

ঈশা নিজের কৈশোরকালেই তাদের পাশের ফ্ল্যাটে বসবাস করা ফারদিনকে মন দিয়ে বসে। সে বড়ই ইন্ট্রোভার প্রকৃতির মেয়ে হওয়ায় ভালোবাসার কথাটা ফারদিনকে বলতে পারে না। ফলে তার বাবা-মা তার বড় মেয়ের দেবরের সাথে ঈশার বিয়ে ঠিক করে। বিয়েতে না করলে দুই পরিবারের মধ্যে সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যাবে, সেই ভয়ে ঈশা নিজের মনের কথা চেপে রেখে বিয়ে করে নেয়। বিয়ের পর খবর পায় ফারদিন দেশ ছেড়ে চলে গেছে। সে আর ফারদিনকে নিয়ে মাথাঘামায় না। সময় আর জীবন নদীর পানির মতো বহমান, এভাবে কিছু বছর কাটে। স্বামীর পরকীয়া সহ্য করতে না পেরে ঈশা স্বামী নামক লোকটাকে ডিভোর্স দেয়। তার ডিভোর্স হয়। ছেড়ে দেওয়া পড়াশোনা আবারও শুরু করে। ঠিক সেই সময়ে পাত্র হিসেবে ফারদিন নামের লোকটা আবারও তার জীবনে আসে। তার এই অনিশ্চিত জীবনে এসে তাকে নিজের করতে উঠেপড়ে লাগে, তবে জীবনের কালো এক অধ্যায় ঈশাকে এতো বছরের ভালোবাসার মানুষটার দিকে অগ্রসর হতে বাঁধা দেয়। নতুন জীবন শুরু করতে বাঁধা দেয় সমাজ থেকে ডিভোর্সি, অপয়া ট্যাগ পাওয়া শব্দগুলো। ফারদিন কী পারবে নিজে অপয়া, অলক্ষ্মী ভাবা ঈশাকে নিজের জীবনে সম্মান দিয়ে, ভালোবাসা দিয়ে প্রবেশ করাতে?
গল্পটা অনেক ভালো লাগলো। সুন্দর একটা গল্প ছিলো। অসাধারণ
Read all reviews on the Boitoi app
সুন্দর ছিলো 🥰
Valo hoyeche
তোমার লেখনীর হাত অসাধারণ। সুন্দর ছিলো গল্পটা❤️❤️
তোমার গল্প সবসময়ই আমার ভালো লাগে, আজও অনেক ভালো লাগলো আপু😍😍😍😍 তুমি সবসময়ই সুন্দর গল্প লেখো 😘😘😘 এতো সুন্দর গল্প উপহার দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ তোমাকে 🤭🤭🤭
গল্পটা সুন্দর ছিলো,এগিয়ে যাও 😍😍😍😍😍❤️❤️❤️❤️❤️❤️
গল্পটা অনেক ভালো লাগলো। অনেক দিন পরে এতো সুন্দর একটা কাহিনি পড়তে পারলাম। সুন্দর সুন্দর 😍😍😍😍
সত্যিই গল্পটা অনেক সুন্দর ছিলো আপু 🤭🤭 ঈশা আর ফারদিনের সাংসারিক জীবন আরো একটু দিলে অনেক বেশি ভালো লাগতো আপু 🫣🫣🫣। ফারদিনকে আমার অনেক বেশি ভালো লেগেছে আপু। 😀
গল্পটা ভালো ছিলো। পড়ে ভালো লাগলো।
আপনার গল্পটা আজ প্রথমবার পড়তাম কিন্তু ভালো লাগলো। গল্পটা সুন্দর ছিলো। আপনার গল্প লেখার হাত দারুণ সুন্দর দিদিভাই। 💓💓💓💓💓💞💞💞💞💞💕💕💕💕💕💕💝💝💝💝💝💝💝💝❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️😻😻😻😻😻😻😻😻😻