

একটি পাহাড়ঘেরা নিঃসঙ্গ গ্রাম। কুয়াশাভেজা সকালের বুক চিরে স্কুলে পা বাড়ায় এক কিশোরী—কুসুম। কৃষ্ণবর্ণ, সাধারণ চেহারা অথচ চোখে আগুন, বুকভরা স্বপ্ন। তার বাবা একজন রিকশাচালক আর কুসুম নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে চায় বইয়ের পাতায়, নিজের যোগ্যতায়। কিন্তু সমাজ তাকে মনে রাখে কেবল একটিই পরিচয়ে—‘কালো রিকশাওয়ালার মেয়ে’। আর একদিন তার সামনে এসে দাঁড়ায় গ্রামের ক্ষমতাধর চেয়ারম্যান, মির্জা সারফারাজ—বয়সে প্রায় দ্বিগুণ, গা ছমছমে দৃষ্টি আর হিংস্র অভিপ্রায়ে পরিপূর্ণ। তিনি চান কুসুমকে স্ত্রী হিসেবে। শুরু হয় লোভ, হুমকি, অপমান আর এক অবর্ণনীয় মানসিক নিপীড়নের ভয়াবহ খেলা। কুসুমের জীবনে আগুনের পর আগুন জ্বলতে থাকে। জেদের আগুন, অপমানে পোড়া আগুন, অসম্মানের আগুন। সে যুদ্ধ করে—নিজের জন্য, নিজের স্বপ্নের জন্য, নিজের অস্তিত্বের জন্য। ‘কুসুমকলি’—কোনো রাজকন্যার গল্প নয়। এটি সেই কিশোরী মেয়েদের গল্প, যারা ন্যায়বিচার পায় না, যারা সমাজের ক্ষমতার শিকার কিন্তু তবুও ভাঙে না—রুখে দাঁড়ায়, হয়তো একা, হয়তো নিঃশব্দে কিন্তু এক অদম্য দীপ্তিতে। এ উপন্যাস পড়ার পর পাঠক শুধু কুসুমকে মনে রাখবে না—তার লড়াইকে নিজের ভিতরে অনুভব করবে, প্রশ্ন করবে সমাজকে এবং হয়তো নিজেকেও। পড়ুন ‘কুসুমকলি’—যেখানে এক কালো মেয়ের চোখে জ্বলে ওঠে একটি আগুনের আল্পনা।
Ei bointi amr khubi pochonder
Read all reviews on the Boitoi app
প্রথমত আপনার লিখার হাত চমৎকার। বিশেষত ঘর ,পোশাক ইত্যাদির বর্ণনা পড়তে আরাম লাগছে বিরক্ত না । বিরাম চিহ্নের ব্যবহার, ডায়লগ, confrontation , সব পড়ে স্বস্তি পাইছি। লেখার মাঝে স্পেস এর জন্যে thanks. গল্পের plot,developmentভালো তবে সেরা কুসুমকলির চরিত্র। সে মির্জার আবেগে জড়াইছে কিন্ত ভালোবাসার নয় এটা স্বীকার করা শেষপর্যন্ত, চেয়ারম্যান চরিত্রের বিপরীতে সে সর্বদা অটল ছিল ,এমন female lead এখন রেয়ার। তবে কুসুম যদি বাসরে বলত পরনারীকে যে lipkiss করছে তাই ওকে করা যাবে না সেই হতো। চেয়ারম্যান মির্জা চরিত্র আমাকে হতাশ করছে ,কোন depth or development ছিল না এ চরিত্রে। disappointing. আবার তার বাববার কুসুমকে অসুন্দর বলা যদিও মজা ছিল তাও , এরপর মতি যখনই কুসুমকে অপমান করছে তখন চুপ থাকা , আমার ওনাকে নায়ক কম কামুক side character বেশি মনে হইছে । একমাত্র ভালো দিক কুসুমকে সে কতটা আদরে ,যত্নে আর সম্মানে বিয়ে করছে । loved that. মতি কুসুমকে মালকিনের মতো সম্মান না দিয়ে কেমন অসম্মান নিয়ে treat করছে । চেয়ারম্যান খালেক হয়ে এমন করলে বাকিরা তো কুসুমকে পাত্তাই দিবে না । Author, দ্বিতীয় খন্ডে চেয়ারম্যান আর মতি চরিত্র যত্ন নিয়ে লিখবেন ,কেমন? আর প্রথম দুই বউ এর ছবি আসলেই বাসর ঘরে ছিল? ব্যাপারটা কুসুমের জন্য কত অসম্মানের । আহা ,কুসুম একে intimate pic, 2nd এসব!
গল্পটাতে রয়েছে এক অন্যরকম অনুভূতি, এক অন্যরকম ভালো লাগা, অপার্থিব ভালোবাসা, যত্ন আর কিছু রহস্য।লেখিকার লেখনীতে ফুটে উঠেছে একজন কালো, কৃষ্ণবর্ণা মেয়ের রুপ। এত সুন্দর আর নিখুতভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন যেটা যেকোনো মানুষের মনে আত্মবিশ্বাস সৃষ্টি করবেই। কালো মানেই কুৎসিত নয়, এটাও আরেকটি সৌন্দর্যের অন্তর্ভুক্ত। দ্বিতীয় খণ্ডের অপেক্ষায় রইলাম। 🌸🤍
লেখিকা ধন্যবাদ
আপু তোমাকে আমি ফেসবুকের মায়াকুমারির গল্প থেকে চিনি সেই সাথে যখন তুমি কুসুমকলি গল্পটা পোস্ট করলে আমিতো পুরাই ফিদা হয়ে গেছি কিন্তু তুমি গল্পটা লেখা বাদ দিয়ে দিলে😢😢 অপেক্ষায় ছিলাম গল্পটা কবে পাবো এন্ড ফাইনালি ইবুকে পেয়ে গেলাম....১ম পরিচ্ছেদ পরে খুব ভালো লাগলো আপু খুব তাড়াতাড়ি আবার দ্বিতীয় পরিচ্ছেদটা দিয়ে দিও.....