

'জয়িতা' গল্পটা চৌধুরী বাড়ির। নিষ্ঠুর পিতা আরমান চৌধুরীর, আত্মত্যাগী মা মালিহার, কিংবা তারচেয়ে বেশি তাদের কন্যা জয়ীর। যে তাজ্য হয়েছে জন্মপূর্বেই। যে বৈধ হয়েও অস্বীকৃত, কন্যা হওয়ার অপরাধে ক্ষণে ক্ষণে মৃত্যু যাকে করেছিল তাড়া। সেই পথ পেরিয়ে গন্তব্যে পাড়ি জমাবার। এ গল্পটা জয়ীর অপয়া থেকে জয়ী হওয়ার। এই গল্পটা সেই আত্মত্যাগী মায়ের; আল্টা করতে এসেই যার জীবন নেমেছে স্বর্গ থেকে নরকে। সকাল অবধি সুখের সাগরে ভাসা পিতার কানে কন্যার আগমণবার্তা যেতেই এক মুহূর্তে বদলে গেল সব। আগলে ধরা হাত গেল ছেড়ে, সম্পর্ক দিলেন ভেঙে। কাল অবধি যার আগমনের জন্য উদগ্রীব ছিলেন, যার গায়ে নখের আঁচড় লাগার ব্যাপারে সচেতন ছিলেন, আজ কী অবলীলায় বললেন, "এই অপয়াকে আমি চাই না। মেরে ফেল..! নয়তো তোকে তালাক দেব।" এতদিনের সব ভালোবাসা এক নিমিষেই উবে গেল! এক নিমিষেই প্রাণ থেকে অপয়া বনে গেল! কন্যা মানেই পাথর, বোঝা। "তুই আর তোর বাচ্চা দুজনেই মর।" বলে সেই বোঝা ঝেড়ে আরমান সাহেব হনহনিয়ে হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে গেলেন। অচেনা তল্লাটে একলা পড়ে রইল মালিহা। তারপর...! তারপর কিভাবে এক মা তার কন্যাকে পৃথিবীতে আনলেন, নির্বাসিত হয়ে কিভাবে সন্তান লালন করলেন.. এটা তারই গল্প...
"মন ছুঁয়ে যাওয়ার মতো একটি গল্প। লেখনী যেমন সুন্দর, তেমনি শব্দচয়নও অসাধারণ। কোথাও একঘেয়েমি লাগেনি—এক বসাতেই শেষ করেছি। এমন চমৎকার উপন্যাস দেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ আপু। দ্বিতীয় খন্ডের অপেক্ষায় রইলাম।"
মন ছুঁয়ে যাওয়ার মতো একটি গল্প। লেখনী যেমন সুন্দর, তেমনি শব্দচয়নও অসাধারণ। কোথাও একঘেয়েমি লাগেনি—এক বসাতেই শেষ করেছি। এমন চমৎকার উপন্যাস দেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ আপু। দ্বিতীয় খন্ডের অপেক্ষায় রইলাম।
Read all reviews on the Boitoi app
লেখিকা সম্পর্কে আলাদা করে কি বলা যায় জানি না।আফিয়া কিছু লেখা মানে নতুন কিছু চমক।ওর লেখা পাবলিশ হয়ার আগেই আমি বলতে পারি পাঠক মন জয় করবে।জয়িতার বেলায়ও অন্যথা হয় নি।তাই পাঠক মন চায় তার লেখা বারবার পড়তে।যে লেখা পড়ে লেখিকার জন্য আমার অগাধ বিশ্বাস,ভালোবাসা আর শ্রদ্ধা আরো বৃদ্ধি পাবে।❤️ জয়িতা: জয়িতা বাস্তবধর্মী বই।জয়িতা আমাদের শেখাবে কিভাবে আত্মমর্যাদা বজায় রেখে সুখ খুঁজে বাঁচা যায়।জয়িতা আমাদের শেখায় কিভাবে পরিশ্রম,আত্মবিশ্বাস দিয়ে জীবনে সফল হয়া যায়।জয়িতা শেখায় নারী মনের দৃঢ়তা,সংগ্রাম।জয়িতা যেমন সমাজের কলুষিত দিক দেখায় ঠিক সমাজের সুন্দর দিকও দেখায়।জয়িতা জানায় সব মানুষ সব,পুরুষ এক নয়। জয়িতা লেখিকার প্রতিভাকে আরো এক ধাপ সম্মানিত করে❤️ লেখিকা আফিয়া খোন্দকার আপ্পিতাকে আমার পাঠক মনের অসংখ্য শুভেচ্ছা। তাকে আমার অসীম ভালোবাসা❤️তার প্রতি আমার শ্রদ্ধা।❤️
বাস্তবধর্মী গল্প তাই জয়িতা চরিত্র আমার খুব পছন্দের। কতদিন ধরে অপেক্ষায় ছিলাম বই বের হওয়ার জন্য।আপুর পেজে ও নক করছি।ফাইনালি এত শান্তি লাগছে পড়ার পর।আপু জয়িতা আর আবেশের শেষ পর্যন্ত কী হয় এরকম কিছু কী আসবে????
বই টা অসাধারণ । এমন বাস্তব মুখী গল্প অনেক কম আছে।তোমার সব লিখা সুন্দর ।কিন্তু আফসোস এক ইবুক এ পুরোটা শেষ করলে না।আশা করব বেশি সময় নিবে বা ২nd পার্ট এর জন্য। আর সেটাও ইবুক চাই ।
গল্পটা ভালো লেগেছে আরেক পর্ব অবশ্যই চাই । বই রূপে বের হলে মন্দ হয় নাহ ।
এককথায় বলতে গেলে অসাধারণ একটি বই। দ্বিতীয় খণ্ড চাই। জয়িতার সাধারণ থেকে অসাধারণ হয়ে উঠার সবটুকু গল্প জানতে চাই।
এক টানে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পড়ে শেষ করেছি। এরকম লেখা আরো চাই। লেখিকার সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি।