয়ার ব্যাপারটাও এত্ত এত্ত এনজয় করেছি! সামিন আলোর খুনশুটি গুলো! ইশ ইশ ইশ! সব মিলিয়ে চমৎকার! 😭
কিছু শব্দ ভাষায় প্রকাশ করার মতো না | ওদের নিয়ে কিছু ভাবনা , কিছু শব্দ, কিছু মন্তব্য করতে গেলে নিজেও সব গুলিয়ে ফেলি মনের শব্দ ভান্ডার ফুরিয়ে যায় | আমার মনে হয় তুমিই একমাত্র ব্যক্তি যার সব লেখা খুব তৃপ্তি নিয়ে পরেছি এতো ভালোবাসা ও নিয়ে লেখা যায় ,আমিতো রিতিমত অবাক যত পড়ি ততো মুগ্ধ হই♥️🥰
ভালোবাসা ভালোবাসা ভালোবাসা আর শুধুই ভালোবাসা। আর যে কোন বাক্য কম পরবে এই গল্প আর লেখিকার জন্য।তাই না বলি কিছু আর।
Samin Yasar Mirza is my favourite 🥰🥰🥰🥰
বহুদিন বাদে একটা ইবুক পড়ে শেষ করলাম। যদিও জানতাম না এটা বধূ কোন আলো লাগলো চোখে ২য় পরিচ্ছেদের সিকুয়েল। জানলাম ২ দিন আগে। এই গল্পের সবকটা চরিত্রই ভীষণ প্রিয় আমার। কেন যে শেষ হলো! 💙🥹
এই চরিত্রগুলো এমন যে এদের বার বার পড়লেও নতুন মনে হয়। সম্ভব হলে মির্জা বাড়ির লোকগুলোকে নিয়ে আবার লিখবেন!
অবশেষে আমিও চাঁদের বাড়ি ইবুক টা কিনে ফেললাম অনেক দিনের ইচ্ছা ছিলো এটা পড়া এবং ইহান প্রেরণা আলো সামিন সকলে খুব ভালো লাগে এতটুকু মন্তব্য করি কেননা এদের নিয়ে অনুভূতির কখনো শেষ হবে না যতই লিখবো ততই কম হয়ে যাবে। হেই ইহান...... ❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️
খুব সুন্দর একটি বই।
প্রথমবার মির্জা বাড়ি নিয়ে পড়া, আর পড়েই প্রেমে পরে গেলাম গল্পের সব চরিত্রের আর লেখিকার লেখনীর উপর। অসম্ভব সুন্দর! ওরা বাস্তবে থাকলে খুব ভালো হত!