

জন্ম যেমন সত্য, ঠিক ততটাই মৃত্যু শব্দটা সত্য। মৃত্যু অবধারিত জেনেও প্রতিনিয়ত হেসে খেলে জীবন পার করছি। কেউ জানে না কখন কোন মুহূর্তে কার মৃত্যু হবে? মৃত্যুভয় কি সবার মধ্যে কাজ করে? কেউ কি প্রতিক্ষণে মনে করে একটু পরেই তার জীবনে মৃত্যুযোগ আসতে পারে? মৃত্যুভয় নিয়ে কি আদৌ বেঁচে থাকা যায়? গল্পে সমীর সাহেব মৃত্যুভয়ে আক্রান্ত। কী এমন অপরাধ করেছেন যা তাকে মৃত্যুভয়ে আচ্ছন্ন করে রেখেছে? মৃত্যুকে এড়ানো অসম্ভব। জন্ম নিলে মরতে হবেই। কিন্তু মৃত্যুভয়কে কি এড়ানো সম্ভব? স্ত্রী সুমি কি কোনো গোপন সত্য জানতে পেরেছিলেন? কী এমন কারণ ছিল যার জন্য সমীর সাহেব নিজেই ফোনকল রিসিভ করে জানাচ্ছেন যে তিনি বেঁচে আছেন?
প্রতিটি জীবেরই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে। তবে মনের ভেতর যখন মৃত্যুভয় তৈরি হয় তখন আমরা জীবনের হিসেব মেলাতে ব্যস্ত হয়ে পরি। আপুর জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইলো।
Read all reviews on the Boitoi app
কিছুদিন আগে মৃত্যুকে খুব কাছ থেকে দেখেছি। আমার মা চলে গেছেন সম্প্রতি। মৃত্যু অবধারিত জেনেও আমরা জীবন ভালোবাসি। আমরা প্রিয়জনের সাথে অনন্তকাল কাটাতে চাই, কিন্তু বিপত্তি বাধে যখন চাওয়া পাওয়ার গন্ডি পেরিয়ে অস্বাভাবিক অধিকার বোধ জন্মায়। গল্পে সমীর সাহেবের সাথেও এমনটাই হয়েছে। আশাকরি পাঠকের মন জয় করবে গল্পটা। লেখিকার জন্য শুভকামনা।
দারুণ একটা গল্প চমৎকার লেখনি। আসলে মৃত্যুভয় একটা কঠিন বাস্তব কস্টদায়ক কথা। মৃত্যুভয় সবারই আছে। তেমনি গল্পের চরিএ সমীর এরও মৃত্যুভয় কাজ করে জীবনের ষাট বছর পার করার পর। মৃত্যুভয় তাকে তাড়িয়ে বেড়াই। এরপরই বের হয়ে আসে রহস্য গল্প। সমীর সাহেব মৃত্যুর ভয়ে তার জীবনের অতীত সব কথা,সন্দেহবাতিক সব বলে দেয়। আসলেই শুধু ভালোবাসলেই হয়না, তাকে আগলে রাখতে হয়। আর সন্দেহ সেতো ভয়ংকর জিনিস। সন্দেহের কারণে সমীর সাহেব তার প্রথম ভালোবাসাকে হারিয়ে ফেলে। আর সংসার এর জিনিস পএ যেমন না মুছলে ধুলো ময়লা পড়ে। ভালোবাসাও ঠিক তেমনি যত্ন না পেলে মরিচা পড়ে। ভালোবাসাকে ভালোবাসার মত করে যত্ন করে আগলে রাখতে জানতে হয়। আপুর জন্য শুভকামনা রইল ❤️❤️❤️ চমৎকার একটা গল্প কাহিনি। দামি কিছু কথা।